নভে. 182013
 

মুহাম্মদ ইবনু কাসীর (রহঃ) আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে কুরআন এবং এ কাগজে যা লিখা আছে তা ছাড়া কোন কিছু লিপিবদ্ধ করিনি। (উক্ত লিপিতে রয়েছে) নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আয়ীর পর্বত থেকে এ পর্যন্ত মদিনার হরম এলাকা। যে কেউ দ্বীনের ব্যাপারে বীদআত উদ্ভাবন করে কিংবা কোন বিদআতীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ তা‘‘আলা ফিরিশতা ও সকল মানুষের লা‘নত। তা কোন ফরয কিংবা নফল ইবাদত কবূল হবে না। আর সকল মুসলমানের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা একই পর্যায়ের। সাধারণ মুসলিম নিরাপত্তা দিলে সকলকে তা রক্ষা করতে হবে। যে ব্যাক্তি কোন মুসলমানের দেওয়া নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে তার উপর আল্লাহ তা‘আলা লা‘নত এবং ফিরিশতাগণ ও সকল মানুষের। তার কোন নফল কিংবা ফরয ইবাদত কবূল হবে না। আর যে স্বীয় মনীবের অনুমতি ব্যতীত অন্যদের সাথে বন্ধুত্বে চুক্তি করে, তার উপর আল্লাহ তা‘‘আলার লা‘নত এবং ফিরিশ্তাগণ ও সকল মানুষের। তার কোন নফল কিংবা ফরয ইবাদত কবূল হবে না। আবূ মূসা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, অমুসলিমদের কাছে থেকে (জিযিয়া স্বরীপ) একটি দীনার বা দিরহামও তোমরা পাবে না, তখন তোমাদের কি অবস্থা হবে? তাকে বলা হল, হে আবূ হুরায়রা (রাঃ) আপনি কিভাবে মনে করেন যে, এমন অবস্থা দেখা দিবে, তিনি বললেন, হ্যাঁ, কসম সে মহান সত্তার যাঁর হাতে আবূ হুরায়রার প্রাণ, যিনি সত্যবাদী ও সত্যবাদী বলে স্বীকৃত (অর্থাৎ মুহাম্মদ) এর উক্তি থেকে আমি বলছি। লোকেরা বলল, কি করণে এমন হবে? তিনি বলেন, আল্লাহ তা‘‘আলা ও তাঁর রাসূল) -এর প্রদত্ত নিরাপত্তা ক্ষুন্ন করা হবে। ফলে আল্লাহ তা‘আলা যিম্মিদের অমত্মরকে কঠোর করে দিবেন; তারা তাদের হাতে সম্পদ দিবে না।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৯৫৫

অক্টো. 312013
 

কুতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ) ইবরাহীম তামীমীয় পিতা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আলী (রাঃ) বলেছেনঃ কিতাবুল্লাহ ব্যতীত আমাদের আর কোন কিতাব তো নেই যা আমরা পাঠ করতে পারি। তবে এ লিপিখানা আছে। রাবী বলেনঃ এরপর তিনি তা বের করলেন। দেখা গেল যে, তাতে যখম ও উটের বয়স সংক্রান্ত কথা লিপিবদ্ধ আছে। বারী বলেনঃ তাতে আরও লিপিবদ্ধ ছিল যে, আইর থেকে নিয়ে অমূক স্থানের মধ্যবর্তী মদিনার হারাম। এখানে যে (ধর্মীয় ব্যাপারে) বিদআত করবে বা বিদআতকারীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহর ফেরেশতা এবং সকল মানুষের লানত। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা-আলা তার কোন ফরয আমল এবং কোন নফল কবুল করবেন না। যে ব্যাক্তি মনিরের অনুমতি ছাড়া কোন গোলামকে আশ্রয় প্রদান করে তার উপর আল্লাহ, ফেরেশতা এবং সমস্ত মামুষের লানত। তার কোন ফরয বা নফল কিয়ামতের দিন কবুল করা হরে না। সমস্ত মুসলমানের জিম্মাই এক, একজন সাধারণ মুসলমান এর চেষ্টা করবে। যে ব্যাক্তি কোন মুসলমানের আশ্রয় প্রদানকে বাচনাল করে তার উপর আল্লাহর, ফেরেশতার এবং সকল মানুষের লানত। কিয়ামতের দিন তার কোন ফরয ও নফল কবুল করা হবে না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ উত্তরাধিকার হাদিস নাম্বারঃ ৬২৯৯