নভে. 032013
 

আবদুল্লাহ ইবন ইউসুফ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাঃ) বলেছেন, ‘কুফুরীর মূল পূবদিকে, গর্ব এবং অহংকার ঘোড়া এবং উটের মালিকদের মধ্যে এবং গ্রাম্য কৃষকদের মাঝে , আর শাস্তি ছাগপালের মালিকদের মাঝে। ’

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সৃষ্টির সূচনা হাদিস নাম্বারঃ ৩০৬৯
এই হাদিসটিতে সমস্যা থাকতে পারে।

অক্টো. 282013
 

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন ইউসুফ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, ঘোড়া একজনের জন্য সাওয়াব, একজনের জন্য ঢাল এবং আরেক জনের জন্য পাপ। সাওয়াব হয় তার জন্য, যে আল্লাহর রাস্তায় তা জিহাদের উদ্দেশ্যে বেঁধে রাখে এবং সে ঘোড়ার রশি চারণভূমি বা বাগানে লম্বা করে দেয়। এমতাবস্থায়, সে ঘোড়া চারণ ভূমি বা বাগানের তার রশির দৈর্ঘ্য পরিমাণ যতটুকু চরবে, সে ব্যাক্তির জন্য সে পরিমাণ সওয়াব হবে। যদি তার রশি ছিড়ে যায় এবং সে একটি কিংবা দুটি টিলা অতিক্রম করে, তাহলে আর প্রতিটি পদচিহ্ন ও তার গোবর মালিকের জন্য জন্য সাওয়াবে গণ্য হবে। আর যদি তা কোন নহরের পাশ দিয়ে যায় এবং মালিকের ইচ্ছা ব্যতিরেকে সে তা থেকে পানি পান করে, তাহলে এ জন্য মালিক সাওয়াব পাবে। আর ঢাল স্বরূপ সে লোকের জন্য যে মুখাপেক্ষী ও ভিক্ষা নির্ভরতা থেকে বাঁচার জন্য তাকে বেঁধে রাখে। তারপর এর পিঠে ও গর্দানে আল্লাহর নির্ধারিত হক আদায় করতে ভুল করে না। গুনাহ্‌র কারণ সে লোকের জন্য, যে তাকে অহংকার ও লোক দেখাবার কিংবা মুসলমানদের প্রতি শক্রুতার উদ্দেশ্যে বেঁধে রাখে। রাসূল (সাঃ) কে গাধা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমার প্রতি কোন আয়াত নাযিল হয়নি। তবে এ ব্যাপারে একটি পরিপূর্ণ ও অনন্য আয়াত রয়েছে। (তা হল আল্লাহ তা’আলার বাণী) কেউ অনুপরিমাণ সৎকর্ম করলে সে তা দেখতে পাবে এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে সে তাও দেখতে পাবে (৯৯:৭-৮)।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানি সিঞ্চন হাদিস নাম্বারঃ ২২১৫

অক্টো. 252013
 

মুহাম্মদ ইবন মুসান্না (রহঃ) হারিসা ইবন ওয়াহাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আমি নাবী (সাঃ) -কে বলতে শুনেছি। আমি কি তোমাদেরকে জান্নাতী লোকদের সম্পর্কে অবহিত করব না? তারা হবে দুনিয়াতে দূর্বল, মাজলুম। তারা যদি কোন কথায় আল্লাহর ওপর কসম করে ফেলে তবে আল্লাহ তা-আলা তা পূর্ণ করে দেন। আর যারা জাহান্নামে যাবে তারা হবে অবাধ্য, ঝগড়াটে ও অহংকারী।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শপথ ও মানত হাদিস নাম্বারঃ ৬২০২

অক্টো. 062013
 

মাতার ইবন ফাযল (রহঃ) শুবা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি মাহারিব ইবন দিসারের সাথে অশ্ব পৃষ্ঠে থাকা অবস্থায় সাক্ষাত করলাম। তখন তিনি বিচারালয়ের দিকে যাচ্ছিলেন, আমি তাকে এ হাদীসটি সাম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি আমাকে বললেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি অহংকার বশে কাপড় ঝূলিয়ে পরবে, তার দিকে আল্লাহ কিয়ামতের দিনে তাকাবেন না। আমি বললাম: আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) কি ইযাবের উল্লেখ করেছেন? তিনি বললেনঃ তিনি ইযার বা কামিস কোনটিই নির্দিষ্ট করে বলেন নি। জাবালা ইবন সুহায়ম, যায়েদ ইবন আসলাম ও যায়েদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন উমরের সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে অনুরুপ বর্ননা করেছেন আর লায়স, মুসা ইবন -উকরাও “উমর ইবন মুহাম্মদ নাফি (রহঃ)-এর সুত্রে বর্ননা করেছেন এবং কুদামা ইবন মুসা সালিম (রহঃ) এর সুত্রে ইবন উমর (রাঃ) থেকে এবং তিনি নাবী (সাঃ) থেকে ‘জাররা সাওবা’ বর্ননা করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পোষাক-পরিচ্ছদ হাদিস নাম্বারঃ ৫৩৭৬

অক্টো. 062013
 

আব্দুল্লাহ ইবন ইউসুফ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ কিয়ামতের দিন সে ব্যাক্তির দিকে (রহমতের) দৃষ্টি দিবেন না, যে ব্যাক্তি অহংকার বশে ইযার ঝূলিয়ে পরে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পোষাক-পরিচ্ছদ হাদিস নাম্বারঃ ৫৩৭২

অক্টো. 062013
 

আহমাদ ইবন ইউনুস (রহঃ) সালিম তাঁর পিতা (রাঃ) থেকে বর্ননা করেন যে নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি অহংকারের সাথে নিজের পোশাক ঝূলিয়ে চলবে, আল্লাহ তার প্রতি (রহমতের) দৃষ্টি দিবেন না কিয়ামতের দিন। তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ)! আমার লুঙ্গির এবং পাশ ঝুলে থাকে যদি আমি তাতে গিরা না দেই। নাবী (সাঃ) বললেন তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত নও যারা অহংকার করে এরুপ করে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পোষাক-পরিচ্ছদ হাদিস নাম্বারঃ ৫৩৬৮

অক্টো. 062013
 

ইসমাঈল (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ সে ব্যাক্তির দিকে (রহমতের দৃষ্টিতে) তাকাবেন না, যে অহংকাঁরের সাথে তার (পরিধেয়) পোশাক টেনে চলে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পোষাক-পরিচ্ছদ হাদিস নাম্বারঃ ৫৩৬৭

অক্টো. 022013
 

হারিসা ইবনে ওহব (রা:) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সা:) কে বলতে শুনেছি:

”আমি কি তোমাদের দোজখীদের বিষয়ে জানাব না? তারা হলো: প্রত্যেক অহংকারী, সীমালংঘনকারী, অবিনয়ী ও উদ্ধত লোক”

(বুখারী, মুসলিম)
রিয়াদুস সলিহীন: ৬১৪

অক্টো. 022013
 

হযরত সালামা ইবনুল আকওয়া (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘মানুষ এমনভাবে আত্মগর্বে লিপ্ত হয়ে পড়ে যে, অবশেষে তার নাম উদ্ধত-অহংকারীদের মধ্যে লিপিবদ্ধ হয়ে যায়, ফলে তার উপর সেই আযাবই নেমে আসে যা তাদের উপর নেমে থাকে’।

তিরমিযী হাদীস নং – ২০০০