নভে. 132013
 

হযরত ইয়াহইয়া ইবনু বুকাইর (রহঃ) হযরত সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, এক মহিলা একটি বুরদা আনলেন। সাহল (রাঃ) বললেন, তোমরা জানো বুরদা কি? তাকে বলা হয়, হ্যাঁ, তা হল এমন চাদর, যার পাড় বুনানো। মহিলা বললেন, ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) , আপনাকে পরিধান করানোর জন্য আমি এটি নিজ হাতে বুনে নিয়ে এসেছি। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা গ্রহন করলেন এবং তাঁর এর প্রয়োজন ছিল। তারপর তিনি তা তহবন্দরুপে পরিধান করে আমাদের সামনে এলেন। উপস্থিত লোকজনের মধ্যে একজন বলে উঠলেন, ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) , তা আমাকে পরিধান করতে দিন। তিনি বললেন, আচ্ছা। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিছুক্ষন মজলিসে বসে পরে ফিরে গেলেন। তারপর চাদরটি ভাঁজ করে সেই লোকটির কাছে পাঠিয়ে দিলেন। লোকজন সে ব্যাক্তিকে বললেন, তুমি ভালো কাজ করনি, তুমি তাঁর [রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর] কাছে চাদরটি চেয়ে ফেললে, অথচ তুমি জানোো যে, তিনি কোন সাওয়ালকারীকে ফিরিয়ে দেননা। সে লোকটি বললেন, মহান আল্লাহ্ তা’আলার কসম, আমি চাদরটি এ জন্যই সাওয়াল করেছি যে, তা যাতে আমার মৃত্যুর পর আমার কাফন হয়। রাবী সাহল (রাঃ) বলেন, সেটি তার কাফন হয়েছিল।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ক্রয় – বিক্রয় হাদিস নাম্বারঃ ১৯৬৩

নভে. 112013
 

কুতাইবা (রহঃ)………… আমর ইবন মায়মুন আওদী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি উমর (রাঃ)কে দেখেছি, তিনি আপন পুত্র আব্দুল্লাহ (রাঃ)কে ডেকে বললেন, তুমি উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রাঃ)কে গিয়ে বল, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) আপনাকে সালাম জানিয়েছেন। এরপর আমাকে আপন সাথীদ্বয় (নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও আবূ বকর (রাঃ))-এর পাশে দাফন করতে তিনি রাজি আছেন কি না?১ আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমি পূর্ব থেকেই নিজের জন্য এর আশা পোষণ করতাম, কিন্তু আজ উমর (রাঃ)কে নিজের উপর প্রাধান্য দিচ্ছি। আব্দুল্লাহ (রাঃ) ফিরে এলে উমর (রাঃ) তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, কি বার্তা নিয়ে এলে? তিনি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! তিনি (আয়িশা (রাঃ)) আপনার জন্য অনুমতি প্রদান করেছেন। উমর (রাঃ) বললেন, সেখানে শয্যা লাভ করাই আমার কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মৃত্যুর পর আমার শবদেহ বহন করে (আয়িশা (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত করে) তাঁকে সালাম জানিয়ে বলবে, উমর ইবন খাত্তাব (পুনরায়) আপনার অনুমতি প্রার্থনা করেছেন। তিনি অনুমতি দিলে, সেখানে আমাকে দাফন করবে। অন্যথায় মুসলমানদের সাধারণ কবরস্থানে ফিরিয়ে নিয়ে আসবে। তারপর উমর (রাঃ)বলেন, এ কয়েকজন ব্যাক্তি যাঁদের সম্পর্কে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মৃত্যু পর্যন্ত সন্তুষ্ট ছিলেন, তাঁদের অপেক্ষা অন্য কাউকে আমি এ কিলাফতের (দায়িত্ব পালনে) অধিক যোগ্য বলে মনে করি না। তাই আমার পর তাঁরা (তাঁদের মধ্য থেকে) যাঁকে খলীফা মনোনীত করবেন তিনি খলীফা হবেন। তোমরা সকলেই তাঁর আদেশ মেনে চলবে, তাঁর আনুগত্য করবে। এ বলে তিনি উসমান, আলী, তালহা, যুবাইর, আব্দুর রহমান ইবন আওফ ও সা’দ ইবন আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)ম-এর নাম উল্লেখ করলেন। এ সময়ে এক আনসারী যুবক উমর (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললো, হে আমীরুল মু’মিনীন! আল্লাহ প্রদত্ত সুসংবাদ গ্রহণ করুন। আপনি ইসলামের ছায়াতলে দীর্ঘদিন অতিবাহিত করার সৌভাগ্য লাভ করেছেন যা আপনিও জানেন। এরপর আপনাকে খলীফা নিযুক্ত করা হয় এবং আপনি ন্যায়বিচার করেছেন। সর্বোপরি আপনি শাহাদাত লাভ করছেন। উমর (রাঃ) বললেন, হে ভাতিজা! যদি তা আমার জন্য লাভ লোকসানের না হয়ে বরাবর হয়, তবে কতই না ভাল হবে। (তিনি বললেন) আমার পরবর্তী খলীফাকে ওয়াসিয়্যাত করে যাচ্ছি, তিনি যেন প্রথম দিকের মুহাজিরদের ব্যাপারে যত্নবান হন, তাঁদের হক আদায় করে চলেন, যেন তাদের যথাযথ সম্মান করেন। আমি তাঁকে আনসারদের ব্যাপারেও সদাচারের উপদেশ দেই, যারা ঈমান ও মদিনাকে আঁকড়ে ধরে রয়েছেন, যেন তাঁদের মধ্যকার সৎকর্মশীলদের কাজের স্বীকৃতি প্রদান করা হয় এবং তাঁদের মধ্যকার (লঘু) অপরাধীকে ক্ষমা করেদেওয়া হয়। সর্বশেষ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর দায়িত্বভূক্ত (সর্বস্তরের মু’মিনদের সম্পর্কে) সতর্ক করে দিচ্ছি যেন মু’মিনদের সাথে কৃত প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করা হয়, তাদের রক্ষার জন্য যুদ্ধ করা হয় এবং সাধ্যাতীত কোন দায়িত্ব তাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া না হয়। ১ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর রাওযা মুবারক আয়িশা (রাঃ)- এর ঘর বিধায় এর মালিকানা তাঁর থাকায় উমর (রাঃ)- এর দাফনের অনুমতির প্রয়োজন ছিল।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জানাযা হাদিস নাম্বারঃ ১৩১০

