নভে. 212013
 

সুলায়মান ইবনু হারব (রহঃ) যিয়াদের আযাদকৃত গোলাম কাযা’আ (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি আবূ সা’ইদ (রাঃ) কে যিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে বারটি যুদ্ধে অনশগ্রহন করেছিলেন, বলতে শুনেছি, চারটি বিষয় যা আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি (অথবা) তিনি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ননা করতেন। আবূ সা’ইদ (রাঃ) বলেন, এ বিষয় গুলো আমাকে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আশ্চর্যা করে দিয়েছে এবং চমতকৃত করে ফেলেছে। (তা হল এই)স্বামী কিংবা মাহরাম ব্যতীত কোন মহিলা দুই দিনের পথ সফর করবে না। ‘ঈদুল ফিতর এবং ‘ঈদুল আযহা এ দুই দিন কেউ সাওম (রোযা) পালন করবে না। ‘আসরের পর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত এবং ফজরের পর সূর্য উদয় হওয়া পর্যন্ত কেউ সালাত (নামায) আদায় করবে না। মসজিদে হারাম, আমার মসজিদ এবং মসজিদে আকসা – এ তিন মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদের জন্য সফরের প্রস্তুতি গ্রহন করবে না।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭৪২

নভে. 182013
 

হাসান ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) ‘আবদুল ‘আযীয ইবনু রূফায়’ই (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ)-কে ফজরের সালাত (নামায)-এর পর তাওয়াফ করতে এবং দু’ রাক’আত (তাওয়াফের) সালাত (নামায) আদায় করতে দেখেছি। ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) আরও বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ)-কে ‘আসরের সালাত (নামায)-এর পর দু’ রাক’আত সালাত (নামায) আদায় করতে দেখেছি এবং তিনি বলেছেন ‘আয়িশা (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (আসরের সালাত (নামায)-এর পরের) এই দু’ রাক’আত সালাত (নামায) আদায় করা ব্যতীত তাঁর ঘরে প্রবেশ করতেন না।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৫৩১

নভে. 182013
 

ইবরাহীম ইবনু মুনযির (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ (ইবনু ‘উমর) (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে শুনেছি, তিনি সূর্যোদয়ের সময় এবং সূর্যাস্তের সময় সালাত (নামায) আদায় করতে নিষেধ করেছেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৫৩০

নভে. 182013
 

কুতাইবা ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং উসামা ইবনু যায়দ, বিলাল ও ‘উসমান ইবনু তালহা (রাঃ) বায়াতুল্লাহর ভিতর প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দিলেন। যখন খুলে দিলেন তখন প্রথম আমিই প্রবেশ করলাম এবং বিলালের সাক্ষাত পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি কাবার ভিতরে সালাত (নামায) আদায় করেছেন? তিনি বললেন, হাঁ, ইয়ামানের দিকের দু’টি স্তম্ভের মাঝখানে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৫০৩

নভে. 172013
 

মুহাম্মদ ইবনু সালাম (রহঃ) ইবরাহীম ইবনু তাইমী (রহঃ)-এর পিতা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আলী (রাঃ) আমাদের সামনে ভাষণ দিলেন এবং বললেন, আমাদের কাছে আল্লাহর কিতাব ও এই সাহীফায় যা আছে, তা ছাড়া অন্য কোন কিতাব নেই, যা আমরা পাঠ করে থাকি। তিনি বলেন, এ সাহীফায় রয়েছে, যখম সমূহের দন্ড বিধান, উটের বয়সের বিবরণ, এবং আইর পর্বত থেকে সত্তার পর্যন্ত মদিনা হারাম হওয়ার বিধান। যে ব্যাক্তি এর মধ্যে (সুন্নাত বিরোধী) বিদআত উদ্ভাবন করে কিংবা বিদআতীকে আশ্রয় দেয়, তার উপর আল্লাহ , ফিরিষতা ও সকল মানুষের লানত। আল্লাহ তাঁর কোন নফল ও ফরয ইবাদত কবূল করেন না। আর যে নিজ মাওলা (প্রভু) ব্যতীত অন্যকে (প্রভু) মাওলা রূপে গ্রহণ করে, তার উপর অনুরূপ লানত। আর নিরাপত্তা দানে সর্বসত্মরের মুসলিমগণ একই সত্মরের এবং যে ব্যাক্তি কোন মুসলিমের চুক্তি ভঙ্গ করে তার উপরও অনুরূপ সালাত (নামায)।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৯৪৮

