নভে. 172013
 

ইবনু আবূ মারইয়াম (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার ঘরে আমার পালার দিন আমার কণ্ঠ ও বুকের মধ্যে মাথা রাখা অবস্থায় নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর ওফাত হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা (মৃত্যুকালেও) তাঁর ও আমার মুখের লালাকে একত্রিত করেছেন। তিনি বলেন, আব্দুর রাহমান (রাঃ) একটি মিসওয়াক নিয়ে প্রবেশ করেন। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা চিবুতে অপারগ হন। তখন আমি সে মিসওয়াকটি নিয়ে নিজে চিবিয়ে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর দাঁত মেজে দেই।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৮১

নভে. 092013
 

মুহাম্মদ ইবন আব্দুর রহীম (রহঃ) সাঈদ ইবন জুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবন আব্বাস (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হলো যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর ওফাতের সময় আপনি বয়সে কার মত ছিলেন? তিনি বললেনঃ আমি তখন মাখতুন (খাতূনাকৃত) ছিলাম। তিনি আরও বলেনঃ তাদের নিয়ম ছিল যে সাবালক না হওয়া পর্যন্ত তারা খাতনা করতেন না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অনুমতি চাওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৮৬২

নভে. 092013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ ইবরাহীম (আঃ) আশী বছর বয়সের পর কাদূম -নামক- স্থানে নিজেই নিজের খাতনা করেন। কুতায়বা (রহঃ) আবূয যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ -কাদ্দুম- একটি স্থানের নাম।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অনুমতি চাওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৮৬১

নভে. 092013
 

ইয়াহইয়া ইবন কুযাআ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ মানুষের স্বভাবগত বিষয় হলো পাচটিঃ খাতনা করা, নাভির নীচের পশম কামানো, বগলের পশম উপড়ানো, গোঁফ কাটা এবং (অতিরিক্ত ) নখ কাটা।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অনুমতি চাওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৮৬০

নভে. 052013
 

আব্দুল্লাহ ইবন আবদস ওহহাব (রহঃ) আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। একদা এক বেদুঈন মসজিদে পেশাব করলো। লোকেরা উঠে (তাকে মারার জন্য) তার দিকে গেল। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ তার পেশাব করা বন্ধ করো না। তারপর তিনি এক বালতি পানি আনালেন এবং পানি পেশাবের উপর ঢেলে দেয়া হলো।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৬০০

নভে. 052013
 

মুহাম্মদ ইবন মুসান্না (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাঃ) একটি শিশুকে নিজের কোলে নিলেন। তারপর তাকে তাহনীক, করালেন। শিশুটি তার কোলে পেশাব করে দিল। তখন তিনি পানি আনতে বললেন এবং তা (পেশাবের স্থানে) ঢেলে দিলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৫৭৬

নভে. 012013
 

মুহাম্মদ (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ – কে কাযা থেকে নিষেধ করতে শুনেছি। রাবী উবায়দুল্লাহ বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ কাযা কি? তখন আব্দুল্লাহ (রাঃ) আমাদের ইশারা দিয়ে দেখিয়ে বললেনঃ শিশুদের যখন চুল কামান হয় তখন এই, এই জায়গায় চুল রেখে দেওয়া। এ কথা বলার সময় উবায়দুল্লাহ তার কপাল ও মাথার দু-পাশ দেখালেন। পুনরায় জিজ্ঞাসা করা হলঃ বালক ও বালিকার কি একই হুকুম? তিনি বললেনঃ আমি জানিনা। এভাবে তিনি বালকের কথা বলেছেন। উবায়দুল্লাহ বলেনঃ আমি এ কথা পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বলণেন: পুরুষ শিশুরু মাথার সামনের ও পিছনের দিকের চুল কামান দোষনীয় নয়। আর (অন্য এক ব্যাখ্যা মতে) কাযা- বলা হয় – কপালের উপরে কিছু চুল রেখে বাকী মাথার কোথাও চুল না রাখা। অনুরুপভাবে মাথার চুল একপাশ থেকে অথবা অপর পাশ থেকে কাটা।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পোষাক-পরিচ্ছদ হাদিস নাম্বারঃ ৫৪৯৬

নভে. 012013
 

মুহাম্মদ (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ তোমরা গোঁফ বেশী ছোট করবে এবং দাড়ি বড় রখেবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পোষাক-পরিচ্ছদ হাদিস নাম্বারঃ ৫৪৭৩

নভে. 012013
 

মুহাম্মদ ইবন মিনহাল (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) সুত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, তোমরা মুশরিকদের বিপরীত করবে: দাড়ি লম্বা রাখবে, গোঁফ ছোট করবে। ইবন উমর (রাঃ) যখন হাজ্জে (হজ্জ) বা উমরা করতেন, তখন তিনি তার দাঁড়ি খাট করে ধরতেন এবং মুষ্টের বাইরে যতটুকু অতিরিক্ত থাকত তা কেটে ফেলতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পোষাক-পরিচ্ছদ হাদিস নাম্বারঃ ৫৪৭২

নভে. 012013
 

আহমাদ ইবন ইউনুস (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন আমি নাবী (সাঃ) -কে বলতে শুনেছি ফিতরাত পাচটি: খাতনা করা- (নাভির নীচে) ক্ষুর ব্যবহার করা, গোঁফ ছোট করা- নখ কাটা ও বোগলের পশম উপড়ে ফেলা।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পোষাক-পরিচ্ছদ হাদিস নাম্বারঃ ৫৪৭১