নভে. 092013
 

কুতায়বা (রহঃ) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের পানাহারের পাত্রগুলো ঢেকে রাখবে। আর ঘূমাবার সময় (ঘরের ) দরজাগুলো বন্ধ করবে এবং বাতিগুলো নিভিয়ে ফেলবে। কারণ প্রায়ই দুষ্ট ইদূরেরা জালানো বাতির ফিতাগুলো টেনে নিয়ে যায় এবং ঘরে আগুন লাগিয়ে গৃহবাসীকে জালিয়ে দেয়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অনুমতি চাওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৮৫৮

অক্টো. 242013
 

হাসান ইবন মুদরিক (রহঃ) আসিম আহওয়াল (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন আমি আনাস ইবন মালিক (রাঃ)-এর কাছে নাবী (সাঃ) -এর ব্যবহৃত একটি পেইয়ালা দেখেছি। সেটি ফেটে গিয়েছিল। এরপর তিনি তা রুপা মিশিয়ে জোড়া দেন। বর্ণনাকারী আসিম বলেন- সেটি ছিল উত্তম, চওড়া ও নযর কাঠের তৈরী। আসিম বলেন আনাস (রাঃ) বলেন আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে এ পেয়ালায় কবার পানি পান করিয়েছি। আসিম বলেনঃ ইবন সীরীন (রাঃ) বলেছেনঃ পেয়ালাটিতে বৃত্তাকারে লোহা লাগানো ছিল। তাই আনাস (রাঃ) ইচ্চা করে ছিলেন লোহার বৃত্তের খুলে সোনা বা রুপা একটি বৃত্ত স্থাপন করতে। তখন আবূ তালহা (রাঃ) তাকে বললেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) যেরুপ তৈরী করেছেন তাতে কোন পরিবর্তন করো না। ফলে তিনি সে ইচ্ছা ত্যাগ করেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানীয় দ্রব্যসমূহ হাদিস নাম্বারঃ ৫২৩৬

অক্টো. 242013
 

সাঈদ ইবন আবূ মারইয়াম (রহঃ) সাহল ইবন স্বাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) -এর কাছে আরবের জনৈকা মহিলার কথা আলোচনা করা হলে, তিনি আবূ উসায়দ সাঈদী (রাঃ) কে আদেশ দিলেন, সেই মহিলার নিকট কাউকে পাঠাতে। তখন তিনি তার নিকট একজনকে পাঠালে সে আসবে এবং সায়িদা গোত্রের দুর্গে অবতরন করলো। এরপর নাবী (সাঃ) বেরিয়ে এসে তার কাছে গেলেন। নাবী (সাঃ) দুর্গে তার কাছে প্রবেশ করে দেখলেন, একজন মহিলা মাথা ঝুঁকিয়ে বসে আছে। নাবী (সাঃ) যখন তার সংগে কথোপকথন করলেন, তখন সে বলে উঠল, আমি আপনার থেকে আল্লাহর নিকট পানাহ চাই। তখন তিনি বলেনঃ আমি তোমাকে পানাহ দিলাম। তখন লোকজন তাকে বললো তুমি কি জানো ইনি কে? সে উত্তর করল না। তারা বললঃ ইনি তো আল্লাহর রাসুল। তোমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে এসেছিলেন। সে বলল, এ মর্যাদা থেকে আমি চির বঞ্চিতা! এরপর সেই দিনই নাবী (সাঃ) অগ্রসর হলেন এবং তিনি ও তাঁর সাহাবীগগ অবশেষে বনী সায়িদাহ চত্বরে এসে বসে পড়লেন। এরপর বললেনঃ হে সাহল (রাঃ) আমাদের পানি পান করাও। সাহল (রাঃ) বলেন, তখন আমি তাদের জন্য এই পেইয়ালাটিই বের করে আনি এবং তা দিমে তাদের পান করাটা বর্ননাকারী বলেন, সাহল (রাঃ) তখন আমাদের কাছে সেই পেইয়ালা বের করে আন। আমরা তাতে করে পানি পান করি। তিনি বলেছেন পরবর্তীকালে উমর ইবন আবদন আযীয (রাঃ) তার কাছ থেকে সেটি দান হিসাবে পেতে চাইলে তিনি তাকে তা হেবা করে দেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানীয় দ্রব্যসমূহ হাদিস নাম্বারঃ ৫২৩৫

