নভে. 222013
 

আলী ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন (হিজরত করে) মদিনায় আগমন করেন, তখন তিনি মদিনাবাসীকে এমনভাবে পেলেন যে, তারা একদিন সাওম (রোযা) পালন করে অর্থাৎ সে দিনটি হল আশুরার দিন। (জিজ্ঞাসা করার পর) তারা বলল, এটি একটি মহান দিবস। এ এমন দিন যে দিনে আল্লাহ মূসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম -কে নাজাত দিয়েছেন এবং ফিরাউনের সম্প্রদায়কে ডুবিয়ে দিয়েছেন। এরপর মূসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম শুকরিয়া হিসাবে এদিন সাওম (রোযা) পালন করেছেন। তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তাদের তুলনায় আমি হলাম মূসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর অধিক ঘনিষ্ঠ। কাজেই তিনি নিজেও এদিন সাওম (রোযা) পালন করেছেন এবং (সবাইকে) এদিন সাওম (রোযা) পালনের আদেশ দিয়েছেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আম্বিয়া কিরাম (আঃ) হাদিস নাম্বারঃ ৩১৫৮

নভে. 182013
 

ইয়াহইয়া ইবনু বুকাইর এবং মুহাম্মদ ইবনু মুকাতিল (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রমযানের সাওম (রোযা) ফরয হওয়ার পূর্বে মুসলিমগণ ‘আশূরার সাওম (রোযা) পালন করতেন। সে দিনই কাবাঘর (গিলাফে) আবৃত করা হতো। তারপর আল্লাহ যখন রমযানের সাওম (রোযা) ফরয করলেন, তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ ‘আশূরার সাওম (রোযা) যার ইচ্ছা সে পালন করবে আর যার ইচ্ছা সে ছেড়ে দিবে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৪৯৭

নভে. 152013
 

মক্কী ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) সালামা ইবনু আকওয়া ‘ (রাঃ)থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন , নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসলাম গোত্রের এক ব্যাক্তিকে লোকজনের মধ্যে এ মর্মে ঘোষণা দিতে আদেশ করলেন যে , যে ব্যাক্তি খেয়েছে , সে যেন দিনের বাকি অংশে সাওম (রোযা) পালন করে আর যে খায় নাই , সে যেন সাওম (রোযা) পালন করে। কেননা আজকের দিন ‘আশুরার দিন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৮৮১

নভে. 152013
 

‘উবায়দুল্লাহ ইবনু মূসা (রহঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন , আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে ‘আশুরার দিনের সাওম (রোযা) র উপরে অন্য দিনের সাওম (রোযা)কে প্রাধান্য প্রদান করতে দেখি নাই এবং এ মাস অর্থাৎ রমযান মাস (এর উপর অন্য মাসের গুরুত্ব প্রদান করতেও দেখি নাই )।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৮৮০

নভে. 152013
 

‘আলী ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন , ‘আশূরার দিনকে ইয়াহুদীগণ ঈদ মনে করত। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন : তোমরাও এ দিনে সাওম (রোযা) পালন কর।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৮৭৯

নভে. 152013
 

আবূ মা’মার (রহঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদিনায় আগমন করে দেখতে পেলেন যে , ইয়াহুদীগণ ‘আশুরার দিনে সাওম (রোযা) পালন করে। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন : কি ব্যাপার? (তোমরা এ দিনে সাওম (রোযা) পালন কর কেন?) তারা বলল , এ অতি উত্তম দিন , এ দিনে আল্লাহ তা’আলা বনী ইসরাঈলকে তাদের শত্রুর কবল হতে নাজাত দান করেন , ফলে এ দিনে মূসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাওম (রোযা) পালন করেন। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন : আমি তোমাদের অপেক্ষা মূসার অধিক নিকটবর্তী , এরপর তিনি এ দিনে সাওম (রোযা) পালন করেন এবং সাওম (রোযা) পালনের নির্দেশ দেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৮৭৮

নভে. 152013
 

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামা (রহঃ) হুমায়দ ইবনু ‘আব্দুর রাহমান (রহঃ) থেকে বর্ণিত , যে বছর মু‘আবিয়া (রাঃ) হাজ্জ (হজ্জ) করেন সে বছর ‘আশূরার দিনে (মসজিদে নববীর) মিম্বরে তিনি (রাবী) তাঁকে বলতে শুনেছেন যে, হে মদিনাবাসিগণ! তোমাদের ‘আলিমগণ কোথায়? আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি যে, আজকে ‘আশুরার দিন , আল্লাহ তা‘আলা এর সাওম (রোযা) তোমাদের উপর ফরয করেননি বটে , তবে আমি (আজ) সাওম (রোযা) পালন করছি। যার ইচ্ছা সে সাওম (রোযা) পালন করুক যার ইচ্ছা সে পালন না করুক।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৮৭৭

নভে. 152013
 

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামা (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন , জাহিলিয়্যাতের যুগে কুরাইশগণ ‘আশুরার সাওম (রোযা) পালন করত এবং রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও এ সাওম (রোযা) পালন করতেন। যখন তিনি মদিনায় আগমন করেন তখনও এ সাওম (রোযা) পালন করেন এবং ত পালনের নির্দেশ দেন। যখন রমযানের সাওম (রোযা) ফরয করা হল তখন ‘আশুরার সাওম (রোযা) ছেড়ে দেয়া হল , যার ইচ্ছা সে পালন করবে আর যার ইচ্ছা পালন করবে না।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৮৭৬

নভে. 152013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন , রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রথমে ‘আশুরার দিনে সাওম (রোযা) পালনের নির্দেশ দিয়েছিলেন , পরে যখন রমযানের সাওম (রোযা) ফরয করা হল তখন যার ইচ্ছা (আশুরার) সাওম (রোযা) পালন করত আর যার ইচ্ছা করত না।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৮৭৫

নভে. 152013
 

আবূ ‘আসিম (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ‘আশুরার দিনে কেউ চাইলে সাওম (রোযা) পালন করতে পারে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৮৭৪