নভে. 082013
 

মুহামাদ ইবন কাসীর (রহঃ) হুযায়ফা (রাঃ) বর্ননা করেন। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের কাছে দুটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। একটি তো আমি প্রত্যক্ষ করেছি এবং দ্বিতীয়টির জন্য অপেক্ষা করছি। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আমানত মানুষের অন্তর্মুলে অগ্রোগামী হয়। তারপর তারা কুরআন থেকে জ্ঞান অর্জন করে। এরপর তারা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে জ্ঞান অর্জন করে। আবার বর্ণনা করেছেন আমানত তুলে নেয়া সম্পর্কে, যে ব্যাক্তিটি (ঈমানদার) এক পর্যায়ে ঘূমালে তার অন্তর থেকে আমানত তুলে নেয়া হবে, তখন একটি বিন্দুর মত চিহ্ন অবশিষ্ট থাকবে। পুনরায় ঘূমাবে। তখন আবার উঠিয়ে নেয়া হবে। অতপর তার চিহ্ন ফোস্কার মত অবশিষ্ট থাকবে। তোমার পাযের উপর গড়িয়ে পড়া অনার সূক্ষ চিহ্ন, যেটিকে তুমি ফেলা মনে করবে, অথচ তার মধ্যে আদো কিছু নেই। মানুষ কারবার করবে বটে, কেউ আমানত আদায় করবে না। তারপর লোকেরা বলাবলি করবে যে, অমূক বংশে লোকজন আমানতদার লোক রয়েছে। সে ব্যাক্তি সম্পর্কে মন্তব্য করা হবে যে, সে কতই না বুদ্ধিমান, কতই না বিঁচক্ষণ, কতই না বাহাদুর? অথচ তার অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণ ঈমানও থাকবে না। (বর্ণনাকারী বলেন) আমার উপর এমন এক যমানা অতিবাহিত হয়েছে যে, আমি তোমাদের কারো সাথে বেচাকেনা করলাম, সেদিকে আক্ষেপ করতাম না। কারণ সে মুসলমান হাল ইসলামই আমার হক ফিরিয়ে দেবে। আর সে নাসরানী হলে তার শাসকই আমার হক ফিরিয়ে দেবে। অথচ বর্তমানে আমি অমুক অমুককে ছাড়া বেচাকেনা করি না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৬০৫৩

নভে. 082013
 

মুহাম্মদ ইবন সিনান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যখন আমানত বিনষ্ট হয়ে যাবে তখন কিয়ামতের অপেক্ষা করবে। সে বললঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমানত কেমন করে নষ্ট হযে যাবে, তিনি বললেনঃ যখন অযোগ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হবে, তখনই তুমি কিয়ামতের অপেক্ষা করবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৬০৫২

নভে. 082013
 

মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ইমরান ইবন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে আমার যমানার লোকেরাই সর্বোত্তম। তারপর এর পরবর্তী যমানার লোকেরা। তারপর এদের পরবর্তী যমানার লোকেরা। ইমরান (রাঃ) বর্ণনা করেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ কথাটি দুবার কি তিনবার বললেনঃ তা আমার স্বরণ নেই- তারপর এমন লোকদের আবির্ভাব হবে যে, তারা সাক্ষ্য দিবে, অথচ তাদের সাক্ষ্য চাওয়া হবে না। তারা খিয়ানতকারী হবে। তাদের আমানতদার মনে করা হবে না। তারা মানত মানবে তা পূরণ করবে না। তাদের দৈহিক হিস্টপুস্টতা প্রকাশিত হবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৯৮৫

নভে. 052013
 

ইবন সালাম (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ মুনাফিকের চিহ্ন তিনটি: যখন সে কথা বলে, তখন মিথ্যা বলে, আর যখন সে ওয়াদা করে, তখন তা ভঙ্গ করে আর যখন তার কাছে আমানত রাখা হয় তখন সে তাতে খিয়ানত করে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৬৬৫

অক্টো. 292013
 

ইবরাহীম ইবন হামযা (রঃ) আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ সুফিয়ান (রাঃ) আমাকে খবর দিয়েছেন যে, (রোম সম্রাট) হেরাক্লিয়াস তাকে বলেছিলেন, তোমাকে আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তিনি (নাবী (সাঃ) সাঃ) তোমাদের কি কি আদেশ করেন? তুমি বললে যে, তিনি তোমাদেরকে সালাত (নামায)-এর, সত্যবাদিতার, পবিত্রতার, ওয়াদা পূরণের ও আমানত আদায়ের আদেশ দেন। হিরাক্লিয়াস বললেন, এটাই (অবশ্যই) নাবী (সাঃ) গণের সিফাত (গুণাবলী)

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শাহাদাত হাদিস নাম্বারঃ ২৫০২

অক্টো. 292013
 

ইসহাক (রঃ) আবদুল্লাহ ইবন আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক লোক তার মালপত্র বাজারে এনে এবং হলফ করে বলল যে, এগুলো (খরিদ বাবদ) সে এত দিয়েছে, অথচ সে তত দেয়নি। তখন আয়াত নাযিল হলঃ যারা নগণ্য মূল্যের বিনিময়ে আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা এবং নিজের শপথ বিক্রি করে । ইবন আবূ আওফা (রাঃ) বলেন, (দাম চড়ানোর মতলবে) যে ধোকা দেয়, সে মূলতঃ সুদখোর ও খিয়ানতকারী।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শাহাদাত হাদিস নাম্বারঃ ২৪৯৭

