নভে. 082013
 

মাক্কী ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ দুটি নিয়ামত এমন আছে, যে দুঁটোতে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। তা হল, সুস্থতা আর অবসর। আব্বাস আম্বরী (রহঃ) সাঈদ ইবন আবূ হিন্দ (রহঃ) থেকে ইবন আব্বাস (রাঃ) সুত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরুপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৯৭০

অক্টো. 312013
 

মুসলিম (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুএে নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ পশু আহত করলে, খনি বা কুপে পতিত হয়ে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাতে কোন ক্ষতিপূরন নেই। গুপ্তধনের এক-পঞ্চমাংশ দেওয়া ওয়াজিব।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ রক্তপন হাদিস নাম্বারঃ ৬৪৪৫

অক্টো. 282013
 

মাহমূদ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ খনি ও কূপে কাজ করা অবস্থায় অথবা জন্তু- জানোয়ারের আঘাতে মারা গেলে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না এবং বিকাযে (খনিজ দ্রব্যে) পঞ্চমাংশ দিতে হবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পানি সিঞ্চন হাদিস নাম্বারঃ ২২০১

অক্টো. 282013
 

মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ আনসারী (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রুবাইয়্যি বিনতে নাযর (রাঃ) এক কিশোরীর সামনে দাঁত ভেঙ্গে ফেলেছিল। তারা ক্ষতিপূরণ দাবি করল আর অপর পক্ষ ক্ষমা চাইল। তারা অস্বীকার এবং নাবী (সাঃ) -এর কাছে এল। তিনি কিসাসের নির্দেশ দিলেন। আনাস ইবন নাযর (রাঃ) তখন বললেন, ‘ইয়া রাসূল (সাঃ)! রুবাইয়্যি এর দাঁত ভাঙ্গা হবে? না যিনি আপনাকে সত্য সহ পাঠিয়েছেন তাঁর কসম তার দাঁত ভাঙ্গা হবে না। তিনি বললেন, হে আনাস, আল্লাহর বিধান হল কিসাস। ’ তারপর বাদীপক্ষ রাজি হয় এবং ক্ষমা করে দেয়। তখন নাবী (সাঃ) বললেন, আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে এমন বান্দাও রয়েছেন যে, আল্লাহর নামে কোন কসম করলে তা পূরণ করেন। ফাযারী (রহঃ) হুমায়দ (রহঃ) সূত্রে আনাস (রাঃ) থেকে রিওয়ায়াত করতে গিয়ে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, তখন লোকেরা সম্মত হল এবং ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করল।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সন্ধি হাদিস নাম্বারঃ ২৫২২

অক্টো. 132013
 

উবায়দুল্লাহ ইবন মূসা (রহঃ) আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সাঃ) -কে আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কোন আমল উত্তম? তিনি বললেন, আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা এবং তাঁর পথে জিহাদ করা। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কোন ধরণের গোলাম আযাদ করা উত্তম? তিনি বললেন, যে গোলামের মূল্য অধিক এবং যে গোলাম তার মনিবের কাছে অধিক আকর্ষণীয়। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, এ যদি আমি করতে না পারি? তিনি বললেন, তাহলে কাজের লোককে (তার কাজে) সাহায্য করবে কিংবা বেকারকে কাজ দিবে। আমি (আবারও) বললা, এ-ও যদি না পারি? তিনি বললেন, মানুষকে তোমার অনিষ্টতা থেকে মুক্ত রাখবে। বস্তুত: এটা তোমার নিজের জন্য তোমা পক্ষ থেকে সাদকা।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ গোলাম আযাদ করা হাদিস নাম্বারঃ ২৩৫২

