নভে. 172013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) – কে বলতে শুনেছি, আমরা সর্বশেষে আগমনকারী (পৃথিবীতে) সর্বাগ্রে প্রবেশকারী (জান্নাতে)। আর এ সনদেই বর্ণিত হয়েছে যে, (রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন,)যে ব্যাক্তি আমার আনুগত্য করল, সে ব্যাক্তি আল্লাহ তাআলারই আনুগত্য করল আর যে ব্যাক্তি আমার নফরমানী করল, সে ব্যাক্তি আল্লাহ তাআলারই নাফরমানি করল আর যে ব্যাক্তি (শরীয়ত স্বীকৃত) আমীরের আনুগত্য করল, সে ব্যাক্তি আমারই আনুগত্য করল আর যে ব্যাক্তি আমীরের নাফরমানী করল সে ব্যাক্তি আমারই নাফরমানী করল। ইমাম তো ঢাল স্বরূপ। তাঁর নেতৃত্বে যুদ্ধ এবং তাঁরই মাধ্যমে নিরাপত্তা অর্জন করা হয়। অনন্তর যদি সে আল্লাহর তাকওয়ার নির্দেশ দেয় এবং সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে, তবে তার জন্য এর প্রতিদান রয়েছে আর যদি সে এর বিপরীত করে তবে এর মন্দ পরিণতি তার উপরই বর্তাবে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭৫১

নভে. 172013
 

মূসা’দ্দাদ এবং মুহাম্মদ ইবনু সাব্বাহ (রহঃ)ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘পাপ কার্যের আদেশ না করা পর্যন্ত ইমামের কথা শোনা ও তার আদেশ মান্য করা অপরিহার্য। তবে পাপ কার্যের আদেশ করা হলে তা শোনা ও আনুগত্য করা যাবে না’।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭৫০

নভে. 142013
 

হযরত আলী ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) হযরত জারীর (রাঃ) সূত্রে বর্নিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর হাতে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদুর রাসূলল্লাহ’–এ কথা সাক্ষ্য দেওয়ার, সালাত (নামায) কায়েম করার, যাকাত দেওয়ার, আমীরের কথা শোনার ও মেনে চলার এবং প্রত্যেক মুসলমানের হিত কামনা করার উপর বায়আত করেছিলাম।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ক্রয় – বিক্রয় হাদিস নাম্বারঃ ২০২৩

নভে. 102013
 

আমর ইবন আলী (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবন দীনার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যখন লোকেরা আবদুল মালিকের কাছে বায়আত গ্রহন করল, তখন আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) তার কাছে চিঠি লিখলেন। আল্লাহর বান্দা, আবদূল মালিক, আমীরুল মুমিনীনের প্রতি! আমি আমার সাধ্যের আওতাভুক্ত বিষয়ে আল্লাহ ও তার রাসুল -এর নির্দেশিত পন্থায় তাঁর কথা শোনা ও তার আনুগত্য করার অঙ্গীকার করছি আর আমার সন্তানরাও অনুরুপ অঙ্গীকার করছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৭১২

নভে. 102013
 

ইয়াকুব ইবন ইররাহীম (রহঃ) জারীর ইরন আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে তার কথা শোনা ও তাঁর আনুগত্য করা ও প্রত্যেক মুসলমানের জন্য কল্যাণ কামনার ব্যাপারে বায় আত গ্রহণ করলাম। তিনি আমাকে এ কথা বলতে শিখিয়ে দিলেন যে! আমার সাধ্যের আওতাভুক্ত বিষয়ে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৭১১

নভে. 102013
 

মূসাদ্দাদ (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবন দীনার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ লোকেরা যখন আবদুল মালিকের খিলাফতের ব্যাপারে ঐকমতে পৌছল, তখন আমিইবন উমর (রাঃ)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তিনি পত্র লিখলেন যে, আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আদর্শ অনুসারে আল্লাহর বান্দা, আমীরুল মুমিনীন আবদুল মালিকের কথা যথাসাধ্য শোনা ও তার আনুগত্য করার অঙ্গীকার করছি। আমার সন্তানরাও অনুরুপ অঙ্গীকার করছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৭১০

নভে. 102013
 

আব্দুল্লাহ ইবন ইউসুফ (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা যখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে তাঁর কথা শোনা ও তার আনুগত্যের বায় আত গ্রহণ করতাম। তখন তিনি আমাদের বলতেনঃ যা তোমার সাধ্যের মধ্যে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৭০৯

নভে. 102013
 

উমর ইবন হাফস ইবন গিয়াস (রহঃ) আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি ক্ষুদ্র সৈন্যদল প্রেরন করলেন এবং একজন আনসারী ব্যাক্তিকে তাদের আমীর নিযুক্ত করে সেনাবাহিনীকে তার আনুগত্য করার নির্দেশ দিলেন। এরপর তিনি (আমীর) তাদের উপর ক্ষুব্ধ হলেন এবং বললেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি তোমাদেরকে আমার আনুগত্য করার নির্দেশ দেননি? তারা বললেনঃ হ্যা। তখন তিনি বলঁলেন, আমি তোমাদের দৃঢ়ভাবে বলছি যে, তোমরা কাঠ সংগ্রহ করবে এবং তাতে আগুন প্রজ্জলিত করবে। এরপর তোমরা তাতে প্রবেশ করবে। তারা কাঠ সংগ্রহ করল এবং তাতে আগুন প্রজ্জলিত করল। এরপর যখন তারা প্রবেশ করতে ইচ্ছা করল- তখন একে অপরের দিকে তাকাতে লাগল। তাঁদের কেউ কেউ বলল আগুন থেকে পরিত্রাণের জন্যই তো আমাকে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর অনুসরণ করেছি। তাহলে কি আমরা (অবশেষে) আগুনেই প্রবেশ করব? তাঁদের এসব কথোপকথনের মাঝে হঠাৎ আগুন নিভে যায়। আর তার (আমীরের) ক্রোধও অবদমিত হয়ে পড়ে। এ ঘটনা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট বর্ণনা করা হলে তিনি বললেনঃ যদি তারা তাতে প্রবেশ করত, তাহলে কোন দিন আর এর থেকে বের হত না। জেনে রেখো! আনুগত্য কেবলমাত্র বিধিসম্মত কাজেই হয়ে থাকে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৬৬০

নভে. 102013
 

মুসদ্দাদ (রহঃ) আব্দুল্লাহ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ যতক্ষন পর্যন্ত আল্লাহর নাফরমানীর নির্দেশ দেওয়া না হয়! ততক্ষন পছন্দনীয় ও অপছন্দনীয় সব বিষয়ে প্রত্যেক মুসলমানের জন্য তার মান্যতা ও আনুগত্য করা কর্তব্য। যখন নাফরমানীর নির্দেশ দেওয়া হয়, তখন আর কোন মান্যতা ও আনুগত্য নেই।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৬৫৯

নভে. 102013
 

সুলায়মান ইবন হারব (রহঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কেউ তার আমীর (ক্ষমতাসীন) থেকে এমন কিছু দেখে, যা সে অপছন্দ করে, তাহলে সে যেন ধৈর্য ধারণ করে। কেননা, যে কেউ জামাআত থেকে এক বিঘত পরিমাণ দুরে সরে মরবে, তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াতের মৃত্যু।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৬৫৮