নভে. 122013
 

ইসমাঈল (রহঃ) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আবূ সাসাআ (রহঃ)-কে বললেন, আমি তোমাকে লক্ষ্য করছি, তুমি বকরী পাল ও ময়দানকে ভালবাস। সুতরাং তুমি যখন বকরীর পাল কিংবা ময়দানে থাকবে- তখন সালাত (নামায)-এর জন্য উচ্চস্বরে আযান দেবে। কারণ মুয়াজ্জিনের আযানের স্বর যতদূর পৌছাব, ততদুরের জিন, ইনসান, অন্যান্য জিনিস যারাই শুনবে, কিয়ামতের দিন তারা তার সপক্ষে সাক্ষী দেবে। আবূ সাঈদ (রাঃ) বলেনঃ আমি এটি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে শুনেছি।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৭০৩৯

নভে. 072013
 

ইয়াহ্‌ইয়া ইব্‌ন বুকাইর (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ সালাত (নামায)-এর আযান হলে শয়তান পিঠ ফিরিয়ে পালায় যাতে সে আযান না শুনতে পায়। তখন তার পশ্চাদ-বায়ূ নিঃসরণ হতে থাকে। মুআয্‌যিন আযান শেষে নিরব হলে সে আবার এগিয়ে আসে। আবার ইকামত বলা হলে পালিয়ে যায়। মুআয্‌যিন (ইকামত) শেষ করলে এগিয়ে আসে। তখন সে মুসল্লীকে বলতে থাকে, (ওটা) স্মরণ কর, যে বিষয় তার স্মরণে ছিল না শেষ পর্যন্ত সে কত রাকা’আত সালাত (নামায) আদায় করল তা মনে করতে পারে না। আবূ সালামা ইব্‌ন আবদূর রহমান (রহঃ) বলেছেন, তোমাদের কেউ এরূপ অবস্থায় পড়লে (শেষ বৈঠকে) বসা অবস্থায় যেন দু’টি সিজ্‌দা করে। একথা আবূ সালামা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে শুনেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাহাজ্জুদ বা রাতের সালাত হাদিস নাম্বারঃ ১১৪৯

নভে. 052013
 

মুসা জাদ (রহঃ) আবূ সুলায়মান মালিক ইবন হুওয়ায়রিস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা কয়েফজন নাবী (সাঃ) -এর দরবারে এলাম। তখন আমরা ছিলাম প্রায় সমবয়সী যুবক। বিশ দিন তার কাছে অমরা অবস্থান করলাম। তিনি বুঝতে পারলেন, আমরা আমাদের পরিবারবর্গের কাছে ফিরে যেতে উদগ্রীব হয়ে পড়েছি। যাদের আমরা বাড়িতে রেখে এসেছি। তাদের সম্পর্কে তিনি আমাদের কাছে জিজ্ঞাসা করলেন। আমরা তা তাকে অবহিত করলাম। তিনি ছিলেন কোমল হৃদয় ও দয়ালু তাই তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের পবিবারবর্গের কাছে ফিরে যাও। তাদের (কুরআন) শিক্ষ্যা দাও, (সৎ কাজের) আদেশ কর এবং যে ভাবে আমাকে সালাত (নামায) আদায় করতে দেখেছ ঠিক সেভাবে সালাত (নামায) আদায় কর। যখন সালাত (নামায)-এর সময় হবে তখন তোমাদের একজন আযান দেবে এবং যে তোমাদের মধ্যে বড় সে ইমামতি করবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৫৮৩

নভে. 032013
 

কুতাইবা (রহঃ) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রাহমান (রহঃ)-কে বলেছেন, ‘আমি তোমাকে দেখেছি তুমি ছাগপেল ও মরুভূমি পছন্দ করছ। অতএব তুমি যখন তোমার ছাগপেল নিয়ে মরুভূমিতে অবস্থান করবে, সালাত (নামায)-এর সময় হলে আযান দিবে, তখন তুমি উচ্চস্বরে আযান দিবে। কেননা, মুয়াজ্জিনের কণ্ঠস্বর জ্বিন, মানুষ ও যে কোন বস্ত্ত শুনে, তারা কিয়ামতের দিন তার পক্ষে সাক্ষ্য দিবে। ’ আবূ সাঈদ (রাঃ) বলেন, আমি এ হাদীসটি রাসূল (সাঃ) থেকে শুনেছি।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সৃষ্টির সূচনা হাদিস নাম্বারঃ ৩০৬৬