অক্টো. 292013
 

আদম (রঃ) ইমরান ইবন হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) বলেছেন, আমার যুগের লোকেরাই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম। তারপর তাদের নিকটবর্তী যুগের লোকেরা, এরপর নিকটবর্তী যুগের লোকেরা। ইমরান (রাঃ) বলেন, আমি বলতে পারছি না, নাবী (সাঃ) (তার যুগের) পরে দুই যুগের কথা বলছিলেন, না তিন যুগের কথা। নাবী (সাঃ) বলেছেন, তোমাদের পর এমন লোকদের আগমন ঘটবে, যারা খিয়ানত করবে, আমানতদারী রক্ষা করবে না। সাক্ষ্য দিতে না ডাকলেও তারা সাক্ষ্য দিবে। তারা মান্নত করবে কিন্তু তা পূর্ণ করবে, না। তাদের মধ্যে মেদ বৃদ্ধি পাবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শাহাদাত হাদিস নাম্বারঃ ২৪৭৫

অক্টো. 262013
 

মুসাদ্দাদ (রহঃ) ইমরান ইবন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণনা। করেন। নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ তোমাদের-মধ্যে আমার যমানার লোকেরাই সর্বোত্তম, এরপর তাদের পরবর্তী” যমানার লোকেরা, এরপর তাদের পরবর্তী লোকেরা। ইমরান (রাঃ) বলেনঃ নাবী (সাঃ) তার যমানা বলার পর দু-বার বলেছেনঃ না কি তিনবার তা আমার স্বরণ নেই। এরপর এমন সব লোকের আবির্ভাব হবে যারা মানত করবে অথচ তা পূর্ন করবে না। তারা খেয়ানত করবে তাদের আমানতদার মনে করা হবে না। তাবা সাক্ষ্য প্রদান করবে অথচ তাদেরকে সাক্ষী দেওয়ার জন্য বলা হবে না। আর তাদের মাঝে হৃষ্টপূষ্টতা প্রকাশিত হবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শপথ ও মানত হাদিস নাম্বারঃ ৬২৩৮

অক্টো. 252013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) । আবূ হুমায়দ সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এক ব্যাক্তিকে রাজস্ব আদায়কারী নিযুক্ত করে পাঠালেন। সে কাজ শেষ করে তাঁর কাছে এসে বলল, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ)! এটা আপনার জন্য আর এ জিনিসটি আমাকে হাদিয়া দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তাকে বললেনঃ তুমি তোমার মা-বাবার ঘরে বসে রইলে না কেন? তা হলে তোমার জন্য হাদিয়া পাঠাত কি না তা দেখতে পেতে? এরপর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এশার ওয়াক্তের সালাত (নামায) দাড়িয়ে গেলেন এবং তাশাহুদ পাঠ করলেন ও আল্লাহ তা আলার যথোপযুক্ত প্রসংসা করলেন। এরপর বললেনঃ রাজস্ব আদায়কারীর অথবা কি হল? আমি তাকে নিযুক্ত করে পাঠালাম আর সে আমাদের কাছে এসে বলছে, এটা সরকারী রাজস্ব আর এ জিনিস আমাকে হাদিয়া দেওয়া হয়েছে। সে তার বাবা-মার ঘরে বসে রইল না কেন? তা হলে দেখত তার জন্য হাদিয়া দেওয়া হয় কি না? ঐ মহান সত্তার কসম! যার হাতে মুহাম্মাদ -এর প্রাণ, তোমাদের মাঝে কেউ যদি কোন বস্তুতে সামান্যতম খিয়ানত করে, তা হলে কিয়ামতের দিন সে ঐ বস্তুটিকে তার কাঁধে বহন করা অবস্হায় আসবে। সে। বস্তুটি যদি উট হয় তা হলে উট আওয়াজ করতে থাকবে। যদি গরু হয় তবে হারা হারা করতে থাকবে। আর যদি বকরী হয় তরে বকরী আওয়াজ করতে থাকবে। আমি পৌছিয়ে দিলাম। রাবী আবূ হুমায়দ বলেনঃ এরপর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তার হস্ত মুবারক এতটূকু উত্তোলন করলেন যে, আমরা তার দু-কালের শুভ্রতা দেখতে পেলাম। আবূ হুমায়দ বলেনঃ এ কথাগুলো যায়িদ ইবন সাবিতও আমার সঙ্গে শুনেছে নাবী (সাঃ) থেকে। সুতরাং তোমরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করতে পার।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শপথ ও মানত হাদিস নাম্বারঃ ৬১৮১

