নভে. 142013
 

হযরত আবূল ইয়ামান (রহঃ) হযরত আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্নিত, একদা তিনি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট বসা ছিলেন, তখন তিনি বললেন, ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) , আমরা বন্দী দাসীর সাথে সংগত হই। কিন্তু আমরা তাদের (বিক্রয় করে) মূল্য হাসিল করতে চাই। এমতাবস্থায় আযল (নিরুদ্ধ সঙ্গম) সম্পর্কে আপনি কি বলেন? তিনি বললেন, তোমরা কি এরুপ করে থাক? তোমরা যদি তা (আযল) না কর, তাতে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। কারন মহান আল্লাহ্ তা’আলা যে সন্তান জন্ম হওয়ার ফায়সালা করে রেখেছেন, তা অবশ্যই জন্মগ্রহন করবে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ক্রয় – বিক্রয় হাদিস নাম্বারঃ ২০৮৮

নভে. 142013
 

হযরত মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) হযরত আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) সূত্রে বর্নিত, তিনি সুহায়ব (রাঃ) কে বলেন, মহান আল্লাহ্ তা’আলাকে ভয় কর। তুমি নিজ পিতা ছাড়া অন্যকে নিজের পিতা বলে দাবী করোনা। এর উত্তরে সুহায়ব (রাঃ) বলেন, আমি এতে আনন্দবোধ করবনা যে, এতো এতো সম্পদ হোক আর আমি আমার পিতৃত্বের দাবী অন্যের প্রতি আরোপ করি, বরং (আসল ব্যাপার) আমাকে শিশুকালে চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ক্রয় – বিক্রয় হাদিস নাম্বারঃ ২০৭৮

নভে. 122013
 

ইসহাক (রহঃ) আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বনী মুসতালিক যুদ্ধ সম্পর্কে বর্ণনা করেন যে, মুসলিম মুজাহিদগণ যুদ্ধে কতিপয় বন্দিনী লাভ করেছিল। এরপর তারা এদেরকে ভোগ করতে চাইলেন। আবার তারা যেন গর্ভবতী হয়ে না পড়ে সে ইচ্ছাও পোষণ করছিলেন। তাই তারা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আষল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ এতে তোমাদের কোন লাভ নেই। কারণ আল্লাহ তা-আলা কিয়ামত পর্যন্ত যত জীবন সৃষ্টি করবেন, তা সবই লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। মুজাহিদ (রহঃ) কাযআ (রহঃ)-এর মধ্যস্থতায় আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যত জীবন সৃষ্টি করার সিদ্ধাস্ত করা হয়েছে আল্লাহ তায়াআলা অবশ্যই তা সৃষ্টি করবেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৯০৫

নভে. 122013
 

কুতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন স্ত্রীর সাথে সহবাসের ইচ্ছা করে এবং সে বলে আল্লাহর নামে শুরু করছি। হে আল্লাহ! আমাদেরকে শয়তান থেকে পৃথক রাখুন। এবং আপনি আমাদের যে রিযিক দান করেন তা থেকে শয়তানকে পৃথক রাখুন এবং উভয়ের মাধ্যমে যদি কোন সন্তান নির্ধারণ করা হয় তাহলে শয়তান কখনো তার ক্ষতি করতে পারে না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৮৯২

নভে. 082013
 

উসমান ইবন আবূ শায়বা (রহঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিত তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ স্ত্রীর সঙ্গে সংত হওয়ার ইচ্ছা করলে সে বলবে আল্লাহর নামে! হে আল্লাহ আপনি আমাদের শয়তান থেকে দূরে রাখুন এবং আপনি আমাদেরকে যা দান করেন তা থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন তারপর তাদের এ মিলনের মধ্যে যদি কোন সন্তান নির্ধারিত থাকে তা হলে শয়তান এ সন্তানকে কখনো ক্ষতি করতে পরবে না।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ দু’আ হাদিস নাম্বারঃ ৫৯৪৬

