নভে. 182013
 

কুতাইবা ইবনু সাঈদ (রহঃ) আসমা বিনতে আবূ বকর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার মা যিনি শুশরিক ছিলেন, তাঁর পিতার সাথে আমার নিকট এলেন, যখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সঙ্গে কুরাইশরা চুক্তি করেছিলেন তখন আসমা (রাঃ) রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে এ বলে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আমার মা আমার নিকট এসেছেন। তিনি ইসলামের প্রতি আগ্রহী নন। আমি কি তাঁর সঙ্গে সদ্ব্যবহার করব?’ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘হ্যাঁ, তাঁর সাথে সদাচরণ কর। ’

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৯৫৮

নভে. 172013
 

ইয়াহইয়া (রহঃ) আবূ মূসা আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুযাজ ও আবূ মূসা (রাঃ)-কে ইয়ামানে প্রেরণ করেন ও নির্দেশ দেন যে, ‘লোকদের প্রতি নম্রতা করবে, কঠোরতা করবে না, তাদের সুসংবাদ দিবে, ঘৃনা সৃষ্টি করবে না। পরস্পর মতৈক্য পোষণ করবে, মতভেদ করবে না। ’

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮২৪

নভে. 172013
 

ইসহাক (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন যে, প্রত্যেক দিন যাতে সূর্য উদিত হয়, তাতে মানুষের দেহের প্রতিটি জোড়া হতে একটি মানুষের প্রত্যেক জোড়ার প্রতি সদকা রয়েছে। পতি দিন যাতে সূর্য উদিত হয়। দু’জন লোকের মধ্যে সুবিচার করাও সা’দকা। কাউকে সাহায্য করে সাওয়ারীতে আরোহণ করিয়ে দেওয়া বা তার উপরে তার মালপত্র তুলে দেওয়াও সা’দকা। ভাল কথাও সা’দকা। সালাত (নামায) আদায়ের উদ্দেশ্যে পথ চলায় প্রতিটি কদমেও সা’দকা। রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করাও সা’দকা।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭৮১

নভে. 122013
 

সুলায়মান (রহঃ) ও আববাদ ইবনু ইয়াকুব আসাদী (রহঃ) ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। জনৈক ব্যাক্তি (সাহাবী) নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে জিজ্ঞাসা করলেন, কোন আমলটি সর্বোত্তম? তিনি বললেনঃ যথাসময়ে সালাত (নামায) আদায় করা, মাতাপিতার সাথে সৎ ব্যবহার করা। অতঃপর আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৭০২৬

নভে. 102013
 

মূসা ইবন ইসমাঈল (রহঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ)-কে পবিত্র কুরআনের তালীম দিতাম। উমর (রাঃ) যখন জীবনের সর্বশেষ হাজ্জ (হজ্জ) পালন করতে আসলেন, তখন আবদুর রহমান (রাঃ) মিনায় আমাকে লক্ষ্য করে বললেনঃ তুমি আজ আমীরুল মু-মিনীনদের নিকট থাকলে দেখতে পেতে যে, তার কাছে এক ব্যাক্তি এসে বলল, জনৈক ব্যাক্তি বলেছে, যদি আমীরুল মুমিনীন মারা যেতেন, তাহলে আমরা অমুক ব্যাক্তির হাতে বায়আত নিতে পারতাম। উমর (রাঃ) বললেন, আজ বিকেলে দাঁড়িয়ে আমি তাদেরকে সতর্ক করব, যারা মুসলমানদের অধিকারকে ছিনিয়ে নিতে চায় আমি বললাম, আপনি এটি করবেন না। কেননা, এখন হাজ্জের (হজ্জ) মৌসুম। এখন সাধারন লোকের উপস্থিতির সময়। তারা আপনার মজলিসকে ঘিরে ফেলবে। আমার ভয় হচ্ছে যে, তারা আপনার বক্তব্য যথাযথভাবে অনুধাবন করবে না। রদবদল করে চারদিকে ছড়িয়ে দেবে। বরং এখন আপনি হিজরত ও সুন্নাতের আবাসগৃহ মদিনায় পৌছা পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করুন। এরপর একমাত্র রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর মুহাজির ও আনসার সাহাবাদের নিকট আপনার বক্তব্য পেশ করুন। তারা আপনার বক্তব্য সংরক্ষণ করবে এবং তার যথাযথ মর্যাদা প্রদান করবে। উমর (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি মদিনায় পৌছলে সবচেয়ে আগে এটি করব। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ আমরা মদিনায় উপিস্থিত হলাম। তখন উমর (রাঃ) ভাষণ প্রসঙ্গে বললেনঃ আল্লাহ তাআলা মুহাম্মাদ -কে সত্য বানী দিয়ে প্রেরণ করেছেন, তাঁর উপর কিতাব অবতীর্ণ করেছেন। তন্মধ্যে ‘রজম’ (তথা পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করা)-এর আয়াতও রয়েছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কুরআন ও সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে ধারন হাদিস নাম্বারঃ ৬৮২৪

নভে. 102013
 

মুহাম্মাদ ইবন আবদুল আযীয (রহঃ) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেনঃ নিশ্চয় তোমরা তোমাদের পূর্ববর্তীদের আচার-আচরণকে বিঘতে বিঘতে, হাতে হাতে অনুকরন করবে। এমনকি তারা যদি গুইসাপের গর্তেও প্রবেশ করে থাকে, তাহলে তোমরাও এতে তাদের অনূকরন করবে। আমরা বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরা কি ইহুদি ও নাসারা? তিনি বললেনঃ আর কারা?

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কুরআন ও সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে ধারন হাদিস নাম্বারঃ ৬৮২১

নভে. 092013
 

আবূ আসিম (রহঃ) উকবা ইবন হারিস (রাঃ) বলেন একবার নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসরের সালাত (নামায) আদায় করে তাড়াতাড়ি গিয়ে নিজ ঘরে প্রবেশ করলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অনুমতি চাওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৮৪০

নভে. 062013
 

মালিক ইবন ইসমাঈল (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ হাচি দেয়, তখন সে যেন -আলহামুদুলিল্লাহ বলে। আর তার শ্রোতা যেন এর জবাবে ইয়ার হামুকাল্লাহ বলে। আর যখন সে ওয়া ইইয়ার হামুকাল্লাহ বলবে তখন হাঁচিদাতা তাকে বলবে: ইয়াহদিকুমুল্লাহ বালাকুম।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭৯১

নভে. 062013
 

মুহাম্মদ ইবন কাসীর (রহঃ) আনাস ইবন মালিক বলেনঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন একদিন নাবী (সাঃ) -এর সামনে দুঁব্যাক্তি হাচি দিল। তখন নাবী (সাঃ) একজনের জবাব দিলেন। অপরজনের জবাব দিলেন না। তাকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেনঃ এই বাক্তি আলহামদু লিল্লাহ বলেছে। আর ঐ ব্যাক্তি আলহামদুলিল্লাহ বলে নি। (তাই হাঁচির জবাব দেয়া হয় নি)।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭৮৮

নভে. 062013
 

আদম (রহঃ) আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। একবার নাবী (সাঃ) (মহিলাদের সহ) এক সফরে ছিলেন। যদী গায়ক হুদীগান গেয়ে যাচ্ছিল। তিনি তাকে নির্দেশ দিলেন, আফসোস তোমার প্রতি ওহে আনজাশা! তুমি কাচপাত্র তুল্য সাওয়ারীদের সাথে মৃদুকর।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭৭৬