অক্টো. 272013
 

ইয়াহইয়া ইবন সুলায়মান (রহঃ) আবূ বুরদা আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নাবী (সাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহর হদসমূহের কোন হদ ব্যতীত অন্যত্র দশ কশাঘাতের বেশি প্রয়োগ করা যাবে না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কাফের ও ধর্মত্যাগী হাদিস নাম্বারঃ ৬৩৮৬

অক্টো. 272013
 

আমর ইবন আলী (রহঃ) আব্দুর রহমান ইবন জাবির (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি এমন একজন থেকে বর্ণনা করেন যিনি নাবী (সাঃ) -কে বলতে শুনেছেন যে, আল্লাহর নির্ধারিত হদসমূহের কোন হদ ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে দশ প্রহারের বেশি কোন শাস্তি নেই।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কাফের ও ধর্মত্যাগী হাদিস নাম্বারঃ ৬৩৮৫

অক্টো. 272013
 

আব্দুল্লাহ ইবন ইউসুফ (রহঃ) আবূ বুরদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাঃ) বলতেনঃ আল্লাহর নির্ধারিত হদ সমুহের কোন হদ ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে দশ কশাঘাতের উর্দ্বে দন্ড প্রয়োগ করা যাবে না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কাফের ও ধর্মত্যাগী হাদিস নাম্বারঃ ৬৩৮৪

অক্টো. 272013
 

আবদুল কুদ্দুস ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ) আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নাবী (সাঃ) -এর কাছে ছিলাম। তখন এক ব্যাক্তি তার কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! ঘটনা আমি শাস্তিযোগ্য অপরাধ করে ফেলেছি। তাই আমার উপর শাস্তি প্রয়োগ করুন। কিন্তু তিনি তাকে অপরাধ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন না। আনাস (রাঃ) বলেন। তখন সালাত (নামায)-এর সময় এসে গেল। সে ব্যাক্তি নাবী (সাঃ) -এর সাথে সালাত (নামায) আদায় করল। যখন নাবী (সাঃ) সালাত (নামায) আদায় করলেন, তখন সে ব্যাক্তিতার কাছে গিয়ে দাড়াল এবং বললঃ হে আল্লাহর রাসুল! আমি শাস্তিযোগ্য অপরাধ করে ফেলেছি। তাই আমার উপর আল্লাহর বিধান প্রয়োগ করান। তিনি বললেনঃ তুমি কি আমার সঙ্গে সালাত (নামায) আদায় করনি? সে বলল, হ্যা। তিনি বললেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ তোমার গুনাহ মাফ করে দিয়েছেন। অথবা বললেনঃ তোমার শাস্তি (মাফ করে দিয়েছেন)।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কাফের ও ধর্মত্যাগী হাদিস নাম্বারঃ ৬৩৬৫

অক্টো. 212013
 

আব্দুল্লাহ ইবন যুহাম্মাদ জুফী (রহঃ) উবাদা ইবন সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আমি একটি দলের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর কাছে বায়আত করেছি। তিনি বলেনঃ আমি তোমাদের এ মর্মে বায়-আত করছি যে, তোমরা আল্লাহ তাআলার সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, তোমাদের সন্তান হত্যা করবে না, সামনে বা পিছনে কোন অপবাদ করবে না, বিধিসম্মত কাজে আমার অবাধ্যতা করবে না, তোমাদের মধ্যে যে আপন অঙ্গীকারসমূহ বাস্তবায়িত করবে তার বিনিময় আল্লাহ তা’আলার নিকট। আর যে এগুলো থেকে কিছু করে ফেলবে আর সে জন্য দুনিয়াতে যদি তার শাস্তি হয়ে যায়, তাহলে এটি হবে তার জন্য গুনাহর কাফফারা এবং গুনাহর পবিত্রতা। আর যার (দোষ) আল্লাহ তাআলা গোপন রেখেছেন তার মুকাবিলা আল্লাহ তাআলার সাথে। (আল্লাহ) ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি দিতে পারেন। আবার ইচ্ছা করলে তাকে ক্ষমাও করে দিতে পারেন। আবূ আব্দুল্লাহ হিসাম বুখারী (রহঃ) বলেনঃ চোর যদি হাত কেটে দেয়ার পর তাওবা করে তরে তার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে। অনুরুপভাবে শরীয়তের শাস্তি প্রাপ্ত প্রত্যেকটি লোকের ক্ষেত্রেই এ বিধান-প্রযোজ্য যখন সে তওবা করবে, তখন তার সাক্ষী গ্রহণযোগ্য হবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শরীয়তের শাস্তি হাদিস নাম্বারঃ ৬৩৪৫

অক্টো. 212013
 

ইসমাঈল ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাঃ) এক মহিলার হাত কর্তন করেছেন। আয়িশা (রাঃ) বলেন যে, সে মহিলাটি এর পরও আসত। আর আমি তার প্রয়োজনকে নাবী (সাঃ) এর কাছে উপস্থাপন করতাম। মহিলাটি তওবা করেছিল এবং তার তওবা সুন্দর হয়েছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শরীয়তের শাস্তি হাদিস নাম্বারঃ ৬৩৪৪

অক্টো. 212013
 

মুসা ইবন ইসমাঈল (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) – বলেছেনঃ যে, আল্লাহ তা’আলার লানত বর্ষিত হয় চোরের উপর যে একটি ডিম চুরি করেছে তাতে তার হাত কাটা গিয়েছে বা একটি রশি ছুরি করেছে আর তাতে তার হাত কাটা গিয়েছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শরীয়তের শাস্তি হাদিস নাম্বারঃ ৬৩৪৩

অক্টো. 212013
 

ইবরাহীম ইবন মুনযির (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাঃ) তিন দিরহাম সমমানের ঢাল চুরি করার অপরাধে চোরের হাত কর্তন করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শরীয়তের শাস্তি হাদিস নাম্বারঃ ৬৩৪২

অক্টো. 212013
 

মুসা ইবন ইসমাঈল (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাঃ) ঢাল চুরির ক্ষেত্রে হাত-কর্তন করেছেন, যার মূল্য ছিল তিন দিরহাম।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শরীয়তের শাস্তি হাদিস নাম্বারঃ ৬৩৪০

অক্টো. 212013
 

ইসমাঈল (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ঢাল চুরির ক্ষেত্রে হাত কর্তন করেছেন, যার মূল্য ছিল তিন দিরহাম।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শরীয়তের শাস্তি হাদিস নাম্বারঃ ৬৩৩৯