অক্টো. 282013
 

মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রাঃ)জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার পিতার মৃত্যু হল, আর তার কিছু ঋণ ছিল। আমি তার উণের বিনিময়ে পাওনাদারদের খেজুর নেওয়ার প্রস্তাব দিলাম। তাতে ঋণ পরিশোধ হবে না বলে তারা তা নিতে অস্বীকার করল। আমি তখন নাবী (সাঃ) -এর কাছে এসে এ বিষয়ে তাঁর নিকট উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, খেজুর পেড়ে মাছায় রেখে রাসূল (সাঃ) কে খবর দিও। (যথা সময়ে) তিনি এলেন এবং তাঁর সঙ্গে আবূ বকর ও উমর (রাঃ)-ও ছিলেন। তিনি কেজুর স্ত্তপের পার্শ্বে বসলেন এবং বরকতের দু‘আ করলেন। পরে বললেন, তোমার পাওনাদারদের ডাক এবং তাদের প্রাপ্য পরিশোধ করে দাও। তারপর আমার পিতার পাওণাদারদের কেউ এমন ছিল না যার ঋণ পরিশোধ করিনি। এরপরও (আমার কাছে) তার ওয়াসক খেজুর উদ্বৃত্ত রয়ে গেল। সাত ওয়াসক মিশ্র খেজুর আর ছয় ওয়াছক নিম্নমানের খেজুর কিংবা ছয় ওয়াসক মিশ্র ও সাত ওয়াসক নিম্নমানের খেজুর। তারপর আমি রাসূল (সাঃ) -এর সঙ্গে মাগরিবের সালাত (নামায) আদায় করলাম এবং তাঁকে তা বললাম। তিনি হাসলেন এবং বললেন, আবূ বকর ও উমরের কাছে গিয়ে তা বল। ’ তাঁরা বললেন, ‘আমরা আগেই জানতাম যে, যখন রাসূল (সাঃ) যা করার তা করেছেন, তখন অবশ্য এরূপই হবে। ’ হিশাম (রহঃ) ওয়াহাব (রহঃ)-এর মাধ্যমে জাবির (রাঃ) থেকে (বর্ণনায়) আসরের সালাত (নামায)-এর কথা উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি আবূ বকর (রাঃ) এবং রাসূল (সাঃ) -এর হাসার কথা উল্লেখ করেন নি। তিনি বর্ণনা করেছেন, (জাবির (রাঃ) বলেচেন) আমার পিতা তার যিম্মায় ত্রিশ ওয়াসক ঋণ রেখে মার গিয়েছেন। ইবন ইসহাক (রহঃ) ওয়াহাব (রহঃ)-এর মাধ্যমে জাবির (রাঃ) থেকে যোহরের সালাত (নামায)-এর কথা উল্লেখ করেছেন। ** এক ওয়াসক প্রায় ছয় মণ।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সন্ধি হাদিস নাম্বারঃ ২৫২৮

 Leave a Reply

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

(বাধ্যতামূলক)

(বাধ্যতামূলক)

আপনি যে মানুষ তা পরীক্ষা করে নিন। *