অক্টো. 312013
 

কুতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদিন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আমার কাছে প্রফুল্ল অবস্হায় এলেন এবং বললেনঃ হে আয়িশা! (চিহ্ন ধরে বংশ উদঘাটনকারী) এসেছে তা কি তুমি দেখনি? এসেই সে উসামা এবং যায়িদ-এর দিকে নযর করেছে। তারা উভয়ে চাদর পরিহিত অবস্হায় ছিল। তাদের মাথা ঢেকে রাখা ছিল। তবে তাদের পাগুলো দেখা যাচ্ছিল। তখন সে বলল এদের পাগুলো একে অপর থেকে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ উত্তরাধিকার হাদিস নাম্বারঃ ৬৩১৪

অক্টো. 312013
 

কূতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আমার কাছে এলেন এত প্রফূল্ল অবস্থায় যে, তার চেহারার চিহ্নগুলি চমকাচ্ছিল। তিনি বললেনঃ তুমি কি দেখনি যে, মুজাযযিয চিহ্ন ধরে বংশ উদঘাটনকারী) যায়িদ ইবন হারিসা এবং উসামা ইবন যায়িদ-এর দিকে সন্ধানী দৃষ্টিতে তাকিয়েছে। এরপর সে বলেছে, এদের দু-জনের কদম একে অপর থেকে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ উত্তরাধিকার হাদিস নাম্বারঃ ৬৩১৩

অক্টো. 312013
 

আসবাগ ইবন ফারাজ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের পিতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিও না (অস্বীকার করো না)। কেননা, যে ব্যাক্তি আপন পিতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় (পিতাকে অস্বীকার করে) এটি কুফরী।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ উত্তরাধিকার হাদিস নাম্বারঃ ৬৩১১

অক্টো. 312013
 

মুসাদ্দাদ (রহঃ) সা-দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নাবী (সাঃ) -কে বলতে শুনেছি, যে ব্যাক্তি অন্য লোককে পিতা বলে দাবি করে অথচ সে জানে যে সে তার পিতা নয়, জান্নাত তার জন্য হারাম। রাবী বলেনঃ আমি এ কথাটি আবূ বকর (রাঃ)-এর কাছে আলোচলা করলাম। তখন তিনি বললেনঃ আমার কান দূটি তো রাসুলুল্লাহ (সাঃ) থেকে এ কথা শুনেছে এবং আমার অন্তর তা সংরক্ষণ করেছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ উত্তরাধিকার হাদিস নাম্বারঃ ৬৩১০

অক্টো. 312013
 

কুতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ সা’দ ইবন আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) ও আবদু ইবন যামআ একটি ছেলের ব্যাপারে পরস্পরে কথা কাটাকাটি করেন। সাদ (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ)! এ ছেলেটি আমার ভাই উতবা ইবন আবূ ওয়াককাস-এর পূত্র। তিনি আমাকে ওসিয়ত করে গিয়েছিলেন যে! এ ছেলেটি তার পূত্র। আপনি তার আকৃতির দিকে লক্ষ্য করে দেখুন। আবদ ইবন যামআ বললো! এ আমার ভাই, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ)! এ আমার পিতার ঔরসে তার কোন বাদীর গর্ভে জন্মগ্রহন করেছে। তখন নাবী (সাঃ) তার আকৃতির দিকে নযর করলেন এবং উতবার আকৃতির সাথে তার আকৃতির প্রকাশ্য মিল দেখতে পেলেন। তখন তিনি বললেনঃ হে আবদ। এ ছেলে তুমিই পাবে। কেননা সন্তান যথাযথ শয্যাপতির আর ব্যাভিচারীর জন্য হল পাথর। আর হে সাওদা বিনত যামআ! তুমি তার থেকে পর্দা কর। আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ এরপরে সে কখনও সাওদার সাথে দেখা দেয়নি।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ উত্তরাধিকার হাদিস নাম্বারঃ ৬৩০৯

অক্টো. 312013
 

আবূ আসিম (রহঃ) উসামা ইবন যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ মুসলমান কাফেরের উত্তরাধিকারী হয় না আর কাফেরও মুসলমানের উত্তরাধিকারী হয় না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ উত্তরাধিকার হাদিস নাম্বারঃ ৬৩০৮

অক্টো. 312013
 

আবূল ওয়ালীদ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি ধন-সস্পদ রেখে মারা যায় সে ধন-সম্পদ তার উত্তরাধিকারীদের জন্য। আর যে ঋণ রেখে (মারা) যায় তা (আদায় করা) আমার যিম্মায়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ উত্তরাধিকার হাদিস নাম্বারঃ ৬৩০৭

অক্টো. 312013
 

আবূল ওযালীদ (রহঃ) আনাস (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কোন কাওমের বোনের পূত্র সে কাওমেরই অন্তর্ভুক্ত। এখানে তিনি ‘মিনহুম’ বলেছেনঃ অথবা ‘মিনআনফুসিহিম’ বলেছেনঃ।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ উত্তরাধিকার হাদিস নাম্বারঃ ৬৩০৬

অক্টো. 312013
 

আদাম (রহঃ) আনাস ইবন-মালিক (রাঃ) সুত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কোন কাওমের (আযাদকৃত) গোলাম তাদেরই অন্তর্ভুক্ত অথবা এ জাতীয় কোন কথা বলেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ উত্তরাধিকার হাদিস নাম্বারঃ ৬৩০৫

অক্টো. 312013
 

হাফস ইবন উমর (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আয়িশা (রাঃ) বারীরা বাদীকে ক্রয় করার ইচ্ছা করলেন। তিনি নাবী (সাঃ) এর কাছে বললেনঃ যে, তারা (মালিকেরা) ওয়ালার শর্ত করয়ে তখন নাবী (সাঃ) বললেনঃ তুমি তাকে ক্রয় করে নাও। কেননা, ওয়ালা তো হচ্ছে ঐ ব্যাক্তির, যে আযাঁদ করে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ উত্তরাধিকার হাদিস নাম্বারঃ ৬৩০৩