নভে. 062013
 

মুসা ইবন ইসমাঈল (রহঃ) আব্বাস ইবন আদল মুত্তালিব (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসূল (সাঃ) ! আপনি কি আবূ তালিবের কোন উপকার করতে পেরেছেন? তিনি তো সর্বদা আপনার হিফাযত করতেন এবং আপনার জন্য অন্যের উপর রাগ করতেন। তিনি বললেন হা। তিনি তো বর্তমানে জাহান্নামের হালকা স্তরে আছেন। যদি আমি না হতাম তাহলে তিনি জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে থাকতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭৭৫

নভে. 062013
 

খালিদ ইবন মাখলাদ (রহঃ) সাহল ইবন স্বাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন আলী (রাঃ)-এর নিকট তার নামগুলোর মধ্যে আবূ তুরাব- কুনিয়াত ছিলো সবচেয়ে বেশী প্রিয় এবং এ নামে ডাকলে তিনি খুব খুশী হতেন। নাবী (সাঃ) -ই তাকে – আবূ তুলাব- কুনিয়াতে ডেকেছিলেন একদিন তিনি ফাতিমা (রাঃ)-এর সঙ্গে রাগ করে বেরিয়ে এসে মসজিদের দেয়াল ঘেসে ঘুমিয়ে পড়লেন। এসময় নাবী (সাঃ) তাকে তালাশ করছিলেন। এক ব্যাক্তি বললঃ তিনি তো ওখানে দেয়াল ঘেসে শুয়ে আছেন। নাবী (সাঃ) তাঁর কাছে গিয়ে তাকে এমন অবস্থায় পেলেন যে তার পিঠে ধূলাবালি লেগে আছে। তিনি তার পিঠ থেকে ধূলা বাড়তে লাগলেন এবং বলতে শুরু করলেন হে আবূ তুরাব! উঠে বসো।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭৭১

নভে. 052013
 

ইয়াহইয়া ইবন ইউসুফ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে- এক ব্যাক্তি নাবী (সাঃ) এর নিকট বললোঃ আপনি আমাকে অসিয়ত করুন। তিনি বললেনঃ তুমি রাগ করো না। লোকটা কয়েকবার তা বললেন নাবী (সাঃ) প্রত্যেক বারই বললেনঃ রাগ করো না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৬৮৬

নভে. 052013
 

উসমান ইবন আবূ শায়বা (রহঃ) সুলায়মান ইবন সুরদ (রাঃ) থেকে বর্নিত। একবার নাবী (সাঃ) এর সামনে দু-ব্যাক্তি পাগলামী করছিল। আমরাও তার কাছেই বসাছিলাম, তাদের একজন অপর জনকে এত রাগান্বিত হয়ে গালী দিচ্ছিল যে তার চেহারা লাল হয়ে গিয়েছিল। তখন নাবী (সাঃ) বললেনঃ আমি একটি কালেমা জানি, যদি এ লোকটি তা পড়তো, তা হলে তার ক্রোধ চলে যেত। অর্থাৎ যদি লোকটি “আউযূ বিল্লাহি মিনাষশাইতানির রাজীম” পড়তো। তখন লোকেরা সে ব্যাক্তিকে বলল নাবী (সাঃ) কি বলেছেন, তা কি তুমি শুনছো না? সে বললো:-আমি নিশ্চয়ই পাগল নই।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৬৮৫

নভে. 052013
 

আব্দুল্লাহ ইবন ইউসুফ (রহঃ) আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন প্রকৃত বীর সে নয়, সে কাউকে কুস্তিতে হারিয়ে দেয়। বরং সেই প্রকৃত বাহাদুর, সে ক্রোধের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রন করতে সক্ষম।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৬৮৪

নভে. 032013
 

আবদান (রহঃ) সুলাইমান ইবন সুরাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নাবী (সাঃ) -এর সঙ্গে বসা ছিলাম। তখন দু’জন লোক পরস্পর গাল মন্দ করছিল। তাদের এক জনের চেহারা লাল হয়ে গিয়েছিল এবং তার রগগুলো ফুলে গিয়েছিল। তখন নাবী (সাঃ) বললেন, আমি এমন একটি দু‘আ জানি, যদি লোকটি পড়ে তবে সে যে রাগ অনুভব করছে তা দুর হয়ে যাবে। (তিনি বললেন) সে যদি পড়ে ‘‘আউযূবিল্লাহি মিনাশ শায়তান’’-আমি শয়তান হতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। তবে তার রাগ চলে যাবে। তখন তাকে বলল, নাবী (সাঃ) বলেছেন, তুমি যেন আল্লাহর কাছে শয়তান হতে আশ্রয় চাও। সে বলল, আমি কি পাগল হয়েছি?

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সৃষ্টির সূচনা হাদিস নাম্বারঃ ৩০৫২

অক্টো. 032013
 

মুহাম্মদ ইব্‌ন সালাম (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) সাহাবীদের যখন কোন আমলের নির্দেশ দিতেন তখন তাঁরা যতটুকু সমর্থ্য রাখতেন ততটুকুরই নির্দেশ দিতেন। একবার তাঁরা বললেন, ‘ইয়া রাসূল (সাঃ)! আমরা তো আপনার মত নই। আল্লাহ্ তা’আলা আপনার পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সকল ত্রুটি মাফ করে দিয়েছেন। ’ একথা শুনে তিনি রাগ করলেন, এমনকি তাঁর চেহারা মুবারকে রাগের চিহ্ন প্রকাশ পাচ্ছিল। এরপর তিনি বললেনঃ তোমাদের চাইতে আল্লাহকে আমিই বেশি ভয় করি ও বেশি জানি।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ঈমান হাদিস নাম্বারঃ ১৯

অক্টো. 022013
 

আবু হুরাইরা (রা:) থেকে বর্ণিত, নবী (সা:) বলেছেন,

“যে ব্যক্তি মারামারিতে অন্যকে ধরাশায়ী করে সে শক্তিশালী নয়, বরং শক্তিশালী হচ্ছে সেই ব্যক্তি যে রাগের সময় নিজেকে সংযত রাখে।”

(বুখারী ও মুসলিম)

রিয়াদুস সলিহীন – ৪৫

অক্টো. 022013
 

আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত।

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললো, ‘আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বলেন, রাগ করো না। সে ব্যক্তি বারবার একই কথা বলতে লাগলো, আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও বারবার বলেনঃ রাগ করো না।” [বুখারী]

রিয়াদুস সলিহীন : ৪৮