নভে. 112013
 

ফারওয়া (রহঃ)…………… উরওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ওয়ালীদ ইবন আব্দুল মালিক এর শাসনামলে যখন (রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর রওযার) বেষ্টনী দেওয়াল ধ্বসে পড়ে, তখন তাঁরা সংস্কার করতে আরম্ভ করলে একটি পা প্রকাশ পায়, তা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কদম মুবারক বলে ধারণা করার কারণে লোকেরা খুব ঘাবড়ে যায়। সনাক্ত করার মত কাউকে তারা পায় নি। অবশেষে উরওয়া (রাঃ) তাদের বললেন, আল্লাহর কসম! এ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কদম মুবারক নয় বরং এতো উমর (রাঃ) এর পা। (ইমাম বুখারী বলেন) হিশাম (রহঃ) তার পিতা সূত্রে……আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন যুবাইর (রাঃ) কে অসিয়্যত করেছিলেন, আমাকে তাঁদের নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও তাঁর দু’ সাহাবীর পাশে দাফন করবে না। বরং আমাকে আমার সঙ্গিনী(অন্যান্য উম্মুল মু’মিনীন)-দের সাথে গারাকাদে বাকীতে দাফন করবে। (নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর পাশে সমাহিত হওয়ার কারণে আমি যেন বিশেস প্রশংসিত না হই।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জানাযা হাদিস নাম্বারঃ ১৩০৯

নভে. 112013
 

মুহাম্মদ ইবন মুকাতিল (রহঃ) …… সুফিয়ান তাম্মার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর রওযা উটের কুজের ন্যায় (উঁচু) দেখেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জানাযা হাদিস নাম্বারঃ ১৩০৮

নভে. 112013
 

মূসা ইবন ইসমাঈল (রহঃ) …… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অন্তিম রোগশয্যায় বলেন, ইয়াহুদী ও নাসারাদের প্রতি আল্লাহর লা’নত হোক। কারণ, তারা নিজেদের নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) গণের কবরকে সিজদার স্থানে পরিণত করেছে। (রাবী উরওয়া বলেন) এরূপ আশংকা না থাকলে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কবরকে (ঘরের বেষ্টনীতে সংরক্ষিত না রেখে) খোলা রাখা হতো। কিন্তু তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আশংকা করেন বা আশংকা করা হয় যে, পরবর্তীতে একে মসজিদে পরিণত করা হবে। রাবী হিলাল (রহঃ) বলেন, উরওয়া আমাকে ( আবূ আমর) কুনিয়াতে ভূষিত করেন আর তখন পর্যন্ত আমি কোন সন্তানের পিতা হইনি।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জানাযা হাদিস নাম্বারঃ ১৩০৭

