অক্টো. 212013
 

আবূ নু’আযম (রহঃ) আবূ রাফি (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ প্রতিবেশী তার সংলগ্ন ভূমির ব্যাপারে সর্বাধিক হকদার। কেউ কেউ বলেন, কেউ যদি কোন একটি বাড়ী বিশ হাজার দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করে, ঐ বিশ হাজার দিরহাম পরিশোধ করার সময় এ কৌশল গ্রহণ করাতে কোন দোস নেই যে, ক্রেতা বিক্রেতাকে ন’হাজার ন’শ নিরানব্বই দিরহাম ও বিশ হাজারের বাকী দিরহামের পরিবর্তে এক দ্বীনার নগদ প্রদান করবে। এখন যদি শুফ্আর অধিকারী শুফ্আর দাবি করে, তাহলে এই বাড়ী বিশ হাজার দিরহামের বিনিময়ে নিতে হবে। এছাড়া তার এ বাড়ী পাওয়ার আর কোন পন্থা নেই। আর যিদ এ বাড়ীর কোন মালিক বের হয়ে যায়, তাহলে ক্রেতা বিক্রেতাকে দেয়া দামই ফেরত দেবে। আর তা হল ন’হাজার ন’শ নিরানব্বই দিরহাম ও এক দ্বীনার। কেননা, যখন বিক্রিত বস্তুর মূল মালিক বের হয়ে গেছে তখন দ্বীনারের “রায়এ- সারফ” বাতিল হয়ে গেছে। আর যদি ক্রেতা বাড়ীতে কোন দোষ পায়, তার কোন মালিক বের না হয়, তাহলে ক্রেতা বাড়ী ফেরত দেবে ও বিক্রেতা ক্রেতাকে বিশ হাজার দিরহাম দেবে। আবূ আবদুল্লাহ্(ইমাম বুখারী) (রহঃ) বলেনঃ মূলত এরূপ করা মুসলমানদের মধ্যে ধোকাবাজিকে বৈধতা দেওয়ার নামান্তর। রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ মুসলমানদের ক্রয়-বিক্রয়ের কোন ………, অপবিত্রতা।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কূটকৌশল হাদিস নাম্বারঃ ৬৫০৯

অক্টো. 122013
 

মূসা ইব্‌ন ইসমাঈল (রহঃ) ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যাপারে এক ব্যাক্তিকে ধোঁকা দেওয়া হত। তখন রাসূল (সাঃ) বললেন, তুমি যখন বেচা-কেনা কর তখন বলে দেবে যে, ধোঁকা দিবে না। এরপর সে এ কথাই বলত।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কলহ- বিবাদ হাদিস নাম্বারঃ ২২৫৪

অক্টো. 032013
 

আবু হুরাইরা রা. এর হাদীস:- একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি দোকানের খাদ্যের স্তুপের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। তখন তিনি স্তুপের ভিতর হাত ঢুকিয়ে দিয়ে হাত বের করে দেখলেন তার হাতের আঙ্গুল গুলো ভেজা। তখন তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন- এ অবস্থা কেন ?

উত্তরে সে বলল, এ গুলো বৃষ্টিতে ভিজে গেছে। তখন তিনি তাকে বললেন- তাহলে তুমি এগুলোকে উপরে রাখলে না কেন? যাতে লোকেরা দেখতে পেত। মনে রাখবে- যে ধোঁকা দেয়, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।

[মুসলিম: ১০৬]