নভে. 222013
 

উবায়দ ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, মানুষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সম্মানিত ব্যাক্তি কে? তিনি উত্তর দিলেন, তাদের মধ্যে যে আল্লাহকে সবচেয়ে বেশী ভয় করে। তারা বললেন, আমরা আপনাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করিনি। তিনি বললেন, তাহলে, মানুষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সম্মানিত ব্যাক্তি হলেন, আল্লাহর নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইউসুফ ইবনু আল্লাহর নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (ইয়াকুব) ইবনু আল্লাহর নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (ইসহাক) ইবনু আল্লাহর খলিল (ইব্‌রাহীম) আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তাঁরা বললেন, আমরা আপনাকে এ বিষয়েও জিজ্ঞাসা করিনি। তখন তিনি বললেন, তাহলে তোমরা আমার কাছে আরবের খনি অর্থাৎ গোত্রগুলোর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছ? (তাহলে শুন) মানুষ খনি বিশেষ, জাহিলিয়্যাতের যুগে যারা তাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যাক্তি ছিল, ইসলামেও তাঁরা সর্বোত্তম ব্যাক্তি, যদি তারা ইসলামী জ্ঞান লাভ করে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আম্বিয়া কিরাম (আঃ) হাদিস নাম্বারঃ ৩১৪৪

নভে. 122013
 

আব্দুল্লাহ ইবনু আবূল আসওয়াদ (রহঃ) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিত। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অতীত যুগের এক ব্যাক্তি সম্পর্কে আলোচনা করলেন। অথবা তিনি বলেছেনঃ তোমাদের পূর্বে যারা ছিলেন তাদের এক ব্যাক্তি তিনি তার সম্পর্কে বললেনঃ অর্থাৎ আল্লাহ তাকে স, পদ ও সন্তান দান করলেন। যখন তার মৃত্যু উপস্থিত হল তখন সে তার সন্তানদেরকে বলল, আমি তোমাদের জন্য কেমন পিতা ছিলাম? তারা বলল, উত্তম পিতা। তখন সে বলল, সে যে আল্লাহর কাছে কোন প্রকার নেক আমল রেখে যেতে পারেনি। অতএব, আল্লাহ (তার উপর) সমর্থ হলে, অবশ্যই তাকে আযাব দিবেন। অতএব তোমরা লক্ষ্য রাখবে, আমার মৃত্যু হলে তোমরা আমাকে আগুনে পুড়িয়ে দেবে। এরপর যখন আমি কয়লা হয়ে যাব, তখন ছাই করে ফেলবে। তারপর যেদিন প্রচুর বাতাসের দিন হবে সেদিন বাতাসে উড়িয়ে দেবে। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ পিতা এ বিষয়ে সন্তানদের থেকে প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করল। আমার প্রতিপালকের কসম! সন্তানরা তাই করল। এক প্রচণ্ড বাতাসের দিনে তাকে ছড়িয়ে দিল। তারপর মহান আল্লাহ নির্দেশ দিলেন। তুমি অতিতে এসে যাও। তৎক্ষণাৎ সে উঠে দাড়াল। মহান আল্লাহ তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমার বান্দাহ তুমি যা করেছ তা কেন করলে? সে উত্তর করল, তোমার ভয়ে। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ এর বিনিময়ে তাকে মাফ করে দিলেন। রাবী আবার অন্য বর্ণনায় বলেছেনঃ আল্লাহ ক্ষমা দ্বারাই এর বিনিময় দিলেন। বর্ননাকারী বলেনঃ আমি এ হাদীস আবূ উসমানের কাছে বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ আমি হাদীসটি সালমান (রাঃ) থেকে শুনেছি। তবে তিনি এটুকু সংযোগ করেছেন, আমাকে সমুদ্রে ছড়িয়ে দাও। রাবী বলেনঃ কিংবা তিনি বলেছেনঃ, অথবা যেরুপ তিনি বর্ণনা করেছেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৯৯৯

