অক্টো. 032013
 

মুসা ইবন ইসমায়ীল (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) সফরে ফরজ সালাত (নামায) ব্যতীত তার সাওয়ারীতে থেকেই ইশারায় রাতের সালাত (নামায) আদায় করতেন। সাওয়ারী যে দিকেই ফিরুক না কেন, আর তিনি বাহনের উপরেই বিতর আদায় করতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বিতর সালাত হাদিস নাম্বারঃ ৯৪৬

অক্টো. 032013
 

ইসমায়ীল (রহঃ) সায়ীদ ইবন ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) এর সঙ্গে মক্কার পথে সফর করছিলাম। সায়ীদ (রহঃ) বলেন, আমি যখন ফজর হওয়ার আশংকা করলাম, তখন সাওয়ারী থেকে নেমে পড়লাম এবং বিতরের সালাত (নামায) আদায় করলাম। এরপর তার সঙ্গে মিলিত হলাম। তখন আবদুল্লাহ ইবন ‍উমর (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কোথায় ছিলে? আমি বললাম, ভোর হওয়ার আশংকা করে নেমে বিতর আদায় করেছি। তখন আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বললেন, রাসূল (সাঃ) এর মধ্যে কি তোমার জন্য ‍উত্তম আর্দশ নেই? আমি বললাম, হ্যা, আল্লাহর কসম! তিনি বললেন, নাবী (সাঃ) উঠের পিঠে (আরোহী অবস্থায়) বিতরের সালাত (নামায) আদায় করতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বিতর সালাত হাদিস নাম্বারঃ ৯৪৫

অক্টো. 032013
 

মুসাদ্দাদ (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) খেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) বলেছেন: বিতরকে তোমাদের রাতের শেষ সালাত (নামায) করবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বিতর সালাত হাদিস নাম্বারঃ ৯৪৪

অক্টো. 032013
 

মুসাদ্দাদ (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) (রাতে) সালাত (নামায) আদায় করতেন, তখন আমি তার বিছানায় আড়াআড়িভাবে ঘুমিয়ে থাকতাম। এরপর তিনি যখন বিতর পড়ার ইচ্ছা করতেন, তখন আমাকে জাগিয়ে দিতেন এবং আমিও বিতর আদায় করে নিতাম।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বিতর সালাত হাদিস নাম্বারঃ ৯৪৩

অক্টো. 032013
 

উমর ইবন হাফস (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) খেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) রাতের সকল অংশে (অর্থাৎ ভিন্ন ভিন্ন রাতে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে) বিতর আদায় করতেন আর (জীবনের) শেষ দিকে সাহরীরর সময় তিনি বিতর আদায় করতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বিতর সালাত হাদিস নাম্বারঃ ৯৪২

অক্টো. 032013
 

আবূ নুমান (রহঃ) ‍আনাস ইবন সীরীন (রহঃ) খেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি ইবন উমার (রাঃ) কে বললাম, ফজরের পূর্বের দু’রাকাতে আমি কিরায়াত দীর্ঘ করব কি না, এ সম্পর্কে আপনার অভিমত কি? তিনি বললেন, নাবী (সাঃ) দু’দু’রাকাত করে সালাত (নামায) আদায় করতেন এবং এক রাকাতে মিলিয়ে বিতর পড়তেন। এরপর ফজরের সালাত (নামায)-এর পূর্বে তিনি দু’রাকাত এমন সময় আদায় করতেন যেন একামতের শব্দ তার কানে আসছে। রাবী হাম্মদ (রহঃ) বলেন, অর্থ্যাৎ দ্রুততার সাথে। (সংক্ষিপ্ত কিরআতে)

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বিতর সালাত হাদিস নাম্বারঃ ৯৪১