অক্টো. 212013
 

মুসা ইবন ইসমাঈল (রহঃ) জনৈক রাবী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কোন এক কারণে আবূ আব্দুর রহমান ও হিব্বান ইবন আতিয়্যার মাঝে ঝগড়া বাঁধে। আবূ আব্দুর রহমান হিব্বান কে বললেনঃ আমি অবশ্যই জানি যে, কোন বিষয়টি আপনার সাথীকে রক্তপাতে দুঃসাহসী করে তুলেছে। সাথী, অর্থাৎ আলী (রাঃ) সে বলল, সে কি! তোমার পিতা জীবিত না থাকুক। আবূ আবদুর রহমান বলল, তা আলী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। হিববান বলল, সে কি? আবূ আবদুর রহমান বলল, যুবায়র, আবূ মারছাদ এবং আমাকে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) – পাঠালেন। আমরা সকলেই অশ্বারোহী ছিলাম। তিনি বললেনঃ তোমরা রওয়ায়ে হাজ পর্যন্ত যাবে। আবূ সালামা (রহঃ) বলেনঃ আবূ আওয়ানা (রহঃ) অনুরুপই বলেছেন। তথায় একজন মহিলা রয়েছে, যার কাছে হাতিব ইবন আবূ বালতাআ (রাঃ)-এর তরফ থেকে (মক্কার) মুশরিকদের কাছে প্রেরিত একখানা চিঠি আছে। তোমরা তাকে আমার কাছে নিয়ে আসবে। আমরা আমাদের ঘোড়ায় চড়ে রওনা দিলাম। অবশেষে আমরা তাকে ঐ স্থানেই পেলাম, যে স্থানের কথা আমাদেরকে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছিলেন। সে তার উটে চলছে। আবূ বালতাআ (রাঃ) মক্কাবাসীদের কাছে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তাদের দিকে রওনা হওয়া সম্পর্কিত সংবাদ জানিয়ে পত্র লিখেছেন। আমরা বললাম- তোমার সাথে যে পত্র রয়েছে তা কোথায়? সে বলল, আমার সাথে কোন পত্র নেই। আমরা তার উটকে বসালাম এবং তার হাওদায় খোঁজাখুজি করলাম। কিন্তু কিছুই পেলাম না। তখন আমার সঙ্গী দু-জন বলল, তার সাথে তো আমরা কোন পত্র দেখছি না। আমি বললাম, আমরা অবশ্যই জানি যে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) মিথ্যা বলেননি। তারপর আলী (রাঃ) এই বলে কসম করে বললেনঃ ঐ সত্তার কসম! যার নামে কসম করা হয়! অবশ্যই তোমাকে চিঠি বের করে দিতে হবে। নতুবা তোমাকে উলঙ্গ করে ছাড়ব। তখন সে তার চাদর বাঁধা কোমরের প্রতিনিবিষ্ট হল এবং (সেখান থেকে) পত্রটি বের করে দিল। তারা পত্রটি নিয়ে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) -এর নিকট উপস্থিত হলেন। তখন উমর (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহর রাসুল! সে আল্লাহ, তাঁর রাসুল ও মুমিনদের সাথে খিয়ানত করেছে। আপনি আমাকে অনুমতি দিন, আমি তার গর্দান উড়িয়ে দেই। তখন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) জিজ্ঞাসা করলেনঃ হে হাতিব! এ কাজে তোমাকে কিসে প্রবৃত্ত করেছে? তিনি বললেনঃ হে আল্লাহর রাসুল! আমি কেন আল্লাহ ও তার রাসূল (সাঃ) -এর প্রতি ঈমান রাখব না। আসল কথা হচ্ছে, আমি চাচ্ছিলাম যে, কাওমের (মক্কাবাসী) প্রতি আমার কিছুটা অনুগ্রহ সূচক কাজ হোক যার বদৌলতে আমার পরিবারবর্গ ও মাল সম্পদ রক্ষা পায়। আপনার সাথীদের প্রত্যেকেরই সেখানে স্বগোত্রীয় এমন লোক রয়েছে, যাদের মাধ্যমে আল্লাহ তার পরিবারবর্গ ও মাল সম্পদ রক্ষার ব্যবস্হা করবেন। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ সে ঠিকই বলেছে। সূতরাং তোমরা তার সম্পর্কে ভালো ছাড়া মন্দ কোন মন্তব্য করো না। বর্ণনাকারী বলেনঃ উমর (রাঃ) পূনরায় বললেনঃ হে আল্লাহর রাসুল! সে আল্লাহ, তার রাসুল ও মুমিনদের সাথে খিয়ানত করেছে। আমাকে অনুমতি দিন, আমি তার গর্দান উড়িয়ে দেই। তিনি বললেনঃ সে কি বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী নয়? তুমি কি করে জানবে? আল্লাহ তাদের প্রতি লক্ষ্য করে বলেছেনঃ তোমরা যা ইচ্ছা তা কর। তোমাদের জন্য জান্নাত নির্ধারিত করে ফেলেছি। এ কথা শুনে উমর (রাঃ)-এর চক্ষুযুগল অশ্রুসিক্ত হয়ে গেল এবং তিনি বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই সর্বাধিক জ্ঞাত।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদের তউবা হাদিস নাম্বারঃ ৬৪৭০