নভে. 082013
 

মূসা ইবন ইসমাঈল (রহঃ) আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পূর্ব অথবা তোমাদের পূর্ন যুগের এক ব্যাক্তির কথা উল্লেখ করলেন। আল্লাহ তাআলা তাকে ধন-সস্পদ ও সন্তানাদি দান করেছিলেন। যখন সে মৃত্যুর সম্মুর্খীনহল তখন সে তার সন্তানদেরকে জিজ্ঞাসা করলো, আমি তোমাদের কেমন পিতা ছিলাম? তারা বলল, উত্তম। সে বললো, যে আল্লাহর কাছে কোন সম্পদ সঞ্চয় রাখেনি, সে আল্লাহর কাছে হাযির হলে তিনি তাকে শাস্তি দেবেন। তোমরা লক্ষ্য রাখবে, আমি মারা গেলে আমাকে জালিয়ে দেবে। আমি যখন কয়লা হয়ে যাব তাকে ছাই ভস্ম করে ফেলবে। অতঃপর যখন প্রবল বাতাস বইবে, তখন তোমরা তা তাতে উড়িয়ে দেবে। এভাবে সে তাদের নিকট থেকে অঙ্গীকার নিল। বাযী বলেনঃ আমার প্রতিপালকের কসম! তারা যথাযথ তাই করল। অতঃপর আল্লাহ তাআলা বললেনঃ অস্বিত্তে এসে যাও। হঠাৎ এক ব্যাক্তিরুপে দণ্ডায়মান হল। তখন তিনি বললেনঃ হে আমার বান্দা! তুমি এমনটি কেন করলে? সে বললো তা একমাত্র আপনার ভয়ে। তখন তিনি এর প্রতিদানে তাকে ক্ষমা করে দিলেন আপনার ভীতি অথবা আপনার থেকে সরে থাকার কারণে। আমি আবূ উসমানকে বর্ণনা করেছি, তিনি বলেছেনঃ আমি সালমানকে অনেছি, তিনি এতদ্ব্যতীত অতিরিক্ত করেছেন আমার ভম্মগুলো সমুদ্রে ছিটিয়ে দেবে। অথবা তিনি যেমনটি বর্ণনা করেছেন। মু’আয (রহঃ) উকবা (রহঃ) বলেনঃ আমি আবূ সাঈদ (রাঃ)-কে শুনেছি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৬০৩৭

নভে. 082013
 

উসমান ইবন আবূ শায়বা (রহঃ) হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মাতের এক ব্যাক্তি ছিল, যে তার আমল সম্পর্কে তুচ্ছ ধারনা পোষণ করত। সে তার পরিবারের লোকদেরকে বলল, যখন আমি মারা যাবো, তখন তোমরা আমাকে নিয়ে (জ্বালিয়ে দিবে) অতঃপর প্রচণ্ড গরমের দিনে আমার ভস্মগুলো সমুদ্রে ছিটিয়ে দেবে। তার পরিবারের লোকেরা সে অনুযায়ী কাজ করলো। অতঃপর আল্লাহ তায়াআলা সেই ভস্ম একত্রিত করে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি যা করলে, তা কেন করলে, সে বললো, একমাত্র আপনার ভিতি আমাকে এটিতে বাধ্য করেছে। অতঃপর আল্লাহ তায়ালা তাকে ক্ষমা করে করলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৬০৩৬

নভে. 052013
 

উম্মে ইবন হাফয (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একবার নাবী (সাঃ) নিজে কোন কাজ করলেন এবং অন্যদের তা করার অনুমতি দিলেন। তথাপি একদল লোক তা থেকে বিরত রইল। এ খবর নাবী (সাঃ) -এর নিকট পৌছলে তিনি ভাষণ দিলেন এবং আল্লাহর প্রশংসার পর বললেন কিছু লোকের কি হয়েছে। তারা এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে চায়, যা আমি নিজে করছি। আল্লাহর কসম! আমি আল্লাহর সম্পর্কে তাদের চেয়ে অধিক জ্ঞাত এবং আমি তাকে তাদের চাইতে অনেক বেশী ভয় করি।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৬৭১

অক্টো. 272013
 

মুহাম্মাদ ইবন সালাম (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত। নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ সাত প্রকারের লোক, যাদেরকে আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার ছায়াতলে আশ্রয় দিবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ভিন্ন অন্য কোন ছায়া হবে না। ১/ ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ ২/ আল্লাহর ইবাদতে নিয়োজিত যুবক। ৩/ এমন যে ব্যাক্তি আল্লাহকে নির্জনে স্বরণ করে আর তার চক্ষুযূগল অশ্রুসিক্ত হয়। ৪/ এমন ব্যাক্তি যার অন্তর মসজিদে আটকে থাকে। ৫/ এমন দু-ব্যাক্তি যারা আল্লাহর উদ্দেশ্যে পরস্পর ভালোবাসা স্থাপন করে। ৬/ এমন ব্যাক্তি যাকে কোন সুন্দরী রুপসী রমনী নিজের দিকে আহব্বান করল; আর সে বলল, আমি আল্লাহকে ভয় করি। ৭/ এমন ব্যাক্তি যে সাদকা করল আর এমন গোপনে করল যে, তার বাম হাত জাননা যে তার ডান হাত কি করে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কাফের ও ধর্মত্যাগী হাদিস নাম্বারঃ ৬৩৫০