নভে. 052013
 

আবূল হাসান মুহাম্মদ ইবন মুকাতিল (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, একবার এক ব্যাক্তি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) -এর খেদমতে এসে বললঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ)! আমি তো ধবংস হয়ে গেছি। তিনি বললেনঃ ওয়ায়লাকা- (আফসোস তোমার জন্য) এরপর সে বলল আমি রামযানের মধ্যেই দিনের বেলায় আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে ফেলেছি। তিনি বললেন একটা গোলাম আযাদ করে দাও সে বলল: আমার কাছে তা নেই। তিনি বললেনঃ তা হলে তুমি লাগাতার দুমাস সাওম (রোযা) পালন কর। সে বলল আমি এতেও সক্ষম নই। তিনি বললেনঃ তবে তুমি ষাটজন মিসকীনকে খাওয়াও। লোকটি বলল: আমি এর সামর্থ রাখি না। নাবী (সাঃ) -এর খিদমতে এক ঝূড়ি খেজুর এলো। তখন তিনি বললেনঃ এটা নিয়ে যাও এবং সাদাকা করে দাও। সে বললঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ)! তা কি আমার পরিবার ব্যতীত অন্যকে দেব? সেই সত্তার কসম! যার হাতে আমার প্রান। মদিনার উভয় প্রান্তের মধ্যে আমার চেয়ে অভাবী আর কেউ নেই। তখন নাবী (সাঃ) এমনভাবে হেসে দিলেন যে- তার পার্শের দাত পর্যন্ত প্রকাশ পেল। তিনি বললেনঃ তবে তুমিই নিয়ে যাও।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭৩৩

নভে. 052013
 

মুসা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বললেন, এক বাক্তি নাবী (সাঃ) এর নিকট এসে বলল আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। আমি রামাযানে (দিনে) আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে ফেলেছি। তিনি বললেনঃ তুমি একটি গোলাম আযাদ করে দাও। সে বলল আমার গোলাম নেই। তিনি বললেনঃ তাহলে একধারে দুমাস সিয়াম পালন কর। সে বলল: এতেও আমি সক্ষম নই। নাবী (সাঃ) বললেনঃ তবে ষাটজন মিসকীনকে খাবার দাও। সে বলল: তারও আমার সামর্থ নেই। তখন এক ঝূড়ি খেজুর এল। নাবী (সাঃ) বললেনঃ প্রশ্নকারী ব্যাক্তিটি কোথায়? এইটি নিয়ে সাদাকা করে দাও। লোকটি বললঃ আমার চেয়ে বেশী অভাবগ্রস্ত আর কে? আল্লাহর কসম! মদিনার উভয় প্রান্তের মধ্যবর্তী স্থলে এমন কোন পরিবার নেই, যে আমাদের চেয়ে বেশী অভাবগ্রস্ত। তখন নাবী (সাঃ) এমনভাবে হেসে দিলেন যে, তার চোয়ালের দাতগুলো প্রকাশ পেল এবং তিনি বললেনঃ তাহলে এখন এটা তোমরাই খেয়ে নাও।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৬৫৮

নভে. 032013
 

আদম (রহঃ) ইবন আববাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন তার স্ত্রীর নিকট গমন করে এবং বলে ‘‘হে আল্লাহ! আমাকে শয়তান হতে রক্ষা কর আর আমাকে এ দ্বারা যে সন্মান দিবে তাকেও শয়তানের প্রভাব হতে হেফাজত কর। তাহলে যদি তাদের কোন সন্তান জন্মায়, তবে শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না এবং তার উপর কোন কর্তৃত্বও চলবে না। আসমা (রহঃ) ইবন আববাস (রাঃ) থেকে অনুরূপ রেওয়ায়েত করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সৃষ্টির সূচনা হাদিস নাম্বারঃ ৩০৫৩

নভে. 032013
 

মূসা ইবন ইসমাঈল (রহঃ) ইবন আববাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, দেখ, তোমাদের কেউ যখন তার স্ত্রীর নিকট আসে, আর তখন বলে, বিসমিল্লাহ। হে আল্লাহ! আমাদেরকে শয়তানের প্রভাব হতে দুরে রাখ। আর আমাদেরকে যে সন্তান দান করবে তাকেও শয়তানের প্রভাব হতে বাঁচিয়ে রাখ। এরপর তাদেরকে যে সন্তান দান করা হবে তাকে শয়তান কোন ক্ষতি করতে পারবে না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সৃষ্টির সূচনা হাদিস নাম্বারঃ ৩০৪৩

অক্টো. 312013
 

মুসাদ্দাদ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সুত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেছেনঃ সন্তান হল শয্যাধিপতির।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ উত্তরাধিকার হাদিস নাম্বারঃ ৬২৯৪