নভে. 072013
 

মূসাদ্দাদ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ আমার ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থান জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগান আর আমার মিম্বর অবস্থিত (রয়েছে) আমার হাউয (কাউসার)-এর উপর।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাহাজ্জুদ বা রাতের সালাত হাদিস নাম্বারঃ ১১২২

অক্টো. 282013
 

মুহাম্মদ ইব্‌ন বাশ্‌শার (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, আমি নিশ্চয়ই (কিয়ামতের দিন) আমার হাউজ(কাউসার) থেকে কিছু লোকদের এমনভাবে তাড়াব, যেমন অপরিচিত উট হাউজ হতে তাড়ান হয়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানি সিঞ্চন হাদিস নাম্বারঃ ২২১১

অক্টো. 282013
 

সাঈদ ইবন আবূ মারিয়াম (রহঃ) আসমা বিনত আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আমি হাউযের ধারে থাকব। তোমাদের মাঝ থেকে যারা আমার কাছে আসবে আমি তাদেরকে দেখতে পাব। কিছু লোককে আমার সামনে থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হবে। তখন আমি বলব, হে প্রভু! এরা আমার লোক, এরা আমার উম্মত। তখন বলা হবে, তুমি কি জানো তোমার পরে এরা কি সব করেছে? আল্লাহর কসম! এরা দ্বীন থেকে সর্বদাই পশ্চাদমুখী হয়েছিল। তখন ইবন আবূ মুলায়কা বললেনঃ হে আল্লাহ, দ্বীন থেকে প্রদর্শন করা থেকে অথরা দ্বীনের ব্যাপারে ফিতনায় পতিত হওয়া থেকে আমরা তোমার কাছে আশ্রয় চাই। আবূ আব্দুল্লাহ বুখারী (রহঃ) বলেনঃ অর্থাৎ তোমরা পিছনের দিকে ফিরে যাবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হাউয হাদিস নাম্বারঃ ৬১৪১

অক্টো. 282013
 

আলী ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) হারিসা ইবন ওহাব (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, আনি নাবী (সাঃ) -কে হাউযে কাউসারের আলোচলা করতে শুনেছি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেনঃ হাউযে কাউসার মদিনা এবং সানআ নামক স্থানের মধ্যকার দুরত্বের মতো। ইবন আবূ আদী (রহঃ) হারিসা (রাঃ) (কিঞ্চিত) অধিক বর্ননা করেন যে, তিনি নাবী (সাঃ) থেকে হাউযে কাউসারের দূরত্ব মদিনা ও সানআর দূরত্ব তূল্য- কথাটুকু শুনেছেন। তখন মুসতাওরিদ তাকে বললেনঃ যে, আল আওয়ানী (রহঃ) বলেছেনঃ তা কি তুমি শুননি? তিনি বললেন, না। মুসতাওরিদ বললেনঃ এর পাত্রগুলো তারকারাজির ন্যায় পরিলক্ষিত হবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হাউয হাদিস নাম্বারঃ ৬১৪০

অক্টো. 282013
 

আমর ইবন খালিদ (রহঃ) উকবা ইবন আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাঃ) একদিন বের হলেন এবং ওহুদ যুদ্ধে শহীদদের প্রতি সালাত (নামায) জানাযার অনুরুপ সালাত (নামায) আদায় করলেন। এরপর তিনি মিম্বরে ফিরে এসে বললেনঃ নিশ্চয়ই আমি তোমাদের জন্য হাউযের ধারে আগে পৌছব। নিশ্চয়ই আমি তোমাদের (কার্যাবলীর) সাক্ষী হব। আল্লাহর কসম! আমি এ মুহূর্তে আমার হাউয দেখতে পাচ্ছি। নিশ্চয়ই আমাকে বিশ্ব ভাণ্ডারের কুঞ্জি প্রদান করা হয়েছে। অথবা (বলেছেনঃ) বিশ্বের কুঞ্জি। আল্লাহর কসম! আমার ইন্তেকালের পর তোমরা শিরক করবে এ ভয় আমি করি না। তবে তোমাদের সম্পর্কে আমার ভয় হয় যে, দুনিয়া অর্জনে তোমরা পরস্পরে প্রতিযোগিতা করবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হাউয হাদিস নাম্বারঃ ৬১৩৯

অক্টো. 282013
 

আবদান (রহঃ) জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নাবী (সাঃ) -কে বলতে শুনেছিঃ আমি তোমাদের আগে হাউযের ধারে পৌছব।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হাউয হাদিস নাম্বারঃ ৬১৩৮

