নভে. 132013
 

হযরত মুহাম্মাদ (রহঃ) উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দিকা (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাহাবীগন নিজেদের কাজ-কর্ম নিজেরা করতেন। ফলে তাদের শরীর থেকে ঘামের গন্ধ বের হতো। সেজন্য তাদের বলা হল, যদি তোমরা গোসল করে নাও (তবে ভালো হয়)। হাম্মাম (রহঃ) হযরত আয়িশা ছিদ্দিকা (রাঃ) থেকে হাদীসটি বর্ননা করেছেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ক্রয় – বিক্রয় হাদিস নাম্বারঃ ১৯৪১

নভে. 112013
 

ইয়াহ্‌ইয়া ইব্‌ন মূসা (রহঃ) উম্মে আতিয়্যাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কন্যা [যায়নাব (রাঃ)]-কে গোসল দিতে যাচ্ছিলাম, গোসল দেওয়ার সময় তিনি আমাদের বলেনঃ তোমরা তাঁর ডান দিক থেকে এবং উযূর স্থানসমূহ থেকে শুরু করবে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জানাযা হাদিস নাম্বারঃ ১১৮৩

নভে. 102013
 

মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমার এবং রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর গোসল করার জন্য এই পাত্রটি রাখা হত। আমরা সকলে এর থেকে গোসল করতাম।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কুরআন ও সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে ধারন হাদিস নাম্বারঃ ৬৮৩৯

অক্টো. 292013
 

আলী ইবন আবদুল্লাহ (রঃ) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাঃ) বলেছেন, প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্কের উপর জুমু’আ দিবসের গোসল কর্তব্য।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শাহাদাত হাদিস নাম্বারঃ ২৪৮৯

অক্টো. 232013
 

আদম ইবন ইয়াস (রহঃ)—– আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নাবী (সাঃ) -কে মিম্বরের উপর থেকে খুতবা দিতে শুনেছি। তিনি বলেছেন, যে ব্যাক্তি জুমু’আর সালাত (নামায) আসে সে যেন গোসল করে নেয়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জুমু’আ হাদিস নাম্বারঃ ৮৭৩

অক্টো. 232013
 

আবদান ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ)—-সালমান ফারসী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি জুমু’আর দিন গোসল করে এবং যথাসম্ভব উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জন করে, এরপর তেল মেখে নেয় অথবা সুগন্ধি ব্যবহার করে, তারপর (মসজিদে) যায়, আর দু’জনের মধ্যে ফাঁক করে না এবং তার ভাগ্যে নির্ধারিত পরিমান সালাত (নামায) আদায় করে। আর ইমাম যখন (খুতবার জন্য) বের হন তখন চুপ থাকে। তার এ জুমু’আ এবং পরবর্তী জুমু’আর মধ্যবর্তী যাবতীয় গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জুমু’আ হাদিস নাম্বারঃ ৮৬৪

অক্টো. 232013
 

আবদান (রহঃ) — ইয়াহইয়া ইবন সায়ীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি আমরাহ (রহঃ)-কে জুমু’আর দিনে গোসল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। আমরাহ (রহঃ) বলেন, আয়িশা (রাঃ) বলেছেন যে, লোকজন নিজেদের কাজকর্ম নিজেরাই করতেন। যখন তারা দুপুরের পরে জুমু’আর জন্য যেতেন তখন সে অবস্থায়ই চলে যেতেন। তাই তাদের বলা হল, যদি তোমরা গোসল করে নিতে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জুমু’আ হাদিস নাম্বারঃ ৮৫৭

অক্টো. 232013
 

মুসলিম ইবন ইবরাহীম (রহঃ)—- আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ আমরা দুনিয়ায় (আগমনের দিক দিয়ে) সর্বশেষে। কিন্তু কিয়ামতের দিন মর্যাদার দিক দিয়ে সবার আগে। তবে তাদের কিতাব প্রদান করা হয়েছে আমাদের আগে এবং আমাদের তা দেয়া হয়েছে তাদের পরে। তারপর এই দিন (শুক্রবার নির্ধারণ) সম্বন্ধে তাদের মধ্যে মতানৈক্য হয়েছে। আল্লাহ আমাদের এ শুক্রবার সম্পর্কে হিদায়াত দান করেছেন। পরের দিন (শনিবার) ইয়াহুদীদের এবং তারপরের দিন (রোববার) নাসারাদের। এরপর কিছুক্ষন নীরব থেকে রাসূল (সাঃ) বললেনঃ প্রত্যেক মুসলিমের উপর হক রয়েছে যে, প্রতি সাত দিনের এক দিন সে গোসল করবে, তার মাথা ও শরীর ধৌত করবে। আবান ইবন সালিহ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ প্রত্যেক মুসলিমের উপর আল্লাহর হক রয়েছে যে , প্রতি সাত দিনের এক দিন সে যেন গোসল করে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জুমু’আ হাদিস নাম্বারঃ৮৫২

অক্টো. 232013
 

মু‘আয ইবন ফাযালা (রহঃ) ও আবূ নু’য়ম (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ কেউ স্ত্রীর চার শাখার মাঝে বসে তার সাথে সঙ্গত হলে, গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়। ‘আমর (রহঃ) শু’বার সূত্রে এই হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর মূসা (রহঃ) হাসান [বসরী (রহঃ)] সূত্রেও অনুরূপ বলেছেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (রহঃ) বলেনঃ এটা উত্তম ও অধিকতর মজবুত। মতভেদের করনে আমরা অন্য হাদীসটিও বর্ণনা করেছি, গোসল করাই অধিকতর সাবধানতা।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ গোসল হাদিস নাম্বারঃ ২৮৭

অক্টো. 232013
 

আবদুল্লাহ্ ইবন ইউসুফ (রহঃ) আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) রাসূল (সাঃ) কে বললেন, রাত্রে কোন সময় তাঁর জানবাতের গোসল ফরয হয় (তখন কি করতে হবে?) রাসূল (সাঃ) তাঁকে বললেন, উযূ করবে, লজ্জাস্থান ধুয়ে নিবে, তারপর ঘুমাবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ গোসল হাদিস নাম্বারঃ ২৮৬