নভে. 112013
 

ইসমাঈল ও মুহাম্মদ ইবন হারব (রহঃ) ………… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রোগশয্যায় (স্ত্রীগণের নিকট অবস্থানের) পালার সময় কাল জানতে চাইতেন। আমার অবস্থান আজ কোথায় হবে? আগামী কাল কোথায় হবে? আয়িশা (রাঃ) এর পালা বিলম্বিত হচ্ছে বলে ধারণা করেই এ প্রশ্ন করতেন। (আয়িশা (রাঃ) বলেন) যেদিন আমার পালা আসলো, সেদিন আল্লাহ তাঁকে আমার কণ্ঠদেশ ও বক্ষের মাঝে (হেলান দেওয়া অবস্থায়) রূহ কবয করলেন এবং আমার ঘরে তাঁকে দাফন করা হয়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জানাযা হাদিস নাম্বারঃ ১৩০৬

নভে. 112013
 

মু’আল্লা ইবন আসাদ (রহঃ) ……………আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবূ বকর (রাঃ)এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, কয় খণ্ড কাপড়ে তোমরা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে কাফন দিয়েছিলে? আয়িশা (রাঃ) বললেন, তিন খণ্ড সাদা সাহুলী কাপড়ে, এগুলোতে (সেলাইকৃত) জামা ও পাগড়ী ছিল না। তিনি আবার জিজ্ঞাসা করলেন, কোন দিন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তেকাল করেন? আয়িশা (রাঃ) বললেন, সোমবার। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, আজ কি বার? তিনি (আয়িশা রা ) বললেন, আজ সোমবার। তিনি ( আবূ বকর রা ) বললেন, আমি আশা করি এখন থেকে আগত রাতের মধ্যে (আমার মৃত্যু হবে)। এরপর অসুস্থকালীন আপন পরিধেয় কাপড়ের প্রতি লক্ষ্য করে তাতে জাফরানী রং এর চিহ্ন দেখতে পেয়ে বললেন, আমার এ কাপড়টি ধুয়ে তার সাথে আরো দু’খণ্ড কাপড় বৃদ্ধি করে আমার কাফন দিবে। আমি (আয়িশ) বললাম, এটা (পরিধেয় কাপড়টি) পুরাতন। তিনি বললেন, মৃত ব্যাক্তির চেয়ে জীবিতদের নতুন কাপড়ের প্রয়োজন অধিক। আর কাফন হল বিগলিত শবদেহের জন্য। তিনি মঙ্গলবার রাতের সন্ধ্যায় ইনতিকাল করেন, প্রভাতের পূর্বেই তাঁকে দাফন করা হয়।

নভে. 112013
 

কুতাইবা রহ…… আবূ সায়ীদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: মৃত ব্যাক্তিকে খাটিয়ায় রেখে লোকেরা যখন কাঁধে বহণ করে নিয়ে যায় তখন সে নেককার হলে বলতে থাকে, আমাকে এগিয়ে নিয়ে চল, আমাকে এগিয়ে নিয়ে চল, আর সে নেককার না হলে বলতে থাকে হায় আপসোস! এটাকে নিয়ে তোমরা কোথায় যাচ্ছ? মানুষ ব্যতিত সব কিছুই তার এ আওয়াজ শুনতে পায়। মানুষেরা তা শুনতে পেলে অবশ্যই বেহুঁশ হয়ে যেত।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জানাযা হাদিস নাম্বারঃ ১২৯৭

নভে. 112013
 

ইসমাঈল রহ ……… আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের কেউ মারা গেলে অবশ্যই তার সামনে সকাল ও সন্ধ্যায় তার অবস্থানস্থল উপস্থাপন করা হয়। যদি সে জান্নাতী হয়, তবে (অবস্থান স্থল) জান্নাতীদের মধ্যে দেখানো হয়। আর সে জাহান্নামী হলে, তাকে জাহান্নামীদের (অবস্থান স্থল দেখানো হয়) আর তাকে বলা হয়, এ হচ্ছে তোমার অবস্থানস্থল, কিয়ামত দিবসে আল্লাহ পাক তোমাকে উত্থিত করা পর্যন্ত।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জানাযা হাদিস নাম্বারঃ ১২৯৬

নভে. 112013
 

কুতাইবা রহ …… ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একবার) নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু’টি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন- ঐ দু’জনকে আযাব দেওয়া হচ্ছে আর কোন কঠিন কাজের কারণে তাদের আযাব দেওয়া হচ্ছে না। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: হাঁ (আযাব দেওয়া হচ্ছে) তবে তাদের একজন পরনিন্দা করে বেড়াত, অন্যজন তার পেশাবের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করত না। (রাবী বলেন) এরপর তিনি একটি ডাল নিয়ে তা দু’খণ্ডে ভেঙ্গে ফেললেন। তারপর সে দু’ খণ্ডের প্রতিটি এক এক কবরে পুঁতে দিলেন। এরপর বললেন: আশা করা যায় যে এ দু’টি শুকিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত তাদের আযাব লঘু করা হবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জানাযা হাদিস নাম্বারঃ ১২৯৫