নভে. 172013
 

ইসহাক (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন যে, প্রত্যেক দিন যাতে সূর্য উদিত হয়, তাতে মানুষের দেহের প্রতিটি জোড়া হতে একটি মানুষের প্রত্যেক জোড়ার প্রতি সদকা রয়েছে। পতি দিন যাতে সূর্য উদিত হয়। দু’জন লোকের মধ্যে সুবিচার করাও সা’দকা। কাউকে সাহায্য করে সাওয়ারীতে আরোহণ করিয়ে দেওয়া বা তার উপরে তার মালপত্র তুলে দেওয়াও সা’দকা। ভাল কথাও সা’দকা। সালাত (নামায) আদায়ের উদ্দেশ্যে পথ চলায় প্রতিটি কদমেও সা’দকা। রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করাও সা’দকা।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭৮১

নভে. 092013
 

আবূ নুয়ায়ম (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) বর্ননা করেন। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর যামানায় আমার খেয়াল হলো যে, আমি নিজ হাতে আল্লাহর কোন সৃষ্টির সাহায্য ছাড়া এমন একটা ঘর বানিয়ে নেই, যা আমাকে বৃষ্টির পানি থেকে ঢেকে রাখে এবং আমাকে রোদ থেকে ছায়া দান করে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অনুমতি চাওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৮৬৪

নভে. 062013
 

সুলায়মান ইবন হারব (রহঃ) বারা ইবন আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাঃ) আমাদের সাতটি কাজের আদেশ দিয়েছেন এবং সাতটি কাজ থেকে নিষেধ করেছেন। রোগীর দেখাশোনা করতে, জানাযার সঙ্গে যেতে, হাচিদাতার জবাব দিতে, দাওয়াত গ্রহণ করতে, সালামের জবাব দিতে, মানূষের সাহায্য করতে এবং কসম পূরা করতে আমাদের আদেশ দিয়েছেন। আর সোনার আংটি অথবা বালা ব্যবহার করতে, সাধারণ রেশমী কাপড় পরতে, মিহিন রেশমী কাপড়, রেশমী যিন ব্যবহার করতে, কাসীই ব্যবহার করতে এবং রৌপ্য পাত্র ব্যবহার করতে আমাদের নিষেধ করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭৮৯

নভে. 052013
 

আবূল ইয়ামান ও ইসরাঈল (রহঃ) হাসসান ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হে আবূ হুরায়রা! আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি। আপনি কি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে একথা বলতে শুনেছেন যে ওহে হাসসান! তুমি আল্লাহর রাসুলের তরফ থেকে পাণ্টা জবাব দাও। হে আল্লাহ! তুমি জিবরাঈল (আঃ)-এর মাধ্যমে তাকে সাহায্য করে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন: হাঁ।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭২১

নভে. 052013
 

আদম (রহঃ) আবূ মুসা আশ আরী (রাঃ) থেখে বর্নিত। তিনি বলেন নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ প্রত্যেক মুসলমানেয়ই সাদাকা করা আবশ্যক। উপস্থিত লোকজন বললোঃ যদি সে সাদাকা করার মত কিছু না পায়। তিনি বললেনঃ তাহলে সে নিজের হাতে কাজ করবে। এতে সে নিজেও উপকৃত হবে এবং সাদাকা করবে। তারা বলল: যদি সে সক্ষম না হয় অথবা বলেছেনঃ যদি সে না করে? তিনি বললেনঃ তা হলে সে যেন বিপদগ্রস্থ মাযলূমের সাহায্য করে। লোকেরা বলল: সে যদি তা না করে? তিনি বললেনঃ তা হলে সে সৎ কাজের নির্দেশ দিবে, অথবা বলেছেন, সাওয়াবের কাজের আদেশ দিবে। তারা বলল: তাও যদি সে না করে? তিনি বললেনঃ তা হলে সে মন্দ কাজ থেকে বেঁচে থাকে। কারণ, এই তার জন্য সাদাকা।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৫৯৭

