নভে. 172013
 

আবদুল্লাহ ইবনু আব্দুল ওহহাব (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু আবূ মূলায়কা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে সোনালী কারুকার্য খচিত কিছু রেশমী কাবা জাতীয় পোষাক হাদীয় দেয়া হল। তিনি তাঁর সাহাবীগণের মধ্যে থেকে কয়েকজনকে তা বণ্টন করে দেন এবং তা থেকে একটি কাবা মাখরামা ইবনু নাওফল (রাঃ)-এর জন্য আলাদা করে রাখেন। তারপর মাখরামা (রাঃ) তাঁর পুত্র মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ)-কে সাথে নিয়ে এসে দরজায় দাঁড়ালেন আর ৯পুত্রকে) বললেন, তাঁকে আমার জন্য আহবান কর। তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর আওয়াজ শুনতে পেলেন। তিনি একটি কাবা নিয়ে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেন। আর এর কারকার্য খচিত অংশ তাঁর সামনে তুলে ধরে বললেন, হোবুল মিসওয়ার! আমি এটি তোমার জন্য রেখে দিয়েছি। আমি এটি তোমার জন্য রেখে দিয়েছি। আর মাখরামা (রাঃ) কিছুটা স্বভাবে কিছুটা রুড়তা ছিল। এ হাদীসটি ইসমাঈল ইব্ উলাইয়া (রহঃ)-ও আইউব (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। আর হাতিম ইবনু ওয়ারদান (রহঃ) বলেন, আইউব (রহঃ) ইবনু আবূ মুলায়কা (রহঃ) সূত্রে মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) থেকে বর্ণণা করেছেন। তিনি বলেন যে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে কয়েকটি কাবা জাতীয় পোষাক এসেছিল। (বাকী অংশ আগের মত) লাইস (রহঃ) ইবনু আবূ মূলাইকা (রহঃ) থেকে হাদীস বর্ণনায় আইয়ূব (রহঃ)-এর অনুসরন করেছেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৯০৭

নভে. 172013
 

মুহাম্মদ ইবনু বাশ্‌শার (রহঃ) আবূ বুরদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আয়িশা (রাঃ) একটি মোটা তালি বিশিষ্ট কম্বল বের করলেন আর বললেন, এ কম্বল জড়ানো অবস্থায়ই নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর ওফাত হয়েছে। আর সুলাইমান (রহঃ) হুমাইদ (রহঃ) সূত্রে আবূ বুরদা (রাঃ) থেকে বাড়িয়ে বর্ণনা করেছেন যে, আয়িশা (রাঃ) ইয়ামানে তৈরী একটি মোটা তহবন্দ এবং একটি কম্বল যাকে তোমরা জোড়া লাগানো বলে থাকে, আমাদের কাছে বের করেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৮৯

নভে. 172013
 

আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) ঈসা ইবনু তাহমান (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আনাস (রাঃ) দু’টি পশম বিহীন পুরাতন চপপল বের করলেন, যাতে দু’টি ফিতা লাগানো ছিল। সাবিত বুনানী (রহঃ) পরে আনাস (রাঃ) থেকে এরূপ বর্ণণা করেছেন যে, এ দু’টি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর পাদুকা (মুবারক) ছিল।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৮৮

নভে. 172013
 

হিববান ইবনু মূসা (রহঃ) উম্মে খালিদ বিনতে খালিদ ইবনু সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিথ, তিনি বলেন, আমি আমার পিতার সঙ্গে হলুদ বর্ণের জামা পরে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে আসলাম। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, সান্না-সান্না। (রাবী) আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, হাবশী ভাষায় তা সুন্দর অর্থে ব্যবহৃত। উম্মে খালিদ (রাঃ) বলেন, এরপর আমি তাঁর মহরে নব্যুতের স্থান নিয়ে কৌতুক করতে লাগলাম। আমার পিতা আমাকে ধমক দিলেন। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ছোট মেয়ে তাকে করতে দাও। ’ এরপর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন, এ কাপড় পরিধান কর আর পুরানো কর, আবার পরিধান কর, পুরানো কর, পুরানো কর, আবার পরিধান কর, পুরানো কর। (অর্থাৎ দীর্ঘ দিন পরিধান কর)। আবদুল্লাহ (ইবনু মুবারক) (রহঃ) বলেন, উম্মে খালিদ (রাঃ) এতদিন জীবিত থাকেন যে, তাঁর আলোচনা চলতে থাকে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৫৪

