নভে. 172013
 

ইসহাক (রহঃ) জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যখন কিসরা ধংস হয়ে যাবে তখন আর কোন কিসরা হবে না। আর যখন কায়সার ধংস হয়ে যাবে তারপরে আর কোন কায়সার হবে না, যার হাতে আমার প্রান তার কসম, অবশ্যয় ব্যয় হবে উভয় সম্রাজ্যের ধনভাণ্ডার আল্লাহর পথে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৯০১

নভে. 172013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যখন কিসরা ধবংশ হয়ে যাবে, তারপর কোন কিসরা হবে না। আর যখন কায়সার ধবংশ হয়ে যাবে, তারপর আর কোন কায়সার হবে না। যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম, অবশ্যই ব্যয় হবে উভয় সাম্রাজ্যের ধনভান্ডার আল্লাহর পথে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৯০০

নভে. 172013
 

আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) খাওলাহ আনসারীয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি যে, কিছু লোক আল্লাহ প্রদত্ত সম্পদ অন্যায়ভাবে ব্যয় করে, কিয়ামতের দিন তাদের জন্য জাহান্নাম অবধারিত। ’

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৯৮

নভে. 162013
 

মুহাম্মদ ইবনু সিনান(রহঃ) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিম্বারে দাঁড়ালেন এবং বললেন, আমি আমার পর তোমাদের জন্য ভয় করি এ ব্যাপারে যে, তোমাদের জন্য দুনিয়ার কল্যাণের(মঙ্গলের) দরজা খুলে দেয়া হবে। তারপর তিনি দুনিয়ার নিয়ামতের উল্লেখ করেন। এতে তিনি প্রথমে একটির কথা বলেন, পড়ে দ্বিতীয়টির বর্ণনা করেন। এক ব্যাক্তি দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! কল্যাণও কি অকল্যাণ বয়ে আনবে? ’ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নীরব রইলেন, আমরা বললাম, তাঁর উপর ওহী নাযিল হচ্ছে। সমস্ত লোকও এমনভাবে নীরবতা অবলম্বন করল, যেন তাদের মাথার উপর পাখি বসে আছে। তারপর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুখের ঘাম মুছে বললেন, এখনকার সেই প্রশ্নকারী কোথায়? তাঁকে কল্যাণকর? তিনি তিনবার এ কথাটি বললেন। কল্যাণ কল্যাণই বয়ে আনে। আর এতে কোন সন্দেহ নেই যে, বসন্তকালীন উদ্ভিদ(পশুকে) ধংস অথবা ধ্বংসোন্মুখ করে ফেলে। কিন্তু যে পশু সেই ঘার এই পরিমাণ খায় জাতে তাঁর ক্ষুধা মিটে, তারপর রদ পোহায় এবং মলমুত্র ত্যাগ করে, এরপর আবার ঘাস খায়। নিশ্চয়ই এ মাল সবুজ শ্যামল সুশাদু। সেই মুসলিমের সম্পদই উত্তম যে ন্যায়ত তা উপারজন করেছে এবং আল্লাহর পথে, ইয়াতিম ও মিসকীন ও মূসা ফিরের জন্য খরচ করেছে। আর যে ব্যাক্তি অন্যায় ভাবে অরজন করে তাঁর দৃষ্টান্ত এমন ভক্ষণকারীর ন্যায় যার ক্ষুধা মিটে না এবং তা কিয়ামতের দিন তাঁর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৬৪৫

নভে. 162013
 

সা’দ ইবনু হাফ্স(রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যাক্তি আল্লাহর রাস্তায় দুটি করে কোন জিনিস ব্যয় করবে, জান্নাতের প্রত্যেক দরজার প্রহরী তাঁকে আহ্বান করবে। (তারা বলবে), হে অমুক। এদিকে আস। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, ‘ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! তাহলে তো তাঁর জন্য কোন ক্ষতি নেই। ’ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘আমি আশা করি যে, তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ’

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৬৪৪

নভে. 152013
 

মুহাম্মদ ইবনু মূসান্না (রহঃ)… ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ)…থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, কেবল মাত্র দু’ধরনের ব্যাক্তির ঈর্ষা রাখা যেতে পারে, একজন এমন ব্যাক্তি যাকে আল্লাহ সম্পদ দিয়েছেন এবং ন্যায়পথে তা ব্যয় করার মত ক্ষমতাবান বানিয়েছেন। অপরজন এমন ব্যাক্তি যাকে আল্লাহ দ্বীনের জ্ঞান দান করেছেন সে অনুযায়ী ফয়সালা দেন ও অন্যান্যকে তা শিক্ষা দেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যাকাত হাদিস নাম্বারঃ ১৩২৬

নভে. 132013
 

হযরত ইয়াহইয়া বিন জাফর (রহঃ) হযরত আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, যখন কোন মহিলা তার স্বামীর উপার্জন থেকে তার অনুমতি ছাড়াই ব্যায় করবে, তখন তার জন্য অর্ধেক সাওয়াব রয়েছে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ক্রয় – বিক্রয় হাদিস নাম্বারঃ ১৯৩৬

নভে. 132013
 

হযরত উসমান ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দিকা (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যখন কোন মহিলা তার ঘরের খাদ্য থেকে ফাসাদর উদ্দেশ্য ছাড়া ব্যায় করে তখন তার জন্য সাওয়াব রয়েছে তার খরচ করার, তার স্বামীর জন্য সাওয়াব রয়েছে তার উপার্জনের এবং সংরক্ষনকারীর জন্যও অনুরুপ রয়েছে। তাদের কারো কারনে কারোর সাওয়াব কিছুই কম হবেনা।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ক্রয় – বিক্রয় হাদিস নাম্বারঃ ১৯৩৫

নভে. 122013
 

কুতায়বা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ দু টি বিষয় ছাড়া ঈর্ষা করা যায় না। -এক ব্যাক্তি হচ্ছে, আল্লাহ যাকে কুরআন দান করেছেন, আর সে দিবারাত্র তা তিলাওয়াত করে। অপর ব্যাক্তি বলে, এ লোকটিকে যা দেওয়া হয়েছে আমাকে যদি অনুরুপ দেওয়া হতো, তা হলে আমিও অনুরুপ করতাম, সে যেরুপ করছে। আরেক ব্যাক্তি হচ্ছে সে, যাকে আল্লাহ ধন-সম্পদ দিয়েছেন। ফলে সে তা যখাযথভাবে ব্যয় করছে। তখন অপর ব্যাক্তি বলে- একে যা দেওয়া হয়েছে, আমাকেও যদি অনুরুপ দেওয়া হতো, আমিও তাই করতাম, সে যা করেছে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৭০২০

নভে. 122013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেন। আমরা পৃথিবীতে সর্বশেষ আগমনকারী, তবে কিয়ামতের দিন আমরাই থাকব অগ্রগামী। হাদীসটির এ সনদে আরো আছে যে, আল্লাহ বলেনঃ তুমি খরচ কর, তা হলে আমিও তোমার ওপর খরচ করব।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৯৮৭