নভে. 052013
 

আব্দুল্লাহ ইবন মাসালামা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বললেনঃ নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ বিধবা ও মিসকীনদের অভাব দুর করার চেষ্টারত ব্যাক্তি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারীর তুল্য। হিমাম বুখারী (রহঃ) বলেনঃ) আমার ধারণা যে কানাবী (বুখায়ীর উস্তাদ আব্দুল্লাহ) সন্দেহ প্রকাশ করেছেনঃ সে সারারাত দণ্ডায়মান ব্যাক্তির ন্যায় যে (ইবাদতে) ক্লান্ত হয় না এবং এমন সিয়াম পালনকারীর ন্যায় যে সিয়াম ভাঙ্গে না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৫৮২

নভে. 042013
 

আলী ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) উসামা (রাঃ) –এর গোলাম হারমালা (রহঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেনঃ উসামা (রাঃ) আমাকে আলী (রাঃ)-এর কাছে পাঠালেন। আর তিনি বলে দিলেন যে, সেখানে যাওয়ার পরই (আলী (রাঃ)) তোমাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে, তোমার সঙ্গীকে (আমার সহযোগিতা থেকে) কিসে পিছনে (বিরত) রেখেছে? তুমি তাঁকে বলবে, তিনি আপনার কাছে এ কথা বলে পাঠিয়েছেন যে, যদি আপনি সিংহের মুখে পতিত হন, তবুও আমি আপনার সঙ্গে সেখানে থাকাকে ভাল মনে করব। তবে এ বিষয়টি (অর্থাৎ মূসলমানদের পরস্পরিক যুদ্ধ) আমি ভাল মনে করছি না। (হারমালা বলেন) তিনি (আলী (রাঃ)) আমাকে কিছুই দিলেন না। এরপর আমি হাসান, হুসাইন ও আব্দুল্লাহ ইবন জাফর (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তাঁরা আমার বাহন (মাল বোঝাই করে দিলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ফিতনা হাদিস নাম্বারঃ ৬৬২৫

নভে. 032013
 

আলী ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) সাঈদ ইবন মুসা ইয়্যাব (রাঃ) থেকে বীর্ণত, তিনি বলেন, একদা উমর (রাঃ) মসজিদে নববীতে আগমন করেন, তখন হাসসান ইবন সাবিত (রাঃ) কবিতা আবৃত্তি করছিলেন। (উমর (রাঃ) তাঁকে বাঁধা দিলেন) তখন তিনি বললেন, এখানে আপনার চেয়ে উত্তম ব্যাক্তি (রাসূল (সাঃ) -এর উপস্থিতিতেও আমি কবিতা আবৃত্তি করতাম। তারপর তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর দিকে তাকালেন এবং বললেন, আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি; আপনি রাসূল (সাঃ) -কে বলতে শুনেছেন যে, তুমি আমার পক্ষ থেকে জবাব দাও। ‘‘হে আল্লাহ! আপনি তাকে রুহুল কুদ্দুস (জিবরাঈল আলাইহি ওয়া সাল্লাম দ্বারা সাহায্য করুন। ’’ তিনি উত্তরে বললেন, হ্যাঁ।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সৃষ্টির সূচনা হাদিস নাম্বারঃ ২৯৮৫

নভে. 032013
 

আদম (রহঃ) ইবন আববাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাঃ) বলেন, পূবালী বায়ু দ্বারা আমাকে সাহায্য করা হয়েছে, আর পশ্চিমের বায়ু দ্বারা আদ জাতিকে ধবংস করা হয়েছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সৃষ্টির সূচনা হাদিস নাম্বারঃ ২৯৭৮

নভে. 012013
 

আদাম (রহঃ) বারা ইবন আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। বলেন, নাবী (সাঃ) আমাদের সাতটি জিনিস থের্কে নিষেধ করেছেন: স্বর্ণের আংটি বা তিনি বলেছেন। স্বর্নের বলয়, মিহি রেশম, মোটা রেশম ও রেশম মিশ্রিত কাপড় রেশম এর তৈরী লাল রঙের পেলান বা হাওদা, রেশম মিশ্রিত কিসসী কাপড় ও রুপার পাত্র আর আমাদের সাতটি কাজের আদেশ করেছেনঃ রোগীর শশ্রুষা, জানাযার পেছনে চলা, হাচির উত্তর দেওয়া, সালামের জবাব দেওয়া, দাওয়াত, গ্রহন করা, কসমকারীর কসম পূরনে সাহায্য করা এবং মাযলূম ব্যাক্তির সাহায্য করা।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পোষাক-পরিচ্ছদ হাদিস নাম্বারঃ ৫৪৪৪