নভে. 212013
 

আবূল ওয়ালিদ (রহঃ) আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি বাবা’ (রাঃ)-কে বলতে শুনেদি, এ আয়াতটি আমাদের সম্পর্কে নাযিল হয়েছিল। হাজ্জ (হজ্জ) করে এসে আনসারগণ তাদের বাড়িতে সদর দরজা দিয়ে প্রবেশ না করে পেছনের দরজা দিয়ে প্রবেশ করতেন। এক আনসার ফেরে এসে তার বাড়ির সদর দরজা দিয়ে প্রবেশ করলে তাকে এ জন্য লজ্জা দেওয়া হয়। তখনই নাযিল হয়ঃ পশ্চাৎ দিক দিয়ে তোমাদের গৃহ-প্রবেশ করাতে কোন কল্যাণ নেই। বরং কল্যাণ আছে যে তাকওয়া অবলম্বন করে। সুতরাং তোমরা (সামনের) দরজা দিয়ে গৃহে প্রবেশ কর। (২:১৮৯)

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৬৮৭

নভে. 172013
 

মূসা’দ্দাদ (রহঃ) উরওয়া আল বারেকী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ঘোড়ার কপালে উপরিভাগের কেশগুচ্ছ বাঁধা রয়েছে কল্যাণ, সাওয়াব ও গনীমত কিয়ামত পর্যন্ত।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৯৯

নভে. 162013
 

আবূ নুআইম(রহঃ) উরওয়া বারিকী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ঘোড়ার কপালের কেশগুচ্ছে কল্যাণ রয়েছে কিয়ামত পর্যন্ত। অর্থাৎ (আখিরাতের) পুরস্কার এবং গনীমতের মাল।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৬৫৫

নভে. 162013
 

মূসা’দ্দাদ(রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ঘোড়ার কপালের কেশগুচ্ছে বরকত রয়েছে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৬৫৪

নভে. 072013
 

সাঈদ ইবন উফায়র (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন- রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন রোগে কোন সংক্রমণ নেই, শুভ-অশুভ বলতে কিছু নেই, অশুভ কেবল নারী, ঘোড়া ও ঘর এ তিন জিনিসের মধ্যেই হতে পারে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ চিকিৎসা হাদিস নাম্বারঃ ৫৩৫৯

নভে. 072013
 

আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ ছৌয়াচে ও শুভ-অশুভ বলতে কিছু নেই। অমঙ্গল তিন বস্তুর মধ্যে নারী ঘর ও জানোয়ার।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ চিকিৎসা হাদিস নাম্বারঃ ৫৩৪২

নভে. 022013
 

কুতায়বা (রহঃ) আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ আমি তোমাদের বলব কি, আনসারদের মধ্যে সর্বোত্তম গোত্র কোনটি? তারা বললেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলুন। তিনি বললেনঃ তারা বনূ নাজ্জার। এরপর যারা তাদের নিকটবর্তী, বনূ আবদুল আশহাল, এরপর তাদের নিকটবর্তী যারা বনূ হারিস ইবন খাযরাজ। এরপর তাদের সন্নিকটে যারা বনূ সাঈদা। এরপর তিনি হাত সারা ইঙ্গিত করলেন। হাতের আঙ্গুলগুলোকে সংকুচিত করে পূনরায় তা সাম্প্রসারিত করলেন। যেমন কেউ কিছু নিক্ষেপ কালে করে থাকে। এরপর বলেনঃ আনসারদের প্রত্যেকটি গোত্রেই কল্যান নিহিত আছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তালাক হাদিস নাম্বারঃ ৪৯১৭

অক্টো. 272013
 

মুসাদ্দাদ (রহঃ) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাতটি বা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) নয়টি মেয়ে রেখে আমার পিতা ইনতিকাল করেন। তারপর আমি এক বিধবা মহিলাকে বিয়ে করি। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ জাবির! তুমি বিয়ে করেছ? আমি বললাম: হা। তিনি তারপর জিজ্ঞাসা করলেন: কুমারী বিয়ে করেছ না বিধবা? আমি বললামঃ বিধবা! তিনি বললেনঃ কুমারী করলে না কেন? তুমি তার সাথে প্রমোদ করতে, সেও তোমার সাথে প্রমোদ করতো। তুমিও তাকে হাসাতে, সেও তোমাকে হাসাতো। জাবির (রাঃ) বলেনঃ আমি তাকে বললামঃ অনেকগুলো কন্যা সন্তান রেখে আব্দুল্লাহ (তার পিতা) মারা গেছেন তাই আমি ওদের-ই মত কুমারী মেয়ে বিয়ে করা পছন্দ করিনি। আমি এমন মেয়েকে বিয়ে করলাম যে তাদের দেখাশোনা করতে পারে। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তোমাকে বরকত দিন অথবা বললেনঃ কল্যাণ দান করুন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ভরণ পোষণ হাদিস নাম্বারঃ ৪৯৭৬

অক্টো. 262013
 

আহামাদ ইবন সালিহ (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবন কাব ইবন মালিক (রাঃ) খেকে বর্ণিত। কাব (রাঃ) যখন অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন, তখন তার জনৈক পূত্র তাঁকে ধরে নিয়ে চলতেন। আব্দুর রাহমান বলেনঃ আমি আল্লাহর বানীঃ যে তিনজন তাবুকের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করা থেকে বিরত হয়েছে। সংক্রান্ত ঘটনা বর্ণনা করতে কা’ব ইবন মালিককে শুনেছি। তিনি তার বর্ণনার শেষাংশে বলেনঃ আমার তওবা এটাই যে আমার সমস্ত মাল আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাঃ) -এর কাছে দান করে দিয়ে আমি মুক্ত হব। তখন নাবী (সাঃ) বললেনঃ কিছু মাল তোমার নিজের জন্য রাখ এটী তোমার জন্য কল্যানকর হবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শপথ ও মানত হাদিস নাম্বারঃ ৬২৩৩

অক্টো. 252013
 

আবূ নুআইম (রহঃ) যিয়াদ ইবন ইলাকা (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জারির (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, আমি নাবী (সাঃ) -এর কাছে বায়আত গ্রহন করলাম। তিনি আমাকে প্রত্যেক মুসলিমের প্রতি কল্যাণ কামনার শর্ত আরোপ করলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শর্তাবলী হাদিস নাম্বারঃ ২৫৩১