অক্টো. 282013
 

যাকারিয়া ইব্‌ন ইয়াহ্‌ইয়া (রহঃ) রাফি’ইব্‌ন খাদীজ ও সাহল ইব্‌ন আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তাঁরা উভয়ে বর্ণনা করেন, রাসূল (সাঃ) মুযাবানা অর্থাৎ গাছে ফল থাকা অবস্থায় তা শুকনা ফলের বিনিময়ে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু যারা আরায়্যা করে, তাদের জন্য তিনি এর অনুমতি দিয়েছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানি সিঞ্চন হাদিস নাম্বারঃ ২২২৬

অক্টো. 282013
 

আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন মহাম্মদ (রহঃ) জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) মুখাবারা, মুহাকালা ও শুকনো খেজুরের বিনিময়ে গাছের খেজুর বিক্রি করা এবং ফল উপযুক্ত হওয়ার আগে তা বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। গাছে থাকা অবস্থায় ফল দিনার বা দিরহামের বিনিময়ে ছাড়া যেন বিক্রি করা না হয়। তবে আরায়্যার অনুমতি দিয়েছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানি সিঞ্চন হাদিস নাম্বারঃ ২২২৪

অক্টো. 282013
 

ইবরাহীম ইব্‌ন মুনযির (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেন উটের হক এই যে, পানির কাছে তার দুধ দোহন করা।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানি সিঞ্চন হাদিস নাম্বারঃ ২২২১

অক্টো. 282013
 

সুলায়মান ইব্‌ন হারব (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) আনসারদেরকে বাহরাইনে কিছু জায়গীর দিতে চাইলেন। তারা বলল, আমাদের মুহাজির ভাইদেরও আমাদের মতো জায়গীর না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের জন্য জায়গীর দিবেন না। তিনি বলেন, আমার পর শীঘ্রই তোমরা দেখবে, তোমাদের উপর অন্যদেরকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। তখন তোমরা সবর করবে, যে পর্যন্ত না তোমরা আমার সঙ্গে মিলিত হও।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানি সিঞ্চন হাদিস নাম্বারঃ ২২২০

অক্টো. 282013
 

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন ইউসুফ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, ঘোড়া একজনের জন্য সাওয়াব, একজনের জন্য ঢাল এবং আরেক জনের জন্য পাপ। সাওয়াব হয় তার জন্য, যে আল্লাহর রাস্তায় তা জিহাদের উদ্দেশ্যে বেঁধে রাখে এবং সে ঘোড়ার রশি চারণভূমি বা বাগানে লম্বা করে দেয়। এমতাবস্থায়, সে ঘোড়া চারণ ভূমি বা বাগানের তার রশির দৈর্ঘ্য পরিমাণ যতটুকু চরবে, সে ব্যাক্তির জন্য সে পরিমাণ সওয়াব হবে। যদি তার রশি ছিড়ে যায় এবং সে একটি কিংবা দুটি টিলা অতিক্রম করে, তাহলে আর প্রতিটি পদচিহ্ন ও তার গোবর মালিকের জন্য জন্য সাওয়াবে গণ্য হবে। আর যদি তা কোন নহরের পাশ দিয়ে যায় এবং মালিকের ইচ্ছা ব্যতিরেকে সে তা থেকে পানি পান করে, তাহলে এ জন্য মালিক সাওয়াব পাবে। আর ঢাল স্বরূপ সে লোকের জন্য যে মুখাপেক্ষী ও ভিক্ষা নির্ভরতা থেকে বাঁচার জন্য তাকে বেঁধে রাখে। তারপর এর পিঠে ও গর্দানে আল্লাহর নির্ধারিত হক আদায় করতে ভুল করে না। গুনাহ্‌র কারণ সে লোকের জন্য, যে তাকে অহংকার ও লোক দেখাবার কিংবা মুসলমানদের প্রতি শক্রুতার উদ্দেশ্যে বেঁধে রাখে। রাসূল (সাঃ) কে গাধা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমার প্রতি কোন আয়াত নাযিল হয়নি। তবে এ ব্যাপারে একটি পরিপূর্ণ ও অনন্য আয়াত রয়েছে। (তা হল আল্লাহ তা’আলার বাণী) কেউ অনুপরিমাণ সৎকর্ম করলে সে তা দেখতে পাবে এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে সে তাও দেখতে পাবে (৯৯:৭-৮)।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানি সিঞ্চন হাদিস নাম্বারঃ ২২১৫

অক্টো. 282013
 

“ইয়াহ্‌ইয়া ইব্‌ন বুকাইর (রহঃ) সা’ব ইব্‌ন জাস্‌সামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ চারণভূমি সংরক্ষিত করা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাঃ) ছাড়া আর কারো অধিকারে নেই। তিনি বলেনঃ আমাদের নিকট রিওয়াত পৌচেছে যে, রাসূল (সাঃ) নাকী’র চারণভূমি (নিজের জন্য) সংরক্ষিত করেছিলেন, আর উমর (রাঃ) সারাফ ও রাবাযার চারণভূমি সংরক্ষণ করেছিলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানি সিঞ্চন হাদিস নাম্বারঃ ২২১৪