অক্টো. 282013
 

ইবরাহীম ইবনুল মুনযির (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ আমার ঘর ও আমার মিম্বরের মধ্যবর্তী স্হান জান্নাতের বাগান সমূহ হতে একটি বাগান। আর আমার মিম্বর আমার হাউজের ওপরে অবস্থিত।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হাউয হাদিস নাম্বারঃ ৬১৩৭

অক্টো. 282013
 

আহমদ ইবন সালিহ (রহঃ) সাঈদ ইবনুল মুসা ইয়্যাব (রহঃ) নাবী (সাঃ) এর সাহাবীদের থেকে বর্ননা করেন যে, নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের থেকে কতিপয় লোক আমার সামনে হাউযে কাউসারে উপস্থিত হবে। তারপর তাদেরকে সেখান থেকে পৃথক করে নেয়া হবে। তখন আমি বলব, হে রব! এরা আমার উম্মাত। তিনি বলবেন, তোমার পরে এরা (ধর্মে নতুন সংযোজনের মাধ্যমে) কি কীর্তিকলাপ করেছে সে সম্পর্কে নিশ্চয়ই তোমার জানানেই। নিঃসন্দেহে এরা দ্বীন থেকে পিছনের দিকে ফিরে গিয়েছিল।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হাউয হাদিস নাম্বারঃ ৬১৩৫

অক্টো. 282013
 

সাঈদ ইবন আবূ মারিয়াম (রহঃ) সাহল ইবন সাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ আমি তোমাদের আগে হাউযের ধারে পৌছব। যে আমার নিকট দিয়ে অতিক্রম করবে সে হাউযের পানি পান করবো। আর যে পান করবে সে আর কখনও পিপাসার্ত হবে না। নিঃসন্দেহে কিছু সম্প্রদায় আমার সামনে (হাউযে) উপস্থিত হবে। আমি তাদেরকে চিনতে পারব আর তারাও আমাকে চিনতে পারবে। এরপর আমার এবং তাদের মাঝে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে দেওয়া হবে। বারী আবূ হাযিম বলেনঃ নূমান ইবন আবূ আইয়্যাশ আমার কাছ থেকে হাদীস শ্রবণ করার পর বললেনঃ তুমিও কি সাহল থেকে এরুপ শুনেছ? তখন আমি বললাম, হ্যা। তিনি বললেনঃ আমি আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি তার কাছ থেকে এতটুকু অধিক শুনেছি। নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ আমি তখন বলব যে এরা তো আমারই উম্মত। তখন বলা হবে, তুমি তো জানো না তোমার পরে এরা কি সব নতুন নতুন কীর্তি করেছে। রাসুল বলেন তখন আমি বলব, আমার পরে যারা দ্বীনের মাঝে পরিবর্তন এনেছে তারা আল্লাহর রহমত থেকে দুরে থাকুক। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ অর্থাৎ অর্থ তাকে বের করে দিয়েছে। আহমাদ ইবন শাবীব ইবন সাঈদ হাবাতী (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ আমার উম্মাত থেকে একদল লোক কিয়াঁমতের দিন আমার সামনে (হাউযে কাউসারে) উপস্থিত হবে। এরপর তাদেরকে হাউয থেকে পৃথক করে দেওয়া হবে। তখন আমি বলব, হে প্রভু! এরা আমার উম্মাত। তখন আল্লাহ তাআলা বলবেন, তোমার পরে এরা ধর্মে নতুন সংযোজনের মাধ্যমে কি সব কীর্তি করেছে এ ব্যাপারে নিশ্চয়ই তোমার জানানেই। নিশ্চয়ই এরা দ্বীন থেকে পিছনের দিকে ফিরে গিয়েছিল। শুআইব (রহঃ) সুত্রে বর্ণনা করেছেন যে আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে রাসুল থেকে বর্ণিত। উকায়ল (রহঃ) বলেছেনঃ। যুবায়দী আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে অনুরুপ বর্ননা করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হাউয হাদিস নাম্বারঃ ৬১৩৪

অক্টো. 282013
 

মুসলিম ইবন ইবরাহীম (রহঃ) আনাস (রাঃ) সুত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আমার সামনে আমার উম্মতের কতিপয় লোক হাউযের কাছে আসবে। তাদেরকে আমি চিনে নিব। আমার সামনে থেকে তাদেরকে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে। তখন আমি বলব, এরা আমার উম্মত। তখন আল্লাহ বলবেন, তুমি জানো না তোমার পরে এরা কি সব নতূন নতূন কীর্তি করেছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হাউয হাদিস নাম্বারঃ ৬১৩৩