অক্টো. 032013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) এগার রাকাত সালাত (নামায) আদায় করতেন। এ ছিল তার রাত্রিকালীন সালাত (নামায)। এতে তিনি এমন দীর্ঘ সিজদা করতেন যে, তার মাথা উঠাবার আগে তোমাদের কেউ ৫০ আয়াত পড়তে পারে এবং ফজরের সালাত (নামায)-এর আগে তিনি আরো দু’রাকাত পড়তেন। ‍তারপর ডান কাত হয়ে শুয়ে বিশ্রাম করতেন, সালাত (নামায)-এর জন্য মুআযযিনের আসা পর্যন্ত।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বিতর সালাত হাদিস নাম্বারঃ ৯৪০

অক্টো. 032013
 

ইয়াহইয়া ইবন সুলাইমান (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, রাতের সালাত (নামায) দু’দু’রাকাত করে। তারপর যখন তুমি সালাত (নামায) শেষ করতে চাইবে, তখন এক রাকা’য়াত আদায় করে নিবে। তা তোমার পূর্ববতী সালাত (নামায)কে বিতর করে দিবে। কসিম (রহঃ) বলেন, আমরা সবালক হয়ে লোকদের তিন রাকা’আত বিতর আদায় করতে দেখেছি। উভয় নিয়মেই অবকাশ রয়েছে। আমি আশা করি এর কোনটিই দোষনীয় নয়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বিতর সালাত হাদিস নাম্বারঃ ৯৩৯

অক্টো. 032013
 

আবদুল্লাহ ইবন মাসলামা (রহঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন তার খালা উম্মুল মু’মিনীন মাইমুনা (রাঃ) এর ঘরে রাত কাটান। (তিনি বলেন) আমি বালিশের প্রস্থের দিক দিয়ে শয়ন করলাম এবং রাসূল (সাঃ) ও তার পরিবার সেটির দৈঘ্যের দিক দিয়ে শয়ন করলেন। নাবী (সাঃ) রাতের অর্ধেক বা তার কাছাকাছি সময় পর্যন্ত ঘুমালেন। এরপর তিনি জাগ্রত হলেন এবং চেহারা থেকে ঘুমের আবেশ দূর করেন। পরে তিনি সূরা আল ইমরানের (শেষ) দশ আয়াত তিলাওয়াত করলেন। তারপর নাবী (সাঃ) একটি ঝুলন্ত মশকের নিকট গেলন এবং উযূ করলেন। এরপর তিনি সালাত (নামায) দাড়ালেন। আমিও তার মতই করলাম এবং তার পাশেই দাড়ালাম। তিনি তার ডান হাত আমার মাথার উপর রাখলেন এবং আমার কান ধরলেন। এরপর তিনি দু’রাকাত সালাত (নামায) আদায় করলেন। এরপর দু’রাকাত, এরপর দু’রাকাত, এরপর দু’রাকাত, এরপর দু’রাকাত, এরপর তিনি বিতর আদায় করলেন। তারপর তিনি শুয়ে পড়লেন। অবশেষে মুআযযিন তার কাছে এলো। তখন তিনি দাড়িয়ে দু’রাকাত সালাত (নামায) আদায় করলেন। তারপর বের হয়ে ফজরের সালাত (নামায) আদায় করলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বিতর সালাত হাদিস নাম্বারঃ ৯৩৮

অক্টো. 032013
 

আবদুল্লাহ ইবন ইউসুফ (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত , এক ব্যাক্তি নাবী (সাঃ) এর নিকট রাতের সালাত (নামায) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল। রাসূল (সাঃ) বললেন, রাতের সালাত (নামায) দু’দু’(রাকা’য়াত) করে। আর তোমাদের মধ্যে কেউ যদি ফজর হওয়ার আশংকা করে, সে যেন এক রাকা’য়াত মিলিয়ে সালাত (নামায) আদায় করে নেয়। আর সে যে সালাত (নামায) আদায় করল, তা তার জন্য বিতর হয়ে যাবে। নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বিতর সালাত (নামায)-এর এক ও দু’ রাকা’য়াতের মাঝে সালাম ফিরাতেন। এরপর কাউকে কোন প্রয়োজনীয় কাজের নির্দেশ দিতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ বিতর সালাত হাদিস নাম্বারঃ ৯৩৭