অক্টো. 132013
 

আবূ নু‘মান (রহঃ) যিয়াদ ইবন ‘ইলাকা (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ মুগীরা ইবন শু’বা (রাঃ) যেদিন ইন্তেকাল করেন সেদিন আমি জারীর ইবন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) এর কাছ থেকে শুনেছি, তিনি (মিম্বরে) দাঁড়িয়ে আল্লাহর হামদ ও সানা বর্ণনা করে বললেন, তোমরা ভয় কর এক আল্লাহকে যাঁর কোন শরীক নাই, এবং নতুন কোন আমীর না আসা পর্যন্ত শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখ, অনতিবিলম্বে তোমাদের আমীর আসবেন। এরপর জারীর (রাঃ) বললেন, তোমাদের আমীরের জন্য মাগফিরাত কামনা কর, কেননা তিনি ক্ষমা করা ভালবাসতেন। তারপর বললেন, একবার আমি রাসূল (সাঃ) এর কাছে এসে বললাম, আমি আপনার কাছে ইসলামের বায়’আয় গ্রহণ করতে চাই। তিনি (অন্যান্য বিষয়ের সাথে) আমার উপর শর্ত আরোপ করলেনঃ আর সকল মুসলমানের কল্যাণ কামনা করবে। তারপর আমি তাঁর কাছে এ শর্তের উপর বায়’আত গ্রহণ করলাম। এ মসজিদের রবের কসম! আমি তোমাদের কল্যাণকামী। এরপর তিনি আল্লাহর কাছে মাগফিরাত কামনা করলেন এবং (মিম্বর থেকে) নেমে গেলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ঈমান হাদিস নাম্বারঃ ৫৬

অক্টো. 122013
 

ইবরাহীম ইব্‌ন মুনযির (রহঃ) আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাঃ) বলেছেন, একবার তিনজন লোক পথ চলছিল, তারা বৃষ্টিতে আক্রান্ত হল। অতঃপর তারা এক পাহাড়ের গুহায় আশ্রয় নিল। হঠাৎ পাহাড় থেকে এক খণ্ড পাথর পড়ে তাদের গুহার মুখ বন্ধ হয়ে গেল। তখন তারা একে অপরকে বলল, নিজেদের কৃত কিছু সৎকাজের কথা ছিন্তা করে বের করো, যা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা হয়েছে এবং তার ওয়াসীলা করে আল্লাহর নিকট দু’আ করো। তাহলে হয়ত আল্লাহ তোমাদের উপর থেকে পাথরটি সরিয়ে দিবেন। তাদের একজন বলতে লাগলো, হে আল্লাহ! আমার আব্বা-আম্মা খুব বৃদ্ধ ছিলেন এবং আমার ছোট ছোট সন্তানও ছিলো। আমি তাদের ভরণ-পোষণের জন্য পশু পালন করতাম। সন্ধায় যখন আমি বাড়ি ফিরতাম তখন দুধ দহন করতাম এবং আমার সন্তানদের আগে আমার আব্বা-আম্মাকে পান করাতাম। একদিন আমার ফিরতে দেরী হয় এবং সন্ধ্যা হওয়ার আগে আসতে পারলাম না। এসে দেখি তারা ঘুমিয়ে পড়েছেন। তখন আমি দুধ দোহন করলাম, যেমন প্রতিদিন দোহন করি। তারপর আমি তাঁদের শিয়রে (দুধ নিয়ে) দাঁড়িয়ে রইলাম। তাদেরকে জাগানো আমি পছন্দ করিনি এবং তাঁদের আগে আমার বাচ্চাদেরকে পান করানোও অসঙ্গত মনে করি। অথচ বাচ্চাগুলো আমার পায়ের কাছে পড়ে কান্নাকাটি করছিলো। এভাবে ভোর হল। হে আল্লাহ, আপনি জানেন আমি যদি শুধু আপনার সন্তুষ্টির জন্যই এ কাজটি করে থাকি তবে আপনি আমাদের থেকে পাথরটা খানিক সরিয়ে দিন, যাতে আমরা আসমানটা দেখতে পাই। তখন আল্লাহ পাথরটাকে একটু সরিয়ে দিলেন এবং তারা আসমান দেখতে পেলো। দ্বিতীয় ব্যাক্তি বলল, হে আল্লাহ! আমার এক চাচাত বোন ছিলো। পুরুষরা যেমন মহিলাদেরকে ভালোবাসে, আমি তাকে তার চাইতে অধিক ভালোবাসতাম। একদিন আমি তার কাছে চেয়ে বসলাম (অর্থাৎ খারাপ কাজ করতে চাইলাম) কিন্তু তা সে অস্বীকার করলো যে, পর্যন্ত না আমি তার জন্য একশ’ দিনার নিয়ে আসি। পরে চেষ্টা করে আমি তা জোগাড় করলাম (এবং তার কাছে এলাম)। যখন আমি তার দু’পায়ের মাঝে বসলাম (অর্থাৎ সম্ভোগ করতে তৈরি হলাম) তখন সে বলল, হে আল্লাহর বান্দা, আল্লাহকে ভয় করো। অন্যায় ভাবে মাহ্‌র (পর্দা) ছিড়ে দিয়ো না (অর্থাৎ আমার কুমারী সতীত্ব নষ্ট করো না) তখন আমি দাঁড়িয়ে গেলাম। হে আল্লাহ! আপনি জানেন আমি যদি শুধু আপনার সন্তুষ্টির জন্য এ কাজটি করে থাকি। তবে আপনি আমাদের জন্য পাথরটা সরিয়ে দিন। তখন পাথরটা কিছু সরে গেলো। তৃতীয় ব্যাক্তি বলল, হে আল্লাহ! আমি এক ফারাক চাউলের বিনিময়ে একজন শ্রমিক নিযুক্ত করেছিলাম। যখন সে তার কাজ শেষ করলো আমাকে বলল, আমার পাওনা দিয়ে দাও। আমি তাকে তার পাওনা দিতে গেলে সে তা নিল না। আমি তা দিয়ে কৃষি কাজ করতে লাগলাম এবং এর দ্বারা অনেক গরু ও তার রাখাল জমা করলাম। বেশ কিছুদিন পর সে আমার কাছে আসল এবং বলল, আল্লাহকে ভয় করো (আমার মজুরী দাও)। আমি বললাম, ওই সব গরু ও রাখাল নিয়ে নাও। সে বলল, আল্লাহকে ভয় কর, আমার সাথে ঠাট্টা করো না। আমি বললাম, আমি তোমার সাথে ঠাট্টা করছি না, ওইগুলো নিয়ে নাও। তখন সে তা নিয়ে গেলো। হে আল্লাহ, আপনি জানেন, যদি আমি আপনার সন্তুষ্টি লাভের জন্য এ কাজটি করে থাকি, তবে পাথরের বাকীটুকু সরিয়ে দিন। তখন আল্লাহ পাথরটাকে সরিয়ে দিলেন। আবূ আবদুল্লাহ্‌ (বুখারী (রহঃ)) বলেন ইব্‌ন উকবা (রহঃ) ………… এর স্থলে ……… বর্ণনা করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বর্গাচাষ হাদিস নাম্বারঃ ২১৮২

