নভে. 222013
 

আলী ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সম্মানিত ব্যাক্তি কে? তিনি বলেন, তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেসি মুত্তাকী। তখন তারা বলল, আমরা তো আপনাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করিনি। তিনি বললেন, তা হলে (সবচেয়ে সম্মানিত ব্যাক্তি) আল্লাহর নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইউসুফ, যিনি আল্লাহর নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (ইয়াকুব)-এর পুত্র, আল্লাহর নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (ইসহাক)-এর পৌত্র, এবং আল্লাহর খলিল (ইব্‌রাহীম)-এর প্রপৌত্র। তারা বলল, আমরা আপনাকে এ সম্বন্ধেও জিজ্ঞাসা করিনি। তিনি বললেন, তাহলে কি তোমরা আরবের মূল্যবান গোত্রসমুহ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করছ? জাহিলী জুগে তাদের মধ্যে যারা সর্বোত্তম ব্যাক্তি ছিলেন, ইসলামেও তাঁরা সর্বোত্তম ব্যাক্তি যদি তাঁরা ইসলামী জ্ঞানার্জন করেন। আবূ উসামা ও মু’তামির (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আম্বিয়া কিরাম (আঃ) হাদিস নাম্বারঃ ৩১১৬

নভে. 172013
 

হিববান ইবনু মূসা (রহঃ) মু‘আবিয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘আল্লাহ তা‘আলা যার মঙ্গল চান, তাকে দ্বীনের প্রজ্ঞা দান করেন। আল্লাহই দানকারী আর আমি বণ্টনকারী। এ উম্মাত সর্বদা তাদের প্রতিপক্ষের উপর বিজয়ী থাকবে, আল্লাহর আদেশ (কিয়ামত) আসা পর্যন্ত আর তারা থাকবে বিজয়ী। ’

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৯৬

নভে. 102013
 

ইসমাঈল (রহঃ) মুআবিয়া ইরন আবূ সুফয়ান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা’আলা যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। আমি তো (ইল্‌মের) বন্টনকারী মাত্র; আল্লাহ তা প্রদান করে থাকেন। এ উম্মাতের কর্মকাণ্ড কিয়ামত পর্যন্ত কিংবা বলেছিলেন, মহান আল্লাহ তাআলার হুকুম আসা পর্যন্ত (সত্যের উপর) সুদৃঢ় থাকবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কুরআন ও সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে ধারন হাদিস নাম্বারঃ ৬৮১৪

নভে. 102013
 

সাঈদ ইবন তালীদ (রহঃ) উরওয়া (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ) আমাদের এ দিক দিয়ে হাজ্জে (হজ্জ) যাচ্ছিলেন। আমি শুনতে পেলাম, তিনি বলছেন যে, আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে যে ইল্‌ম দান করেছেন, তা হঠাৎ করে ছিনিয়ে নেবেন না বরং ইল্‌মের বাহক উলামায়ে কিরামকে তাদের ইল্‌মসহ ক্রমশ তুলে নেবেন। তখন শুধুমাত্র মূর্খ লৌকেরা অবশিষ্ট থাকবে। তাদের কাছে ফাতওয়া চাওয়া হবে। তারা মনগড়া ফাতওয়া দেবে। ফলে নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে, অন্যদেরকেও পথভ্রষ্ট করবে। উরওয়া (রাঃ) বলেনঃ আমি এ হাদীসটি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সহধর্মিনা আয়িশা (রাঃ) কে বললাম। তারপর আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ) পুনরায় হজ করতে এলেন। তখন আয়িশা (রাঃ) আমাকে বললেনঃ হে ভাগ্নে! তুমি আব্দুল্লাহর কাছে যাও এবং তার থেকে যে হাদীসটি তুমি আমাকে বর্ণনা করেছিলে, তার সত্যাতা পূনরায় তাঁর নিকট থেকে যাচাই করে আস। আমি তার নিকট গেলাম এবং জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি আমাকে ঠিক সে রুপই বর্ণনা করলেন, যেরুপ পূর্বে বর্ণনা করেছিলেন। আমি আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে ফিরে এসে এ কথা জানালাম। তিনি আশ্চর্য হয়ে গেলেন এবং বললেনঃ আল্লাহর কসম! আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ) ঠিকই স্বরণ রেখেছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কুরআন ও সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে ধারন হাদিস নাম্বারঃ ৬৮০৯

নভে. 102013
 

হাজ্জাজ ইব্‌ন মিনহাল (রহঃ) উস্‌মান (রাঃ) সূত্রে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যাক্তি সর্বোত্তম যে কুরআন শিখে এবং অন্যকে শিখায়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ফাজায়ীলুল কুরআন হাদিস নাম্বারঃ ৪৬৫৭

নভে. 102013
 

উমর ইবন হাফস (রহঃ) মাসরুক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! যিনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই, আল্লাহর কিতাবের অবতীর্ণ প্রতিটি সূরা সম্পর্কে আমি জানি যে, তা কোথায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং প্রতিটি আয়াত সম্পর্কেই আমি জানি যে, তা কার সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। আমি যদি জানতাম যে, কোন ব্যাক্তি আল্লাহর কিতাব সম্পর্কে আমার চাইতে অধিক জ্ঞাত এবং সেখানে উট গিয়ে পৌঁছতে পারে, তাহলে সওয়ার হয়ে আমি সেখানে গিয়ে পৌঁছতাম।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ফাজায়ীলুল কুরআন হাদিস নাম্বারঃ ৪৬৩৬

নভে. 082013
 

সুলায়মান ইবন হারব (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ আমি যা জানি যদি তোমরা তা জানতে তবে তোমরা অবশ্যই হাসতে কম আর কাদতে বেশি।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৬০৪২

নভে. 082013
 

ইয়াহইয়া ইবন বুকায়র (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলতেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ আমি যা জানি যদি তোমরা তা জানতে তবে তোমরা অবশ্যই হাসতে কম আর কাদতে বেশি।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৬০৪১

নভে. 052013
 

উমর ইবন হাফস (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ কোন ব্যাক্তির পেট কবিতা নিয়ে ভর্তি হওয়ার চাইতে এমন পূজে তর্তি হওয়া উত্তম যা তোমাদের পেটকে ধবংস করে ফেলে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭২৪

নভে. 052013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) উবাই ইবন কাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ নিশ্চই কোন কোন কবিতার মধ্যে জ্ঞানের কথাও রয়েছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭১৪