নভে. 162013
 

ইসহাক (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কায়সারের কাছে চিঠি লিখেছিলেন এবং এতে বলেছিলেন, যদি তুমি এই সত্য থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখ তাহলে প্রজাদের পাপের বোঝা তোমারই উপর বর্তাবে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭৩৫

নভে. 102013
 

ইসমাঈল (রহঃ) উবাদা ইবন সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে এ মর্মে বায়আত গ্রহণ করলাম যে, সুখে দুঃখে সর্বাবস্হায় আমরা তাঁর কথা শুনব ও তার আনুগত্য করব। রাষ্ট্রীয় ব্যাপারে দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধাচরণ করব না। যেখানেই থাকি না কেন সর্বদা সত্যের উপর অবিচল থাকব কিংবা বলেছিলেঃ সর্বদা সত্য কথা বলব এবং আল্লাহর পথে কোন নিন্দাকারীর নিন্দার ভয় করব না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৭০৭

নভে. 052013
 

উসমান ইবন আবূ শায়বা (রহঃ) আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ সত্য নেকীর দিকে পরিচালিত করে আর নেকী জান্নাতের নিকে পৌছায়। আর মানুষ সত্যের উপর প্রতিষ্টিত থেকে অবশেষে সিদ্দীক-এর দরজা লাভ করে। আর মিথ্যা মানুষকে পাপের দিকে নিয়ে যায়। পাপ তাকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়। আর মানূষ মিথ্যা কথা বলতে বলতে অবশেষে আল্লাহর কাছে মহামিথ্যাবাদী রুপে সাব্যস্ত হয়ে যায়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৬৬৪

অক্টো. 302013
 

আলী ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) যখন (বিজয়ীর বেশে) মক্কায় প্রবেশ করেন, তখন কা’বা শরীফের চারপাশে তিনশ’ ষাটটি মূর্তি ছিল। নাবী (সাঃ) নিজের হাতের লাঠি দিয়ে মূর্তিগুলোকে আঘান করতে থাকেন আর বলতে থাকেন : সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে, ( আয়াতের শেষ পর্যন্ত (১৭ : ৮১)।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যুলম ও কিসাস হাদিস নাম্বারঃ ২৩১৬

অক্টো. 292013
 

ইবরাহীম ইবন হামযা (রঃ) আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ সুফিয়ান (রাঃ) আমাকে খবর দিয়েছেন যে, (রোম সম্রাট) হেরাক্লিয়াস তাকে বলেছিলেন, তোমাকে আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তিনি (নাবী (সাঃ) সাঃ) তোমাদের কি কি আদেশ করেন? তুমি বললে যে, তিনি তোমাদেরকে সালাত (নামায)-এর, সত্যবাদিতার, পবিত্রতার, ওয়াদা পূরণের ও আমানত আদায়ের আদেশ দেন। হিরাক্লিয়াস বললেন, এটাই (অবশ্যই) নাবী (সাঃ) গণের সিফাত (গুণাবলী)

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শাহাদাত হাদিস নাম্বারঃ ২৫০২

অক্টো. 072013
 

সাওবান হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: ক্বিয়ামাত পর্যন্ত আমার উম্মাতের একটি দল সত্যের উপর স্থির থাকবে এবং সাহায্যপ্রাপ্ত হতে থাকবে। মহামহিম আল্লাহ্‌র নির্দেশ (ক্বিয়ামাত) আসা পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধবাদীরা তাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না।

তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: মুসলিম ১৯২০, ২৮৮৯, তিরমিযী ২১৭৬, ২২২৯; আবূ দাঊদ ৪২৫২, আহমাদ ২১৮৮৮, ২১৮৯৭, ২১৯৪৬; দারিমী ২০৯। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী:

সুনানে ইবনে মাজাহ অধ্যায়ঃ রাসুল (সাঃ)’র সুন্নাতের অনুসরণ হাদিস নাম্বারঃ ১০

অক্টো. 042013
 

কুতায়বা ইবন সা’ইদ (রহঃ) তালহা ইবন ‘উবাদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিত যে, এলোমেল চুলসহ একজন গ্রাম্য আরব রাসূল (সাঃ) নিকট এলেন। তারপর বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ! আমাকে বলুন, আল্লাহ তা’আলা আমার উপর কত সালাত (নামায) ফরজ করেছেন? তিনি বলেনঃ পাঁচ (ওয়াক্ত) সালাত (নামায); তবে তুমি যদি কিছু নফল আদায় কর তা স্বতন্ত্র কথা। এরপর তিনি বললেন, বলুন, আমার উপর কত সিয়াম আল্লাহ তা’আলা ফরজ করেছেন? রাসূল (সাঃ) (স) বললেনঃ রমযান মাসের সাওম; তবে তুমি যদি কিছু নফল কর তবে তা স্বতন্ত্র কথা। এরপর তিনি বললেন, বলুন, আল্লাহ আমার উপর কি পরিমান যাকাত ফরয করেছেন? রাবী বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তাঁকে ইসলামের বিধান জানিয়ে দিলেন। এরপর তিনি বললেন, ঐ সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্য দিয়ে সম্মানিত করেছেন, আল্লাহ আমার উপর যা ফরয করেছেন, আমি এর মাঝে কিছু বাড়াব না এবং কমাবও না। রাসূল (সাঃ) বললেনঃ সেও সত্য বলে থাকলে সফলতা লাভ করল কিংবা বলেছেন, সে সত্য বলে থাকলে জান্নাত লাভ করল।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৭৭০

অক্টো. 022013
 

আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “সত্যবাদী মুমিনের জন্য অত্যাধিক অভিসম্পাতকারী হওয়া শোভনীয় নয়।” [মুসলিম]
রিয়াদুস সলিহীন – ১৫৫২