অক্টো. 282013
 

মুহাম্মদ ইবন কাসীর (রহঃ) ইবন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কুরাইশরা যখন ইসলাম গ্রহণে দেরী করছিল, তখন নাবী (সাঃ) তাদের বিরুদ্ধে দু’আ করলেন। পরিনামে তাদেরকে এমনভাবে দুর্ভিক্ষ গ্রাস করল যে, তারা বিনাশ হতে লাগল এবং মৃতদেহ ও হাড়গোড় খেতে লাগল। তখন আবূ সুফিয়ান (ইসলাম গ্রহণের পূর্বে) নাবী (সাঃ) এর কাছে এসে বলল, হে মুহাম্মদ! তুমি তো আত্মীয়দের সাথে সদ্ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়ে থাক। অথচ তোমার কউম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তুমি মহান আল্লাহর নিকট দু’আ কর। তখন তিনি তিলাওয়াত করলেন, ফারতাকিব ইয়াওমা তা’তিস সামা উ বিদুখানিম মুবিন’। তুমি অপেক্ষা কর সে দিনের যে দিন আসমানে প্রকাশ্য ধূঁয়া দেখা যাবে। তারপর (আল্লাহ যখন তাদের বিপদ মুক্ত করলেন তখন) তারা আবার কুফরীর দিকে ফিরে গেল। এর পরিণতি স্বরুপ আল্লাহর এ বাণীঃ “ইয়াওমা নাবতিশুল বাতসাতাল কুবরা’ যেদিন আমি কঠোর ভাবে পাকড়াও করব অর্থাৎ বদরের দিন। মানসুর (রহঃ) থেকে (বর্ণনাকারী) আসবাত (রহঃ) আরো বলেছেন, রাসূল (সাঃ) দু’আ করেন। ফলে লোকজনের উপর বৃষ্টিপাত হয় এবং অবিরাম সাতদিন পর্যন্ত বর্ষিত হতে থাকে। লোকেরা অতিবৃষ্টির বিষয়টি পেশ করল। তখন নাবী (সাঃ) দু’আ করে বলেন, হে আল্লাহ! আমাদের আশে পাশে, আমাদের উপরে নয়। তারপর তাঁর মাথার উপর থেকে মেঘ সরে গেল। তাদের পার্শ্ববর্তী লোকদের উপর বর্ষিত হল।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বৃষ্টির জন্য দু’আ হাদিস নাম্বারঃ ৯৬৫

 Leave a Reply

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

(বাধ্যতামূলক)

(বাধ্যতামূলক)

আপনি যে মানুষ তা পরীক্ষা করে নিন। *