নভে. 172013
 

ইয়াহইয়া ইবনু বুকাইর (রহঃ) (আবদুল্লাহ) ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমর (রাঃ) একজোড়া রেশমী কাপড় বাজরে বিক্রি হতে দেখতে পেলেন। তিনি তা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট নিয়ে এসে বললেন, ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ রেশমী কাপড় জোড়া আপনি খরিদ করুন এবং ঈদ ও প্রতিনিধিদল আগমন উপলক্ষে এর দ্বারা আপনি সজ্জিত হবেন। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘এ লেবাস তো তার (আখিরাতে) যার কোন অংশ নেই। অথবা (বলেন, রাবীর সন্দেহ) এরূপ লেবাস সে-ই পরিধান করে (আখিরাতে যার কোন অংশ নেই। ’ এমতাবস্থায় উমর (রাঃ) কিছু দিন অবস্থান করেন, যে পরিমান সময় আল্লাহ তা‘আলার ইচ্ছে ছিল। এরপর নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি রেশমী জুব্বা উমর (রাঃ)-এর নিকট পাঠিয়েদেন। তিনি তা নিয়ে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট এসে আরজ করলেন, ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আপনি বলেছিলেন যে, এ তো তারই লেবাস (আখিরাতে) যার কোন অংশ নাই, কিংবা (রাবীর সন্দেহ) এ লেবাস তো সে-ই পরিধান করে, যার (আখিরাত) কোন অংশ নাই। এরপরও আপনি তা আমার জন্য প্রেরণ করলেন। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, (এজন্য প্রেরণ করেছি যে,)তুমি তা বিক্রয় করে ফেলবে অথবা (রাবীর সন্দেহ) বলেছেন, (এ জন্য প্রেরণ করেছি যে), তুমি তা তোমার কোন কাজে লাগাবে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৩৯

নভে. 162013
 

মুহাম্মদ ইবনু বাশ্শার (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, শরীরে চুলকানীর জন্য তাদের দু’জনকে (আবদুর রাহমান ও যুবায়ের) রেশমী বস্ত্র পরিধানের অনুমতি দিয়েছিলেন বা দেয়া হয়েছিল।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭২১

নভে. 162013
 

মূসা’দ্দাদ (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবদুর রাহমান ইবনু আওফ ও যুবায়র ইবনুল আওয়ামকে রেশমী বস্ত্র পরিধানের অনুমতি দেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭২০

নভে. 162013
 

আহমদ ইবনু মিকদাম (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবদুর রাহমান ইবনু আওফ (রাঃ) ও যুবায়র (রাঃ)- কে তাদের শরীরে চুলকানি থাকার কারনে রেশমী জামা পরিধান করার অনুমতি দিয়েছিলেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭১৮

নভে. 162013
 

আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামা(রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ)থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ঘোড়ার কপালের কেশগুচ্ছে কল্যাণ রয়েছে কিয়ামত পর্যন্ত।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৬৫২

নভে. 152013
 

মূসা ইবনু ইসমা‘ঈল (রহঃ) আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন , রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঈদুল ফিতরের দিন এবং কুরবানীর ঈদের দিন সাওম (রোযা) পালন করা থেকে , ‘সাম্মা ’ ধরনের কাপড় পরিধান করতে , এক কাপড় পরিধানরত অবস্থায় দুই হাঁটু তুলে নিতম্বের উপর বসতে (কেননা এত সতর প্রকাশ পাওয়ার আশংকা রয়েছে)এবং ফজর ও ‘আসরের পরে সালাত (নামায) আদায় করতে নিষেধ করেছেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৮৬৮