অক্টো. 112013
 

ইয়াকূব ইব্‌ন ইবরাহীম (রহঃ) ইয়া’লা ইব্‌ন উমায়্যা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নাবী (সাঃ) এর সঙ্গে জাইশল উসরাত অর্থাৎ তাবূকের যুদ্ধে লড়াই করেছিলাম। আমার ধারণায় এটাই ছিল আমার সবচাইতে নির্ভরযোগ্য আমল। আমার একজন মজদুর ছিল। সে একজন লোকের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় এবং তাদের একজন আরেকজনের আংগুল দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে (বের করার জন্য) সে আংগুল টান দেয়। এতে তার (প্রতিপক্ষের) একটি সামনের দাঁত পড়ে যায়। তখন লোকটি (অভিযোগ নিয়ে) নবী (সাঃ) এর নিকট গেল। কিন্তু তিনি (নবী (সাঃ) ) তার দাঁতের ক্ষতিপূরণের দাবী বাতিল করে দিলেন এবং বললেন সে কি তোমার মুখে তার আংগুল ছেড়ে রাখবে, আর তুমি তা (দাঁত দিয়ে) চিবুতে থাকবে? বর্ণনাকারী (ইয়া’লা (রাঃ)) বলেন, আমার মনে পড়ে তিনি (নবী (সাঃ) ) বলেছেন, যেমন উট চিবায়। ইব্‌ন জুরাইজ (রহঃ) বলেন, আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আবূ মুয়ালাকা (রহঃ) তাঁর দাদার সূত্রে অনুরূপ একটি ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, এক ব্যাক্তি অপর এক ব্যাক্তির হাত দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরল। এতে (লোকটি তার হাত বের করার জন্য সজোরে টান দিলে) তার (যে কামড় দিয়েছিল) সামনের দাঁত পড়ে যায়। আবূ বকর (রাঃ) এর কোন ক্ষতিপূরণের দাবী বাতিল করে দেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ইজারা হাদিস নাম্বারঃ ২১২২

অক্টো. 112013
 

সাঈদ ইবন রাবী (রহঃ) আবূ সালামা (রহঃ) থেকে বর্নিত তিনি বলেনঃ আমি এমন স্বপ্ন দেখতাম যা আমাকে রোগাক্রান্ত করে ফেলত। অবশেষে আমি আবূ কাতাদা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ আমি এমন স্বপ্ন দেখতাম যা আমাকে রোগাক্রান্ত করে ফেলত। অবশেষে আমি নবী (সাঃ) -কে বলতে শুনেছি, ভাল স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। তাই যখন কেউ পছন্দনীয় কোন স্বপ্ন দেখে তখন এমন ব্যাক্তির কাছেই বলবে, যাকে সে পছন্দ করে। আর যখন অপছন্দনীয় কোন স্বপ্ন দেখে তখন যেন সে এর ক্ষতি ও শয়তানের ক্ষতি থেকে আল্লাহর আশ্রয় চায় এবং তিনবার থু থু ফেলে আর সে যেন তা কারো কাছে বর্ণনা না করে। তাহলে এ স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করবে না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ স্বপ্নের ব্যাখ্যা প্রদান হাদিস নাম্বারঃ ৬৫৬৮

অক্টো. 102013
 

সা’ঈদ ইব্‌ন ইয়াহ্ইয়া ইব্‌ন সা’ঈদ আল উমাবী আল কুরাশী (রহঃ) আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সাহাবায়ে কিরাম জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ! ইসলামে কোন্ কাজটি উত্তম? তিনি বললেনঃ যার জিহ্বা ও হাত থেকে মুসলিমগণ নিরাপদ থাকে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ওহীর সূচনা হাদিস নাম্বারঃ ১০

অক্টো. 072013
 

সাওবান হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: ক্বিয়ামাত পর্যন্ত আমার উম্মাতের একটি দল সত্যের উপর স্থির থাকবে এবং সাহায্যপ্রাপ্ত হতে থাকবে। মহামহিম আল্লাহ্‌র নির্দেশ (ক্বিয়ামাত) আসা পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধবাদীরা তাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না।

তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: মুসলিম ১৯২০, ২৮৮৯, তিরমিযী ২১৭৬, ২২২৯; আবূ দাঊদ ৪২৫২, আহমাদ ২১৮৮৮, ২১৮৯৭, ২১৯৪৬; দারিমী ২০৯। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী:

সুনানে ইবনে মাজাহ অধ্যায়ঃ রাসুল (সাঃ)’র সুন্নাতের অনুসরণ হাদিস নাম্বারঃ ১০

অক্টো. 022013
 

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ

“যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার মেহমানের ইজ্জত করে আদর-আপ্যায়ন করে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের ওপর ঈমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে, অথবা নীরব থাকে।” [বুখারী ও মুসলিম]

রিয়াদুস সালেহীন – ৩০৮