নভে. 152013
 

আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ)… হাকীম ইবনু হাযাম (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আরয করলাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! ঈমান আনয়নের পূর্বে (সওয়াব লাভের উদ্দেশ্যে) আমি সা’দকা প্রদান, দাসমুক্ত করা ও আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করার ন্যায় যত কাজ করেছি সে গুলোতে সওয়াব হবে কি? তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি যে সব ভালো কাজ করেছ তা নিয়েই ইসলাম গ্রহন করেছ (তুমি সেসব কাজের সওয়াব পাবে)।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যাকাত হাদিস নাম্বারঃ ১৩৫৩

নভে. 142013
 

হযরত আবূল ইয়ামান (রহঃ) হযরত হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) সূত্রে বর্নিত, ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) , আপনি বলুন, আমি জাহিলিয়া যুগে দান, খায়রাত, গোলাম আযাদ ও আত্নীয়-স্বজনের সাথে সদ্ব্যবহার ইত্যাদি যে সব নেকীর কাজ করেছি, এতে কি আমি সাওয়াব পাব? হাকীম (রাঃ) বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, অতীতের সৎ কর্মসহ তুমি ইসলাম গ্রহন করেছ। অর্থাৎ তুমি যে সব নেকী করেছ, তার পুরোপুরি সাওয়াব লাভ করবে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ক্রয় – বিক্রয় হাদিস নাম্বারঃ ২০৭৯

অক্টো. 242013
 

সুলায়মান ইবন হারব (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ইয়াহুদীর ছেলে নাবী (সাঃ) -এর খেদমত করত। ছেলেটির অসূস্থ হলে নাবী (সাঃ) তাকে দেখতে এলেন। এরপর তিনি বললেন তুমি ইসলাম গ্রহন করো। সে ইসলাম গ্রহন করলো। সাঈদ ইবন মুসা য়্যাব (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবূ তাসিব মৃত্যুমুখে পতিত হলে নাবী (সাঃ) তার কাছে এসেছিলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ রোগীদের বর্ণনা হাদিস নাম্বারঃ ৫২৫৫

অক্টো. 212013
 

মুসা ইবন ইসমাঈল (রহঃ) ইউসায়ের ইবন আমর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি সাহল ইবন হুনায়েফ (রাঃ)- কে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি নাবী (সাঃ) -কে খারিজীদের সম্পর্কে কিছু বলতে শুনেছেন কি? তিনি বললেনঃ আমি তাকে বলতে শুনেছি, আর তখন তিনি তাঁর হাত ইরাকের দিকে বাড়িয়ে ছিলেন যে- সেখান থেকে এমন একটি কাওম বের হবে যারা কুরআন পড়বে সত্য, কিন্তু তা তাদের গলদেশ অতিক্রম করবে না তারা ইসলাম থেকে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বেরিয়ে যায়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদের তউবা হাদিস নাম্বারঃ ৬৪৬৫

অক্টো. 172013
 

আবদুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেনঃ একদা আমরা মসজিদে ছিলাম। হঠাৎ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আমাদের কাছে বেরিয়ে এসে বললেনঃ তোমরা ইহুদীদের কাছে চল। আমি তাঁর সাথে বের হয়ে পড়লাম এবং বায়তুল-মিদরাস নামক শিক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে পৌছলাম। তখন নবী (সাঃ) দাড়িয়ে তাদেরকে সন্বোধন করে বললেনঃ হে ইহুদী সম্প্রদায়! তোমরা মুসলমান হয়ে যাও, নিরাপদ থাকবে। তারা বলল হে আবূল কাসিম! আপনি (আপনার দায়িত্ব) গৌছে দিয়েছে। তিনি বললেনঃ এটাই আমি চাই। তারপর দ্বিতীয়বার কথাটি বললেনঃ তারা বলল, হে আবূল কাসিম! আপনি পৌছে দিয়েছেন। এরপর তিনি তৃতীয়বার তা পুনরাবৃত্তি করলেন। আর বললেনঃ তোমরা জেনে রেখো যে, যমীন কেবল আল্লাহ ও তার রাসুলের। আমি তোমাদেরকে দেশান্তর করতে মনস্থ করেছি। তাই তোমাদের যার অস্থাবর সস্পত্তি রয়েছে, তা যেন সে বিক্রি করে নেয়। অন্যথায় জেনে রেখো, যমীন কেবল আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাঃ) -এর।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বল-প্রয়োগে বাধ্য করা হাদিস নাম্বারঃ ৬৪৭৫

