নভে. 212013
 

‘আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলতেন, আমি যদি মদিনাতে কোন হরিণকে বেড়াতে দেখি তাহলে তাঁকে আমি তাড়াবো না। কেননা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ মদিনার কংকরময় দুই এলাকার মধ্যবর্তী এলাকা হল হারম বা সম্মানিত স্থান।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭৫২

নভে. 212013
 

মুহাম্মদ ইবনু বাশশআর (রহঃ) ’আলী (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আল্লাহর কিতাব এবং নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্নিত এই সহীফা ছাড়া আর কিছুই নাই। তিনি আরো বলেন, ’আয়ির নামক স্থান থেকে অমুক স্থান পর্যন্ত মদিনা হল হারম। যদি কেউ এতে কুরআন –সুন্নাহর খেলাফ অসঙ্গত কোন কাজ করে অথবা কুরআন- সুন্নাহর খেলাফ, আচরণকারী আশ্রয় দেয়, তাহলে তাঁর উপর আল্লাহর লা’নত এবং সকল ফেরেশতা এবং মানুষের। সে ব্যাক্তির কোন নফল এবং ফরজ ইবাদাত কবুল করা হবে না। তিনি আরো বলেন, মুসলমান কর্তৃক নিরাপত্তাদানের অধিকার সকলের ক্ষেত্রে সমান। তাই যে ব্যাক্তি কোন মুসলমানের দেওয়া নিরাপত্তাকে লঙ্ঘন করবে, তাঁর প্রতি আল্লাহর লা’নত এবং সকল মানুষের ও ফিরিশতাদের। আর কবুল করা হবে না তাঁদের কোন নফল এবং ফরজ ইবাদাত। যে ব্যাক্তি তাঁর মাওলার (মিত্রের) অনুমতি ব্যতীত অন্য অন্য কাওমের সাথে বন্ধুত্ব করবে, তাঁর প্রতিও আল্লাহর লা’নত এবং সকল ফেরেশতা ও মানুষের। সে ব্যাক্তির কোন নফল এবং ফরজ ইবাদাত কবুল করা হবে না। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, ‘’আদলুন অর্থ বিনিময়।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭৪৯

নভে. 212013
 

ইবরাহীম ইবনু মূসা (রহঃ) ’উকবা ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিন বলেন, আমার বোন পায়ে হেটে হাজ্জ (হজ্জ) করার মানত করেছিল। আমাকে এ বিশয়ে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে ফতোয়া আনার নির্দেশ করলে আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বিষয়টি সম্মপরকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ পায়ে হেঁটেও চলুক, সওয়ার ও হোক। ইয়াযিদ ইবনু আবূ হাবীব (রহঃ) বলেন, আবূল খায়ের (রহঃ) ‘উকবা (রাঃ) থেকে কখনো বিচ্ছিন্ন হতেন না।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭৪৪

নভে. 212013
 

মুহাম্মদ ইবনু সালাম (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিত যে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক বৃদ্ধ ব্যাক্তিকে তাঁর দুই ছেলের উপর ভর করে হেটে যেতে দেখে বললেনঃ তাঁর কি হয়েছে? তাঁরা বললেন, তিনি পায়ে হেটে হাজ্জ (হজ্জ) করার মানত করেছে। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ লোকটি নিজেকে কষ্ট দিক আল্লাহ তা’আলার এর কোন প্রয়োজন নেই। তাই তিনি তাঁকে সওয়ার হয়ে চলার জন্য আদেশ করলেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭৪৩

নভে. 212013
 

‘আব্দান (রহঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাজ্জ (হজ্জ) থেকে ফিরে এসে উম্মে সিনান (রাঃ) নামক এক আনসারই মহিলাকে বললেনঃ হাজ্জ (হজ্জ) আদায় করাতে তোমাকে কিসে বাধা দিলঃ তিনি বলেন, অমুকের আব্বা অর্থাৎ তাঁর স্বামী, কারন পানি টানার জন্য আমাদের মাত্র দু’টি উট আছে। এক্টিতে সওয়ার হয়ে তিনি হাজ্জ (হজ্জ) আদায় করতে গিয়েছেন। আর অন্য টিতে আমাদের জমিতে পানি সিঞ্চনের কাজ করছে। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ রমযান মাসে একটি ‘উমরা আদায় করা একটি ফরজ হাজ্জ (হজ্জ) আদায় করার সমান অথবা বলেছেনঃ আমার সাথে একটি হাজ্জ (হজ্জ) আদায় করার সমান। হাদীসটি ইবনু জুরায়াজ (রহঃ) ’আতা (রহঃ) ও ইবনু ‘আব্বাস (রহঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ননা করেছেন এবং ‘উবায়দুল্লাহ (রহঃ) জাবির (রাঃ) এর সূত্রে এ হাদীসটি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ননা করেছেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭৪১

নভে. 212013
 

আবূন নু’মান (রহঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রহঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ মেয়েরা মাহরাম (যার সঙ্গে বিবাহ নিষিদ্ধ) ব্যতীত অন্য কারো সাথে সফর করবে না। মাহরাম কাছে নেই এমতবস্থায় কোন পুরুষ কোন মহিলার নিকট গমন করতে পারবে না। এ সময় এক ব্যাক্তি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি অমুক অমুক সেনাদলের সাথে জিহাদ করার জন্য যেতে চাচ্ছি। কিন্তু আমার স্ত্রী হাজ্জ (হজ্জ) করতে যেতে চাচ্ছে। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাঁর সাথেই যাও।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭৪৮

নভে. 212013
 

মূসা’দ্দাদ (রহঃ) উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি বল্লামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি আপনাদের সঙ্গে যুদ্ধ ও জিহাদে অংশ করব না? তিনি বলেন, তোমাদের জন্য উত্তম জিহাদ হল মাকবূল হাজ্জ (হজ্জ)। ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এ কথা শোনার পর আমি আর কখনো হাজ্জ (হজ্জ) ছাড়ব না।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭৩৯

নভে. 212013
 

‘আমর ইবনু যুরারা (রহঃ) উমর ইবনু ‘আব্দুল ‘আযীয (রহঃ) থেকে বর্নিত, তিনি সায়িব ইবনু সম্পর্কে বলতেন, সায়িবকে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সফর সামগ্রীর কাছে বসিয়ে হাজ্জ (হজ্জ) করানো হয়েছে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭৩৮

নভে. 212013
 

‘আব্দুর রাহমান ইবনু ইউনুস (রহঃ) সায়িব ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমার সাত বছর বয়সে আমাকে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে হাজ্জ (হজ্জ) করানো হয়েছে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭৩৭

নভে. 212013
 

ইসহাক (রহঃ) ’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি আমার গাধীর পিঠে আরোহন করে (মিনায়) আগমন করলাম। তখন আমি সাবালক হওয়ার নিকটবর্তী ছিলাম। ঐ সময়ে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিনায় দাঁড়িয়ে সালাত (নামায) আসায় করছিলেন। আমি চলতে চলতে প্রথম কাতারের কিছু অংশ অতিক্রম করে চলে যাই। এরপর সওয়ারী থেকে নিচে অবতরন করি। গাধাটি চরে খেতে লাগল। আর আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর পেছনে লোকদের সাথে লোকদের সাথে কাতারে শামিল হয়ে যাই। ইউসুফ (রহঃ) ইবনু শিহাব (রহঃ) সূত্রে তাঁর বর্ননায় “মিনা’ শব্দের পর ‘বিদায় হাজ্জের (হজ্জ) সময়’ কথাটি বর্ননা করেছেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭৩৬