অক্টো. 292013
 

ইসমাঈল (রঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, আযান ও প্রথম কাতারের মর্যাদা মানুষ যদি জানত আর (প্রতিযোগিতার কারণে) কুর’আ নিক্ষেপ ছাড়া সে সুযোগ তারা না পেত, তাহলে কুর’আ নিক্ষেপ করত, তেমনি আগেভাগে জামা’আতে শরীক হওয়ার মর্যাদা যদি তারা জানত তাহলে তারা সেদিকে ছুটে যেত। অনুরূপভাবে ঈশা ও ফজরের জামা’আতে শরীক হওয়ার মর্যাদা যদি তারা জানত তা হলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা তাতে হাযির হত।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শাহাদাত হাদিস নাম্বারঃ ২৫১০

অক্টো. 292013
 

মালিক ইবন ইসমাঈন (রঃ) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) বলেছেন, বিলাল (রাঃ) রাত থাকতেই আযান দিয়ে থাকে। সুতরাং ইবন উম্মু মাকতুম (রাঃ) আযান দেওয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার করতে পার। অথবা তিনি বলেন, ইবন উম্মু মাকতুমের আযান শোনা পর্যন্ত। ইবন উম্মে মাকতুম (রাঃ) অন্ধ ছিলেন, ফলে ভোর হয়ে যাচ্ছে, লোকেরা একথা তাকে না বলা পর্যন্ত তিনি আযান দিতেন না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শাহাদাত হাদিস নাম্বারঃ ২৪৮০

অক্টো. 272013
 

মুহাম্মদ ইবন আরআরা (রহঃ) আসওয়াদ ইবন ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আয়িশা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম, নাবী (সাঃ) গৃহে কি কাজ করতেন? তিনি বললেনঃ তিনি ঘরের কাজ-কর্মে ব্যস্ত থাকতেন, আর যখন আযান শুনতেন, তখন বেরিয়ে যেতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ভরণ পোষণ হাদিস নাম্বারঃ ৪৯৭২

অক্টো. 232013
 

ইবন মুকাতিল (রহঃ)—– মু’আবিয়া ইবন আবূ সুফিয়ান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি মিম্বরে বসা অবস্থায় মুয়াযযিন আযান দিলেন। মুয়াযযিন বললেন, “আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর” মু’আবিয়া (রাঃ) বললেন, “আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর। ” মুয়াযযিন বললেন, “আশহাদু আল লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু” তিনি বললেন এবং আমিও (বলছি “আশহাদু আল লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু”)। মুয়াযযিন বললেন, “আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূল (সাঃ) ” তিনি বললেন, এবং আমিও (বলছি—)। যখন (মুয়াযযিন) আযান শেষ করলেন, তখন মু’আবিয়া (রাঃ) বললেন, হে লোক সকল! তোমরা আমার থেকে যে বাক্যগুলো শুনেছ, তা রাসূল (সাঃ) -কে মুয়াযযিনের আযানের সময় এ মজলিসে বাক্যগুলো বলতে আমি শুনেছি।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জুমু’আ হাদিস নাম্বারঃ ৮৬৮

অক্টো. 232013
 

আবূ না’আইম (রহঃ)—- সায়িদ ইবন ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, মদিনার অধিবাসীদের সংখ্যা যখন বৃদ্ধি পেল, তখন জুমু’আর দিন তৃতীয় আযান যিনি বৃদ্ধি করলেন, তিনি হলেন, উসমান ইবন আফফান (রাঃ)। নাবী (সাঃ) -এর সময় (জুমু’আর জন্য) একজন ব্যতীত মুয়াযযযিন ছিল না এবং জুমু’আর দিন আযান দেওয়া হত যখন ইমাম বসতেন অর্থাৎ মিম্বরের উপর খুতবার পূর্বে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জুমু’আ হাদিস নাম্বারঃ ৮৬৭

অক্টো. 132013
 

আদম ইবন আবূ ইয়াস (রহঃ) আবূ যার্র (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক সফরে আমরা রাসূল (সাঃ) – এর সঙ্গে ছিলাম। এক সময় মুয়াজ্জিন যুহরের আযান দিতে চেয়েছিল। তখন নবী (সাঃ) বললেনঃ গরম কমতে দাও। কিছুক্ষন পর আবার মুয়াজ্জিন আযান দিতে চাইলে নবী (সাঃ) (পুনরায়) বললেনঃ গরম কমতে দাও। এভাবে তিনি (সালাত (নামায) আদায়ে) এত বিলম্ব করলেন যে, আমার টিলাগুলোর ছায়া দেখতে পেলাম। তারপর নবী (সাঃ) বললেনঃ গরমের প্রচন্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ থেকে। কাজেই গরম প্রচন্ড হলে উত্তাপ কমার পর সালাত (নামায) আদায় করো। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, হাদীসে … শব্দটি …… ঝুঁকে পড়া, গড়িয়ে পড়ার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সালাতের ওয়াক্তসমূহ হাদিস নাম্বারঃ ৫১২