অক্টো. 072013
 

ইসহাক ইবন ইবরাহীম (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ কোন সন্তান যখন জন্মগ্রহণ করে, তবে স্বভাবধর্মের (ইসলাম) ওপরই জন্মগ্রহন করে। কিন্তু তার পিতামাতা (পরবর্তীতে) তাকে ইয়াহুদি বা নাসারা বানিয়ে দেয়। যেমন কোন চতূস্পদ প্রাণী যখন বাচ্চা প্রদান করে তখন কি কানকাটা (ত্রুটিযুক্ত) দেখতে পাও? যতক্ষন তোমরা তার কানকেটে ক্রটিযুক্ত করে দাও। তখন সাহাবাগণ আরয করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! নাবালিগ অবস্থায় যে মৃত্যূবরণ করে তার সম্পর্কে আপনার অভিমত কি? তিনি বললেনঃ তারা যা করত এ সম্পর্কে আল্লাহ তা-আলা সর্বাধিক অবহিত।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাকদির হাদিস নাম্বারঃ ৬১৪৭

অক্টো. 032013
 

মুহাম্মদ ইব্‌ন সালাম (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) সাহাবীদের যখন কোন আমলের নির্দেশ দিতেন তখন তাঁরা যতটুকু সমর্থ্য রাখতেন ততটুকুরই নির্দেশ দিতেন। একবার তাঁরা বললেন, ‘ইয়া রাসূল (সাঃ)! আমরা তো আপনার মত নই। আল্লাহ্ তা’আলা আপনার পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সকল ত্রুটি মাফ করে দিয়েছেন। ’ একথা শুনে তিনি রাগ করলেন, এমনকি তাঁর চেহারা মুবারকে রাগের চিহ্ন প্রকাশ পাচ্ছিল। এরপর তিনি বললেনঃ তোমাদের চাইতে আল্লাহকে আমিই বেশি ভয় করি ও বেশি জানি।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ঈমান হাদিস নাম্বারঃ ১৯