নভে. 172013
 

মুহাম্মদ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে একজনের পুত্র সন্তান জন্ম হয়। সে তার নাম রাখল কাসিম। তখন আনসারগণ বললেন, আমরা তোমাকে আবূল কাসিম কুনিয়াত ব্যবহার করতে দিব না এবং এর দ্বার তোমার চক্ষু শীতল করব না। সে ব্যাক্তি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে এসে বলল, ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আমার একটি পুত্র সন্তান জন্ম নিয়েছে। আমি তার নাম রেখেছি কাসিম। তখন আনসারগণ বললেন, আমরা তোমাকে আবূল কাসিম কুনিয়াত ব্যবহার করতে দিব না এবং এর দ্বারা তোমার চক্ষু শীতল করব না। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘আনসারগন ভালই করেছে। তোমরা আমার নামে রাখ, কিন্তু কুনিয়াত ব্যবহার কর না। কেননা, আমি তো কাসিম বণ্টনকারী)। ’

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৯৫

নভে. 172013
 

আবূল ওয়ালীদ (রহঃ) জাবির ইবনু আবদুল্লাহ থেকে বর্ণি, তিনি বলেন, আমাদের আনসারীর এক পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। সে তার নাম মুহাম্মদ রাখার ইচ্ছা করল। মানসূর (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসে শুবা বলেন, সে আনসারী বলল, আমি তকে আমার ঘাড়ে তুলে নিয়ে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে এলাম। আর সুলাইমান (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে শুবা বলেন, সে আনসারী বলল, আমি তাকে আমার ঘাড়ে তুলে নিয়ে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে এলাম। আর সুলাইমান (রহঃ) হাদীসে বর্ণিত রয়েছে যে, তার একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। তখন সে তার নাম মুহাম্মদ রাখার ইচ্ছা করে। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ‘তোমরা আমার নামে নাম রাখ। কিন্তু আমার কুনিয়াতের অনুরূপ কুনিয়াত রেখনা। আমাকেবণ্টনকারী করা হয়েছে। আমি তোমাদের মধ্যেবণ্টন করি। ’ আর হুসাইন (রহঃ) বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘আমিবণ্টনকারীরূপে প্রেরিত হয়েছি। আমি তোমাদের মধ্যেবণ্টন করি। ’ আর আমর (রাঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, সে ব্যাক্তি তার সন্তানের নাম কাসিম রাখতে চেয়েছিল, তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ‘তোমরা আমার নামে নাম রাখ, আমার কুনিয়াতের অনুরূপ কুনিয়াত রেখ না। ’

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৯৪

নভে. 132013
 

হযরত মালিক ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) হযরত আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্নিত, এক সাহাবী বাকী’ নামক স্থানে আবূল কাসিম বলে (কাউকে) ডাক দিল। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার দিকে তাকালেন। তিনি বললেন, আমি আপনাকে উদ্দেশ্য করিনি। তখন তিনি বললেন, তোমরা আমার নামে নাম রাখ কিন্তু আমার কুনিয়াতে কারো কুনিয়াত রেখোনা। ১ ১) অধিকাংশ উলামার মতে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর জীবদ্দশায় এ নিষেধাজ্ঞা ছিল, যাতে সম্বোধনের সময় ভুল ধারনা না হয়।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ক্রয় – বিক্রয় হাদিস নাম্বারঃ ১৯৮৯

নভে. 132013
 

হযরত আদম ইবনু আবূ ইয়াস (রহঃ) হযরত আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্নিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক সময় বাজারে ছিলেন। তখন এক ব্যাক্তি বললেন, হে আবূল কাসিম! রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার দিকে তাকালে তিনি বললেন, আমি তো তাকে ডেকেছি। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমরা আমার নামে নাম রাখ কিন্তু আমার কুনিয়াতে কুনিয়াত রেখোনা।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ক্রয় – বিক্রয় হাদিস নাম্বারঃ ১৯৮৮

নভে. 062013
 

আলী ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) আবূ হ্বামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা আমার নিকট সর্বাধিক নিকৃষ্ট নামধারী অথবা বলেছেন, সব নামের মধ্যে ঘৃণিত নাম হল সে ব্যাক্তি, যে রাজাধিরাজ- নাম ধারণ করেছে। সুফিয়ান বলেন যে, অন্যেরা এর ব্যখ্যা করেছেন, শাহান শাহ।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭৭৩

নভে. 062013
 

আবূল ইমামন (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলার নিকট কিয়ামত দিবসে এ ব্যাক্তির নাম সব চাইতে ঘৃণিত, যে তার নাম ধারণ করেছে রাজাধিরাজ।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭৭২

নভে. 062013
 

খালিদ ইবন মাখলাদ (রহঃ) সাহল ইবন স্বাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন আলী (রাঃ)-এর নিকট তার নামগুলোর মধ্যে আবূ তুরাব- কুনিয়াত ছিলো সবচেয়ে বেশী প্রিয় এবং এ নামে ডাকলে তিনি খুব খুশী হতেন। নাবী (সাঃ) -ই তাকে – আবূ তুলাব- কুনিয়াতে ডেকেছিলেন একদিন তিনি ফাতিমা (রাঃ)-এর সঙ্গে রাগ করে বেরিয়ে এসে মসজিদের দেয়াল ঘেসে ঘুমিয়ে পড়লেন। এসময় নাবী (সাঃ) তাকে তালাশ করছিলেন। এক ব্যাক্তি বললঃ তিনি তো ওখানে দেয়াল ঘেসে শুয়ে আছেন। নাবী (সাঃ) তাঁর কাছে গিয়ে তাকে এমন অবস্থায় পেলেন যে তার পিঠে ধূলাবালি লেগে আছে। তিনি তার পিঠ থেকে ধূলা বাড়তে লাগলেন এবং বলতে শুরু করলেন হে আবূ তুরাব! উঠে বসো।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭৭১

নভে. 062013
 

মুহাম্মদ ইবন আলা (রহঃ) আবূ মুসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত বলেন, আমার একটি ছেলে জন্মগ্রহন করলে আমি তাকে নিয়ে নাবী (সাঃ) -এর কাছে আসলাম। তার নাম রেখে দিলেন ইবরাহীম। তারপর তিনি একতি খেজুর চিবিয়ে তার মুখে দিয়ে তার জন্য বরকতের দু’আ করলেনএবং তাকে আমার কাছে ফিরিয়ে দিলেন। রাবী বলেনঃ সে ছিল আবূ মুসা (রাঃ)- এর বড় সন্তান।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭৬৫

নভে. 062013
 

মুসা ইবন ইসমাঈল (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত: তিনি বললেনঃ নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রাখ। কিন্তু আমার কুনিয়াতে কারো কুনিয়াত রেখো না। আর যে ব্যাক্তি স্বপ্নে আমাকে দেখেছে, সে অবশ্যই আমাকে দেখেছে। শয়তান আমার আাকৃতি ধারন করতে পারে না। আর যে ব্যাক্তি ইচ্ছা করে আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করে, সে যেন জাহান্নামেই তার বাসস্থান করে নেয়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭৬৪

নভে. 062013
 

আদম (রহঃ) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রাখ। কিন্তু আমার কুনিয়াতে কারো কুনিয়াত রেখ না। কারণ আমিই কাসেম। আমি তোমাদের মধ্যে (আল্লাহর দেওয়া নিয়ামত) বণ্টন করি আনাস (রাঃ) নাবী (সাঃ) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭৬৩