অক্টো. 142013
 

আহমদ ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) রাসূল (সাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাস্তায় মুসলমানদের যে যখম হয়, কিয়ামতের দিন তার প্রতিটি যখম আঘাতকালীন সময়ে যে অবস্থায় ছিল তদ্রুপ হবে। রক্ত ছুটে বের হতে থাকবে। তার রং হবে রক্তের রং কিন্তু গন্ধ হবে মিশকের ন্যায়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ উযূ হাদিস নাম্বারঃ ২৩৭

অক্টো. 142013
 

সুলায়মান ইবন হারব (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ উকল বা উরায়না গোত্রের কিছু লোক (ইসলাম গ্রহণের জন্য) মদীনায় এলে তারা পীড়িত হয়ে পড়ল। রাসূল (সাঃ) তাদের (সদকার) উটের কাছে যাবার এবং ওর পেশাব ও দুধ পান করার নির্দেশ দিলেন। তারা সেখানে চলে গেল। তারপর তারা সুস্থ হয়ে রাসূল (সাঃ) এর রাখালকে হত্যা করে ফেলল এবং উটগুলি হাঁকিয়ে নিয়ে গেল। এ খবর দিনের প্রথম ভাগেই এসে পৌঁছল। তিনি তাদের পেছনে লোক পাঠালেন। বেলা বেড়ে উঠলে তাদেরকে (গ্রেফতার করে) আনা হল। তারপর তাঁর আদেশে তাদের হাত পা কেটে দেওয়া হল। উত্তপ্ত শলাকা দিয়ে তাদের চোখ ফুঁড়ে দেওয়া হল এবং গরম পাথুরে ভূমিতে তাদের নিক্ষেপ করা হল। তারা পানি চাইছিল, কিন্তু দেওয়া হয়নি। আবূ কিলাবা (রহঃ) বলেন, এরা চুরি করেছিল, হত্যা করেছিল, ঈমান আনার পর কুফরী করেছিল এবং আল্লাহ্ ও তার রাসূল (সাঃ) -এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ উযূ হাদিস নাম্বারঃ ২৩৩

অক্টো. 132013
 

কুতায়বা (রহঃ) আবদুল্লাহ্ ইবন ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, এক ব্যাক্তি রাসূল (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করল, ‘ইসলামের কোন্ কাজ সবচাইতে উত্তম?’ তিনি বললেনঃ তুমি লোকদের আহার করাবে এবং পরিচিত-অপরিচিত নির্বিশেষে সকলকে সালাম বলবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ঈমান হাদিস নাম্বারঃ ২৭

অক্টো. 132013
 

হাসান ইবনুস সাব্বাহ্ (রহঃ) ‘উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, এক ইয়াহূদী তাঁকে বললঃ হে আমীরুল মু‘মিনীন! আপনাদের কিতাবে একটি আয়াত আছে যা আপনারা পাঠ করে থাকেন, তা যদি আমাদের ইয়াহূদী জাতির উপর নাযিল হত, তবে অবশ্যই আমরা সে দিনকে ঈদ হিসেবে পালন করতাম। তিনি বললেন, কোন আয়াত? সে বললঃ “আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামত সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন মনোনীত করলাম। ” (৫:৩) ‘উমর (রাঃ) বললেন এটি যে দিন এবং যে স্থানে রাসূল (সাঃ) এর উপর নাযিল হয়েছিল তা আমরা জানি; তিনি সেদিন ‘আরাফায় দাঁড়িয়েছিলেন এবং তা ছিল জুম‘আর দিন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ঈমান হাদিস নাম্বারঃ ৪৪

অক্টো. 132013
 

ইসহাক ইবন মানসূর (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যখন উত্তমরূপে ইসলামের উপর কায়েম থাকে তখন সে যে নেক আমল করে তার প্রত্যেকটির বিনিময়ে সাতশ গুণ পর্যন্ত (সওয়াব) লেখা হয়। আর সে যে মন্দ কাজ করে তার প্রত্যেকটির বিনিময়ে তার জন্য ঠিক ততটুকুই মন্দ লেখা হয়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ঈমান হাদিস নাম্বারঃ ৪১