নভে. 102013
 

ইসহাক ওয়াসেতী (রহঃ) তারীফ আবূ তামীমা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি সাফওয়ান (রহঃ), জুনদাব (রাঃ) ও তাঁর সাথীদের কাছে ছিলাম। তখন তিনি তাদের উপদেশ দিচ্ছিলেন। তারা জিজ্ঞাসা করল, আপনি কি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে কোন কথা শুনেছেন? উত্তরে তিনি বললেনঃ আমি তাকে বলতে শুনেছি যে, যারা মানুষকে শোনাবার জন্য কোন কাজ করে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার এ কথা শুনিয়ে দিবেন। আর যারা অন্যের প্রতি কঠোর ব্যবহার করে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা’আলা তার প্রতি কঠোর ব্যবহার করবেন। তাঁরা পূনরায় বলল, আমাদেরকে কিছু উপদেশ দিন। তিনি বললেনঃ মানুষের দেহের যে অংশ প্রথম দৃর্শময় হবে, তা হল তার পেট। সুতরাং যে ব্যাক্তি সামর্থ্য রাখে যে একমাত্র পবিত্র (হালাল) খাদ্য ছাড়া আর কিছু সে আহার করবে না, সে যেন তাই করতে চেষ্টা করে। আর যে ব্যাক্তি সামর্থ্য রাখে যে এক আজলা পরিমাণ রক্তপাত ঘটিয়ে তার ও জান্নাতের মাঝে প্রতিবন্দকতা সৃষ্টি করবে না, সে যেন অবশ্যই তা করে। হিমাম বুখারী (রহঃ)-এর ছাত্র ফেরাবরী) বলেনঃ আমি আবূ আব্দুল্লাহ (রাঃ) (ইমাম বুখারী)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে আমি শুনেছি- এ কথা কি হাদাব বলেছিলেন? তিনি বললেনঃ হ্যা, জুনদাবই।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৬৬৭

নভে. 032013
 

মুসাদ্দাদ (রহঃ) উকবা ইবন আমর আবূ মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) স্বীয় হাতের দ্বারা ইয়ামানের দিকে ইশারা করে বললেন, ঈমান এদিকে। দেখ কঠোরতা এবং অন্তরের কাঠিন্য ঐ সব কৃষকদের মধ্যে যারা উটের লেজের কাছ থেকে চিৎকার করেঃ যেখান থেকে শয়তানের শিং দু’টি উদয় হবে অর্থাৎ রাবীয়া ও মুযার গোত্রদ্বয়ের মধ্যে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সৃষ্টির সূচনা হাদিস নাম্বারঃ ৩০৭০

অক্টো. 172013
 

সাঈদ ইবন সুলায়মান (রহঃ) কায়স (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি সাঈদ ইবন যায়িদ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমি মনে করি উমর (রাঃ)-এর কঠোরতা আমাকে ইসলামের উপর অনড় করে দিয়েছে। তোমরা উসমান (রাঃ)-এর সাথে যা করেছ তাতে যদি উহুদ পাহাড় ফেটে যেত তা হলে তা সঙ্গতই হত।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বল-প্রয়োগে বাধ্য করা হাদিস নাম্বারঃ ৬৪৭৩

অক্টো. 022013
 

হযরত ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

“অযথা কঠোরতা অবলম্বনকারীরা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে”। [মুসলিম]

রিয়াদুস সালেহীন : ১৪৪