নভে. 172013
 

ইবরাহীম ইবনু মুনযির (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকৈ বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসরের সালাত (নামায) তখন আদায় করতেন, যখন সূর্যের আলো তাঁর আঙ্গিনা থেকে বেরিয়ে যায়নি।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৮৪

নভে. 162013
 

হাসান ইবনু সাববাহ (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! কোন কাজ সর্বোত্তম? তিনি বললেন, ‘সময় মত সালাত (নামায) আদায় করা। আমি বললাম, ‘তারপর কোনটি? তিনি বললেন, ‘আল্লাহর পথে জিহাদ। ’ তারপর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে আর কিছু জিজ্ঞাসা না করে আমি চুপ রইলাম। আমি যদি (কথা) বাড়াতাম তবে তিনি আরো অধিক বলতেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৫৯১

নভে. 152013
 

মুহাম্মদ ইবনু মুকাতিল (রহঃ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-কে ইয়ামানের (শ্বাসক নিয়োগ করে) পাঠানোর সময় রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বলেছিলেনঃ তুমি আহলে কিতাবের কাছে যাচ্ছ। কাজেই তাদের কাছে যখন পৌঁছবে তখন তাদেরকে এ কথার দিকে দাওয়াত দিবে তারা যেন সাক্ষ্য দিয়ে বলে যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। যদি তারা তোমার এ কথা মেনে নেয় তবে তাদের বলবে যে, আল্লাহ তাদের উপর দিনে রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত (নামায) ফরয করেছেন। যদি তারা এ কথাও মেনে নেয় তবে তাদের বলবে যে, আল্লাহ তাদের উপর সা’দ্‌কা (যাকাত) ফরয করেছেন- যা তাদের ধনীদের নিকট থেকে গ্রহন করা হবে এবং অভাবগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণ করে দেওয়া হবে। তোমার এ কথা যদি তারা মেনে নেয়, তবে (কেবল) তাদের উত্তম মাল গ্রহণ থেকে বিরত থাকবে এবং মযলূমের বদদু’আকে ভয় করবে। কেননা, তার (বদদু’আ) এবং আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা থাকে না।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যাকাত হাদিস নাম্বারঃ ১৪০৯

নভে. 152013
 

হাজ্জাজ ইবনু মিনহাল (রহঃ) আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, যিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে বারটি যুদ্ধে অংশগ্রহন করেছেন , তিনি বলেন , আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে চারটি কথা শুনেছি, যা আমার খুব ভাল লেগেছে। তিনি বলেছেন , স্বামী অথবা মাহরাম (যার সঙ্গে বিবাহ নিষিদ্ধ)পুরুষ ছাড়া কোন নারী যেন দুই দিনের দূরত্বের সফর না করে। ঈদুল ফিতর ও কুরবানীর দিনে সাওম (রোযা) নেই। ফজরের সালাতের পরে সূর্যোদয় এবং ‘আসরের সালাত (নামায)-এর পরে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোন সালাত (নামায) নেই। মসজিদে হারাম , মসজিদে আকসা ও আমার এই মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদের উদ্দেশ্যে কেউ যেন সফর না করে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৮৭১

নভে. 152013
 

মূসা ইবনু ইসমা‘ঈল (রহঃ) আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন , রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঈদুল ফিতরের দিন এবং কুরবানীর ঈদের দিন সাওম (রোযা) পালন করা থেকে , ‘সাম্মা ’ ধরনের কাপড় পরিধান করতে , এক কাপড় পরিধানরত অবস্থায় দুই হাঁটু তুলে নিতম্বের উপর বসতে (কেননা এত সতর প্রকাশ পাওয়ার আশংকা রয়েছে)এবং ফজর ও ‘আসরের পরে সালাত (নামায) আদায় করতে নিষেধ করেছেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৮৬৮