অক্টো. 282013
 

আবদুল্লাহ ইব্‌ন মুহাম্মদ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ তিনি শ্রেণীর লোকেরা সাথে আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন কথা বলবেন না এবং তাদের প্রতি তাকাবেনও না। (এক) যে ব্যাক্তি কোন মাল সামানের ব্যাপারে মিথ্যা কসম খেয়ে বলে যে, এর দাম এর চেয়ে বেশী বলে ছিলো কিন্তা তা সত্ত্বেও সে তা বিক্রি করেনি। (দুই) যে ব্যাক্তি আসরের সালাত (নামায)-এর পর একজন মুসলমানের মাল-সম্পত্তি আত্মসাত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা কসম করে। (তিন) যে ব্যাক্তি তার প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি মানুষকে দেয় না। আল্লাহ তা’আলা বলবেন (কিয়ামতের দিন) আজ আমি আমার অনুগ্রহ থেকে তোমাকে বঞ্চিত রাখব। যেরূপ তুমি তোমার প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি থেকে বঞ্চিত রেখে ছিলে অথচ তা তোমার হাতের তৈরী নয়। আলী (রহঃ) আর সালিহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি হাদীসের সনদটি রাসূল (সাঃ) পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানি সিঞ্চন হাদিস নাম্বারঃ ২২১৩

অক্টো. 282013
 

আবদুল্লাহ্ ইব্‌ন মুহাম্মদ (রহঃ) ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, ইসমাঈল (আঃ) এর মা হাজিরা (আঃ) উপর আল্লাহ রহম করুন। কেননা যদি তিনি যমযমকে স্বভাবিক অবস্থায় ছেড়ে দিতেন অথবা তিনি বলেছেন, যদি তা হতে অঞ্জলে পানি না নিতেন, তা হলে তা একটি প্রবাহিত ঝরনার পরিণত হত। জুরহাম গোত্র তাঁর নিকট এসে বলল, আপনি কি আমাদেরকে আপনার নিকট অবস্থান করার অনুমতি দিবেন? তিনি (হাজিরা) বললেনঃ হ্যাঁ। তবে পানির উপর তোমাদের কোন অধিকার থাকবে না। তারা বললঃ ঠিক আছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানি সিঞ্চন হাদিস নাম্বারঃ ২২১২

অক্টো. 282013
 

ইসমাঈল (রাঃ) আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, একজন মহিলাকে একটি বিড়ালের কারণে আযাব দেওয়া হয়। সে বিড়ালটি বেঁধে রেখেছিল, অবশেষে বিড়ালটি ক্ষুধায় মারা যায়। এ কারণে মহিলা জাহান্নামে প্রবেশ করলো। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (রাসূল (সাঃ) বলেন, আল্লাহ ভালো জানেন, বাঁধা থাকাকালীন তুমি তাকে না খেতে দিয়েছিলে, না পান করতে দিয়েছিলে এবং না তুমি তাকে ছেড়ে দিয়ে ছিলে, তা হলে সে যমীনের পোকা-মাকড় খেয়ে বেঁচে থাকত।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানি সিঞ্চন হাদিস নাম্বারঃ ২২০৯

অক্টো. 282013
 

মুহাম্মদ (রহঃ) উরওয়া ইব্‌ন যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একজন আনসারী হাররার নালার পানি নিয়ে যুবাইরের সাথে ঝগড়া করল, যে পানি দিয়ে তিনি খেজুর বাগান সেচ দিতেন। এ বিষয়ে রাসূল (সাঃ) বললেন, হে যুবাইর, সেচ দিতে থাক। তারপর নিয়ম-নীতি অনুযায়ী তিনি তাকে নির্দেশ দিলেন, তারপর তা তোমার প্রতিবেশীর জন্য ছেড়ে দাও। এতে আনসারী বলল, সে আপনার ফুফাত ভাই তাই। একথায় রাসূল (সাঃ) এর চেহারা মুবারক বিবর্ণ হয়ে গেল। তখন তিনি বললেন, সেচ দাও, পানি ক্ষেতের বাঁধ পর্যন্ত পৌঁছে গেলে বন্ধ করে দাও। যুবাইরকে তিনি তার পুরা হক দিলেন। যুবাইর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম, এ আয়াত এ সম্পর্কে নাযিল হয়ঃ তোমার প্রতিপালকের কসম, তারা মুমিন হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তাদের নিজেদের বিবাদ-বিসম্বাদের বিচার-ভার আপনার উপর অর্পণ না করে। বর্ণনাকারী বলেন, ইব্‌ন শিহাবের বর্ণনা হচ্ছে রাসূল (সাঃ) এর এ কথা পানি নেয়ার পর বাঁধ অবধি পৌঁছা পর্যন্ত তা বন্ধ রাখ। আনসার এবং অন্যান্য লোকেরা এর পরিমাণ করে দেখেছেন যে, তা টাখনু পর্যন্ত পৌঁছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানি সিঞ্চন হাদিস নাম্বারঃ ২২০৬