নভে. 212013
 

আবূ’ন নু’মান (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিত যে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ মদিনা এখান থেকে ওখান পর্যন্ত হারম (রুপে গন্য)। সুতরাং তাঁর গাছ কাঁটা যাবে না এবং কুরআন –সুন্নাহর খেলাফ কোন কাজ মদিনায় করা যাবে না। কেই যদি কুরআন -সুন্নাহর খেলাফ কোন কাজ করে তাহলে তাঁর প্রতি আল্লাহর লা’নত এবং ফিরিশতাদের ও সকল মানুষের।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭৪৬

নভে. 212013
 

মুহাম্মদ ইবনু মূসান্না (রহঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ তা’আলা মক্কাকে সম্মানিত করেছেন। সুতরাং তা আমার পূর্বে কারো জন্য হালাল ছিল না এবং আমার পরেও কারো জন্য হালাল হবে না। তবে আমার জন্য তা কেবল কিছুদিনের জন্য হালাল করে দেয়া হয়েছিল। তাই এখানকার ঘাস, লতাপাতা কাঁটা যাবে না। কোন শিকার জন্তুকে তাড়ান যাবে না এবং কোন হারানো বস্তুকেও হস্তগর করা যাবে না। অবশ্য ঘোষনাকারী ব্যাক্তি এ নিয়মের ব্যতিক্রম। ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! স্বর্ণকার এবং আমাদের কবরে ব্যবহারের জন্য ইযখির ঘাস গুলোকে বাদ রাখুন। তিনি বল্ললেনঃ হাঁ ইযখির কে বাদ দিয়েই। খালিদ (রাঃ) ‘ইকরিমা (রহঃ) থেকে বর্ননা করেছেন, তিনি বলেছেন হারমের শিকার জানোয়ারকে তাড়ানো যাবে না, এর অর্থ তুমি কি যান? এর অর্থ হল ছায়া থেকে তাঁকে তাড়িয়ে তাঁর স্থানে অবতরন করা।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭১৪

নভে. 172013
 

মূসা ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) (আবদুল্লাহ) ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, খায়বারের যুদ্ধের সময় আমরা ক্ষুধায় পাচ্ছিলাম। খায়বার বিজয়ের দিন আমরা পালিত গাধার দিকে এগিয়ে গেলাম এভং তা যবেহ করলাম। যখন তা হাড়িতে বলক আসছিল তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর ঘোষণা দানকারী ঘোষণা দিলঃ তোমরা হাড়িগুলো উপুড় করে ফেল। গাধার গোশত থেকে তোমরা কিছুই খাবে না। আবদুল্লাহ (ইবনু আবূ আওফ) (রাঃ) বলেন, আমরা (কেউ কেউ) বললাম, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এজন্য নিষেধ করেছেন, যেহেতু তা থেকে খুমুস বের করা হয় নি। (রাবী বলেন) আর অন্যরা বললেন, বরং তিনি এটাকে নিশ্চিতভাবে হারাম করেছেন। (শায়বানী বলেন,)আমি এ ব্যাপারে সাঈদ ইবনু জুবায়র (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, নিশ্চিতভাবে তিনি তা হারাম করেছেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৯৩৪

নভে. 172013
 

মুহাম্মদ ইবনু সিনান (রহঃ) জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আমার জন্য গনীমতের মাল হারাম করা হয়েছে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৯০২

নভে. 142013
 

হযরত যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) হযরত আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্নিত, (একবার) রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক মৃত বকরীর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন, তোমরা এর চামড়া কাজে লাগাওনা কেন? তারা বললেন, এ তো মৃত। তিনি বললেন, শুধু তার গোশত খাওয়া হারাম করা হয়েছে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ক্রয় – বিক্রয় হাদিস নাম্বারঃ ২০৮০

