নভে. 122013
 

মূসাদ্দাদ (রহঃ) যায়িদ ইবন খালিদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সময় একবার বৃষ্টি হলো। বললেনঃ আল্লাহ বলছেন, বৃষ্টিকে কেন্দ্র করে) আমার বান্দাদের কিছু সংখ্যক আমার সাথে কুফরী করছে, আর কিছু সংখ্যক ঈমান এনেছে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৯৯৪

নভে. 052013
 

আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী (সাঃ) বললেনঃ ওয়ায়লাকুম অথবা ওয়ায়হাকুম (তোমাদের জন্য আফসোস) আমার পরে তোমরা আবার কাফির হয়ে যেয়ো না। যাতে তোমরা একে অন্যের গর্দান মারবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭৩৫

নভে. 052013
 

সুলায়মান ইবন হারব (রহঃ) আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন সে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ মুসলমানের গালি দেয়া ফাসিকী (কবীরা গুনাহ) এবং এক অন্যের সাথে মারামারি করা কুফরী। শুবা (রহঃ) সূত্রে গুনদারও অনুরুপ বর্ণনা করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৬১৮

নভে. 052013
 

আদাম (রহঃ) আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ কোন ব্যাক্তি ঈমানের স্বাদ পাবে না, যতক্ষন না সে কোন মানুষকে একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে ভালবাসবে, আর যতক্ষণ না সে যে কুফরী থেকে আল্লাহ তাকে উদ্ধার করেছেন, তার দিকে ফিরে যাওয়ার চাইতে আগুন নিক্ষিপ্ত হওয়াকে সর্যাধিক প্রিয় মনে করবে এবং যতক্ষণ না আল্লাহ ও তাঁর রাসুল তার কাছে অন্য সব কিছুর চেয়ে অধিক প্রিয় হবেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৬১৫

নভে. 042013
 

খাল্লাদ ইবন ইয়াহইয়া (রহঃ) হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নিফাক বস্তুত নাবী (সাঃ) -এর যুগে ছিল। আর এখন হল তা ঈমান গ্রহণের পর কুফরী।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ফিতনা হাদিস নাম্বারঃ ৬৬২৯

নভে. 032013
 

আবদুল্লাহ ইবন ইউসুফ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাঃ) বলেছেন, ‘কুফুরীর মূল পূবদিকে, গর্ব এবং অহংকার ঘোড়া এবং উটের মালিকদের মধ্যে এবং গ্রাম্য কৃষকদের মাঝে , আর শাস্তি ছাগপালের মালিকদের মাঝে। ’

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সৃষ্টির সূচনা হাদিস নাম্বারঃ ৩০৬৯
এই হাদিসটিতে সমস্যা থাকতে পারে।

অক্টো. 312013
 

মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) জারীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাঃ) আমাকে বিদায় হাজ্জের (হজ্জ) প্রাক্কালে বলেছেনঃ লোকদেরকে-নীরব কর, তোমরা আমার পরে ফূকুরমুখী হয়ে যেয়ো না যে, তোমরা একে অপরের গর্দান উড়াবে। আবূ বকর ও ইবন আব্বাস (রাঃ) নাবী (সাঃ) থেকে (অনুরুপ) বর্ণনা করেছেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ রক্তপন হাদিস নাম্বারঃ ৬৪০৩

অক্টো. 312013
 

আবূল ওয়ালীদ (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) সুত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ তোমরা আমার পরে কুফরমুখী হয়ে যেয়ো না যে তোমরা একে অপরের গর্দান উড়াবে না।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ রক্তপন হাদিস নাম্বারঃ ৬৪০২

অক্টো. 312013
 

আসবাগ ইবন ফারাজ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের পিতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিও না (অস্বীকার করো না)। কেননা, যে ব্যাক্তি আপন পিতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় (পিতাকে অস্বীকার করে) এটি কুফরী।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ উত্তরাধিকার হাদিস নাম্বারঃ ৬৩১১

অক্টো. 282013
 

মুহাম্মদ ইবন কাসীর (রহঃ) ইবন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কুরাইশরা যখন ইসলাম গ্রহণে দেরী করছিল, তখন নাবী (সাঃ) তাদের বিরুদ্ধে দু’আ করলেন। পরিনামে তাদেরকে এমনভাবে দুর্ভিক্ষ গ্রাস করল যে, তারা বিনাশ হতে লাগল এবং মৃতদেহ ও হাড়গোড় খেতে লাগল। তখন আবূ সুফিয়ান (ইসলাম গ্রহণের পূর্বে) নাবী (সাঃ) এর কাছে এসে বলল, হে মুহাম্মদ! তুমি তো আত্মীয়দের সাথে সদ্ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়ে থাক। অথচ তোমার কউম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তুমি মহান আল্লাহর নিকট দু’আ কর। তখন তিনি তিলাওয়াত করলেন, ফারতাকিব ইয়াওমা তা’তিস সামা উ বিদুখানিম মুবিন’। তুমি অপেক্ষা কর সে দিনের যে দিন আসমানে প্রকাশ্য ধূঁয়া দেখা যাবে। তারপর (আল্লাহ যখন তাদের বিপদ মুক্ত করলেন তখন) তারা আবার কুফরীর দিকে ফিরে গেল। এর পরিণতি স্বরুপ আল্লাহর এ বাণীঃ “ইয়াওমা নাবতিশুল বাতসাতাল কুবরা’ যেদিন আমি কঠোর ভাবে পাকড়াও করব অর্থাৎ বদরের দিন। মানসুর (রহঃ) থেকে (বর্ণনাকারী) আসবাত (রহঃ) আরো বলেছেন, রাসূল (সাঃ) দু’আ করেন। ফলে লোকজনের উপর বৃষ্টিপাত হয় এবং অবিরাম সাতদিন পর্যন্ত বর্ষিত হতে থাকে। লোকেরা অতিবৃষ্টির বিষয়টি পেশ করল। তখন নাবী (সাঃ) দু’আ করে বলেন, হে আল্লাহ! আমাদের আশে পাশে, আমাদের উপরে নয়। তারপর তাঁর মাথার উপর থেকে মেঘ সরে গেল। তাদের পার্শ্ববর্তী লোকদের উপর বর্ষিত হল।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বৃষ্টির জন্য দু’আ হাদিস নাম্বারঃ ৯৬৫