অক্টো. 242013
 

আমর ইবন আব্বাস (রহঃ) উম্মুল ফাযল (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, লোকজন আরাফার দিনে নাবী (সাঃ) -এর সিয়াম পালনের ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করলো। তখন আমি তাঁর নিকট একটি পেয়ালায় করে কিছু দুধ পাঠালাম তিনি তা পান করলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানীয় দ্রব্যসমূহ হাদিস নাম্বারঃ ৫২৩৪

অক্টো. 242013
 

ইসমাঈল (রহঃ) নাবী (সাঃ) -এর সহধর্মিনা উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিত যে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি রুপার পাত্রে পান করে সে তো তার উদরে জাহান্নামের আগুন প্রবেশ করায়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানীয় দ্রব্যসমূহ হাদিস নাম্বারঃ ৫২৩২

অক্টো. 242013
 

মুহাম্মাদ ইবন মুসান্না (রহঃ) ইবন আবূ লায়লা (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, আমরা হুযায়ফা (রাঃ)-এর সংগে বাইরে বেরুলাম। এ সময় তিনি নাবী (সাঃ) -এর কথা আলোচনা করেন যে নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ তোমরা সোনা ও রুপার পাত্রে পান করবে না। আর মোটা বা পাতলা রেশমের কাপড় পরিধান করবে না। কেননা- এগুলো দূনিয়াতে তাদের (অমুসলিম সম্প্রদায়ের ) জন্য ভোগ্যবস্তু। আর তোমাদের (মুসলিম সম্প্রদায়ের) জন্য হল আখিরাতের ভোগ্য সামগ্রী।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানীয় দ্রব্যসমূহ হাদিস নাম্বারঃ ৫২৩১

অক্টো. 242013
 

হাফস ইবন উমর (রহঃ) ইবন আবূ লায়লা (রহঃ) থেকে বর্ণিৎ। তিনি বলেন হুযায়ফা (রাঃ) মাদায়েন অঞ্চলে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তিনি পানি পান করতে চাইলেন। তখন জনৈক গ্রামবাসী একটি রুপার পেয়ালায় পানি এনে তাঁকে দিল। তিনি পানি সহ পেয়ালাটি ছুড়ে মারলেন। এরপর তিনি বললেনঃ আমি এটি ছুড়ে ফেলতাম না কিন্তু আমি তাকে নিষেধ করা সত্তেও সে তা থেকে বিরত হয়নি। অথচ নাবী (সাঃ) আমাদের নিষেধ করেছেন মোটা ও পাতলা রেশমের কাপড় পরিধান করতে, সোনা ও রুপার পান-পাত্র ব্যবহার করতে। তিনি আরো বলেছেনঃ উল্লেখিত জিনিসগুলো হল দুনিয়াতে কাকির সম্প্রদায়ের জন্য আর আখিরাতে তোমাদের জন্য।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানীয় দ্রব্যসমূহ হাদিস নাম্বারঃ ৫২৩০

অক্টো. 242013
 

মুসাজাদ (রাঃ) আবূ হুরায়বা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে নাবী (সাঃ) মাশকের মুখ থেকে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানীয় দ্রব্যসমূহ হাদিস নাম্বারঃ ৫২২৬

অক্টো. 242013
 

আলী ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) আইউব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইকরামা (রাঃ) আমাদের বললেনঃ- আমি তোমাদের সংক্ষিপ্ত এমন কতগুলো কথা জানাবো কি যেগুলো আমাদের কাছে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন? (কথাগুলো হল) রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বড় কিংবা ছোট মশকের মুখে পানি পান করতে এবং প্রতিবেশীকে এর দেয়ালের উপর খুটি গাড়তে বাধা দিতে নিষেধ করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানীয় দ্রব্যসমূহ হাদিস নাম্বারঃ ৫২২৫

অক্টো. 242013
 

মুহাম্মদ ইবন মুকাতিল (রহঃ) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে ‘ইখতিনাছিল আসকিয়া’ থেকে নিষেধ করতে শুনেছি আব্দুল্লাহ (রহঃ) বলেন, মামার কিংবা অন্য একজন বলেছেন, -ইখতিনাছ- হল মাশকের মুখ থেকে পানি পান করা।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানীয় দ্রব্যসমূহ হাদিস নাম্বারঃ ৫২২৪