নভে. 132013
 

হযরত ইসহাক (রহঃ) হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (মক্কা বিজয়ের দিন) বলেন, মহান আল্লাহ্ তা’আলা মক্কায় (রক্তপাত) হারাম করে দিয়েছেন। আমার আগেও কারো জন্য মক্কা হালাল করা হয়নি এবং আমার পরেও কারো জন্য হালাল করা হবেনা্ আমার জন্য শুধুমাত্র দিনের কিছু অংশে মক্কায় (রক্তপাত) হালাল হয়েছিল। মক্কার কোন ঘাস কাটা যাবেনা, কোন গাছ কাটা যাবেনা। কোন শিকারকে তাড়ানো যাবে না। ঘোষনাকারী ব্যতীত কেউ মক্কার যমীনে পড়ে থাকা মাল উঠাতে পারবেনা। তখন হযরত আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) বললেন, কিন্তু ইযখির ঘাস, যা আমাদের স্বর্নকারদের ও আমাদের ঘরের ছাদের জন্য ব্যাবহৃত, তা ব্যতীত। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ইযখির ঘাস ব্যতীত। রাবী ইকরামা (রহঃ) বলেন, তুমি জানো শিকার তাড়ানোর অর্থ কি? তা হল, ছায়ায় অবস্থিত শিকারকে তাড়িয়ে তার স্থানে নিজে বসা। আবদুল ওহাব (রহঃ), খালিদ (রহঃ) সূত্রে বলেছেন, আমাদের স্বর্নকারদের জন্য ও আমাদের কবরের জন্য।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ক্রয় – বিক্রয় হাদিস নাম্বারঃ ১৯৬০

নভে. 122013
 

উমর ইবন হাফস ইবন গিয়াস (রহঃ) আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আল্লাহর চেয়ে বেশি আত্মমর্যাদা সম্পন্ন আর কেউ নেই। এই কারণেই তিনি অশ্লীলতাকে হারাম করে দিয়েছেন। এমন কেউ নেই যে, আত্নপ্রশংসা আল্লাহর চেয়ে অধিক ভালবাসে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৮৯৯

নভে. 102013
 

ইবন ইসমাঈল (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ গুই সাপ আমি খাই না, আর হারামও বলিনা।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যবাহ করা, শিকার করা হাদিস নাম্বারঃ ৫১৩৮

নভে. 102013
 

মূসাদ্দাদ (রহঃ) বারাআ ও ইবন আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তারা বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যবাহ করা, শিকার করা হাদিস নাম্বারঃ ৫১২৮

নভে. 082013
 

মুহাম্মাদ (রহঃ) সালামা ইবন আফওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একবার আমরা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সঙ্গে খায়বার অভিযানে বের হলাম। সেনাবাহিনীর এক ব্যাক্তি বললেনঃ ওহে আমির! যদি আপনি আপনার ছোট ছোট কবিতা থেকে কিছুটা আমাদের শোনাতেন? তখন তিনি সাওয়ারী থেকে নেমে হুদী গাইতে গাইতে বাহন হাকিয়ে নিতে শুরু করলেন। তাতে উল্লেখ করলেনঃ আল্লাহ তাআলা না হলে আমরা হেদায়েত পেতাম না। (রাবী বলেন) এ ছাড়া আরও কিছু কবিতা তিনি আবৃতি করলেন, যা আমি স্বরন রাখতে পরিনি। তখন রাসুলুলাহ জিজ্ঞাসা করলেন: এ উট চালক লোকটি কে? সাথীরা বললেনঃ উনি আমির ইবন আকওয়া। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তার উপর রহম করুন। তখন দলের একজন বললেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আপনি তার দু’আর সাথে আমাদেরকেও শামিল করলে ভাল হতো না? এরপর যখন মুজাহিদগন কাতার বন্ধী হয়ে শত্রুর সাথে যুদ্ধ করলেন। এ সময় আমির (রাঃ) তাঁর নিজের তরবারীর অগ্রভাগের আঘাতে আহত হলেন এবং এ আঘাতের দরুন তিনি মারা গেলেন। এদিন লোকেরা সন্ধ্যার পর (পাকের জন্য) বিচ্ছিন্নভাবে অনেক আগুন জানালেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞাসা করলেনঃ এ সব আগুন কিসের? এসব আগুন দিয়ে তোমরা কি জাল দিচ্ছ। তারা বললেন আমরা গৃহপালিত গাধার মাংস জাল দিচ্ছি। তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ ডেগগুলোর মধ্যে যা আছে, তা সব-ফেলে দাও এবং ভেগগুলোও ভেংগে ফেল। এক ব্যাক্তি বললেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ! ডেগগুলোর মধ্যে যা আছে তা ফেলে দিলে এবং পাত্রগুলো ধূয়ে নিলে চলবে না? তিনি বললেনঃ তবে তাই কর।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ দু’আ হাদিস নাম্বারঃ ৫৮৯২