অক্টো. 042013
 

আবদুল্লাহ্ ইবন ইউসুফ (রহঃ)……… আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) যে আমল করা পছন্দ করতেন, সে আমল কোন কোন সময় এ আশংকায় ছেড়ে দিতেন যে, লোকেরা সে আমল করতে থাকবে, ফলে তাদের উপর তা ফরয হয়ে যাবে। রাসূল (সাঃ) কখনো চাশ্‌তের সালাত (নামায) আদায় করেন নি। ১ আমি সে সালাত (নামায) আদায় করি। ১ হযরত আয়িশা (রাঃ) একথা তাঁর জানাঅনুসারে বলেছেন। উম্মে হানী (রাঃ)- এর রিওয়ায়াতে রাসূল (সাঃ) এর চাশত আদায় প্রমাণিত আছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাহাজ্জুদ বা রাতের সালাত হাদিস নাম্বারঃ ১০৬১

অক্টো. 032013
 

ইসমা’ঈল ইবন আবূ উওয়ায়স (রহঃ) উম্মে হানী বিনত আবূ তালিব (রাঃ) বলেনঃ আমি বিজয়ের বছর রাসূল (সাঃ) –এর কাছে গিয়ে দেখলাম যে, তিনি গোসল করছেন আর তাঁর মেয়ে ফাতিমা (রাঃ) তাঁকে পর্দা করে রখেছেন। তিনি বলেনঃ আমি তাঁকে সালাম বললাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ এ কে? আমি উত্তর দিলামঃ আমি উম্মে হানী বিনত আবূ তালিব। তিনি বললেনঃ মারহাবা, হে উম্মে হানী! গোসল করার পরে তিনি এক কাপড় জড়িয়ে আট রাক’আত সালাত (নামায) আদায় করলেন। সালাত (নামায) শেষ করলে তাঁকে আমি বললামঃ ইয়া রাসূল (সাঃ) ! আমার সহোদর ভাই [‘আলী ইবন আবূ তালিব (রাঃ)] এক লোককে হত্যা করতে চায়, অথচ আমি সে লোকটিকে আশ্রয় দিয়েছি। সে লোকটি হুবায়রার ছেলে অমুক। তখন রাসূল (সাঃ) বললেনঃ হে উম্মে হানী! তুমি যাকে আশ্রয় দিয়েছ, আমিও তাঁকে আশ্রয় দিলাম। উম্মে হানী (রাঃ) বলেনঃ তখন ছিল চাশতের সময়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সালাত হাদিস নাম্বারঃ ৩৫০