নভে. 172013
 

মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রহঃ) আনাস (ইবনু মালিক) (রাঃ) থেকে বর্ণিত, যখন আবূ বকর (রাঃ) খলীফা হন, তখন তিনি তাঁকে বাহরাইনে প্রেরণ করেন এবং তাঁর এ বিষয়ৈ একটি নিয়োগ পত্র লিখে দেন। আর তাতে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর মুহর দ্বারা মুহরাংকিত করে দেন। উক্ত মুহরে তিনটি লাইন খোদিত ছিল। এক লাইনে মুহাম্মদ, এক লাইনে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও এক লাইনে আল্লাহ।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৮৭

নভে. 162013
 

আলী ইবনু জা‘দ (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রোমের (সম্রাটের) প্রতি লেখার ইচ্ছা করেন। তখন তাকে বলা হল যে, তারা মোহরকৃত পত্র ছাড়া পাঠ করে না। তারপর তিনি রূপার একটি মোহর নির্মাণ করেন। আমি এখনো যেন তাঁর হাতে এর শুভ্রতা দেখছি। তিনি তাতে খোদাই করেছিলেন, “মুহাম্মাদুর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ”।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭৩৭

নভে. 152013
 

মূসা দ্দাত (রহঃ)… আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে দিন আল্লাহর (আরশের) ছায়া ব্যতীত কোন ছায়া থাকবেনা সে দিন আল্লাহ তা‘আলা সাত প্রকার মানুষকে সে ছায়ায় আশ্রয় দিবেন। ১। ন্যায়পরায়ণ শ্বাসক। ২। যে যুবক আল্লাহর ইবাদতে নিমগ্ন থেকে যৌবনে উপনীত হয়েছে। ৩। যার অন্তরের সম্পর্ক সর্বদা মসজিদের সাথে থাকে। ৪। আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে যে দু‘ব্যাক্তি পরস্পর মহব্বত রাখে, উভয়ে একত্রিত হয় সেই মহব্বতের উপর আর পৃথক হয় সেই মহব্বতের উপর। ৫। এমন ব্যাক্তি যাকে সম্ভ্রান্ত সুন্দরী নারী (অবৈধ মিলনের জন্য) আহবান জানিয়েছে। তখন সে বলে, আমি আল্লাহকে ভয় করি। ৬। যে ব্যাক্তি গোপনে এমনভাবে সা’দকা করে যে, তার ডান হাত যা দান করে বাম হাত তা জনতে পারেনা। ৭। যে ব্যাক্তি নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তাতে আল্লাহর ভয়ে তার চোখ থেকে অশ্রু বের হয়ে পড়ে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যাকাত হাদিস নাম্বারঃ ১৩৪০

নভে. 102013
 

আসবাগ (রহঃ) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা কবেন। তিনি বলেনঃ আল্লাহ যাকেই নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হিসাবে প্রেরণ করেন এবং যাকেই খলীফা হিসাবে নিযুক্ত করেন, তার জন্য দু-জন করে (একান্ত) গুপ্তচর থাকে। একজন গুপ্তচর তাকে ভাল কাজের নির্দেশ দেয় এবং তাকে তৎপ্রতি অনুপ্রাণিত করে। আর একজন শুপ্তচর তাকে মন্দ কাজের পরামর্শ দেয় এবং তৎপ্রতি উৎসাহিত করে। সুতরাং মাসুম ঐ ব্যাক্তিই যাকে আল্লাহ তাআলা রক্ষা করেন। সূলায়মান ইবন শিহাব থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেন এবং ইবন আবূ আতীক ও মূসা র সুত্রে ইবন শিহাব থেকে অনুরুপ একটি হাদীস বর্ণনা করেন। তাছাড়া শুআয়ব (রহঃ)-ও আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেন। আওযায়ী ও মুআবিয়া ইবন সাল্লাম (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেন। ইবন আবূ হুসাইন ও সাঈদ ইবন যিয়াদ (রাঃ)-ও আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। উবায়দুল্লাহ ইবন আবূ জাফবু (রহঃ) আবূ অহিউব (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন যে, আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে শুনেছি।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৭০৬

নভে. 102013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) আবূ সুফিয়ান ইবন হারব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা করেন যে, কুরাইশদের কাফেলা নিয়ে অবস্হানকালে সম্রাট হিরাক্লিয়াস তাকে ডেকে পাঠালেন। এরপর সম্রাট তার দোভাষীকে বললেনঃ তাদেরকে বল যে, আমি এ লোকটিকে কিছু প্রশ্ন করতে চাই। যদি সে আমার সাথে মিথ্যা বলে তাহলে তারা যেন তাকে মিথ্যাবাদী বলে। তারপর দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করেন। পরে হিরাক্লিয়াস তার দোভাষীকে বললেনঃ একে বলে দাও যে, সে যা বলেছে তা যদি সত্য হয়, তাহলে তিনি (মুহাম্মদ শীঘ্রই আমার পদতলের ভূমিরও মালিক হবেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৭০৪

নভে. 102013
 

আবূ নুআয়ম (রহঃ) মুহাম্মদ ইবন যায়িদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন উমর তার পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কতিপয় লোক ইবন উমর (রাঃ)-কে বলল, আমাদের শ্বাসকের নিকট গিয়ে তার এমন কিছু গুনগান করি, যা তার দরবার থেকে বাইরে আসার পর কবি তার চেযে ভিন্নতর। এ কথা শুনে তিনি বললেনঃ আমরা এটাকেই নিফাক মনে করতাম।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৬৮৯

নভে. 102013
 

মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন রোম সম্রাটের কাছে চিঠি লিখতে চাইলেন, তখন লোকেরা বলল, যে মহরকৃত চিঠি না হলে তারা তা পাঠ করে না। তাই নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি রুপার আংটি তৈরি করলেন। আনাস (রহঃ) বলেনঃ আমি এখনও যেন এর ঔজ্জল্য প্রত্যক্ষ করছি। তাতে এ-‘মুহাম্মাদ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ’ অংকিত ছিল।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৬৭৬

নভে. 102013
 

মুহাম্মাদ ইবন খালিদ যুহলী (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, কায়স ইবন সা’দ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সামনে এরুপ থাকতেন যেরুপ আমীরের (রাষ্ট্র প্রধানের) সামনে পুলিশ প্রধান থাকেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৬৭০

নভে. 102013
 

সুলায়মান ইবন হারব (রহঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কেউ তার আমীর (ক্ষমতাসীন) থেকে এমন কিছু দেখে, যা সে অপছন্দ করে, তাহলে সে যেন ধৈর্য ধারণ করে। কেননা, যে কেউ জামাআত থেকে এক বিঘত পরিমাণ দুরে সরে মরবে, তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াতের মৃত্যু।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৬৫৮

নভে. 102013
 

আহমাদ ইবন ইউনুস (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ (খিলাফতের) এই বিষয়টি সর্বদাই কুরাইশদের মধ্যেই থাকবে, যতদিন তাদের থেকে দু-জন লোকও অবশিষ্ট থাকবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৬৫৫