নভে. 082013
 

আয়াতে কারীমা ‘অ নাযায়না মা ফি সুদুরিহিম মিন ইল্‌ম’-এর তাৎপর্যে সালুত ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) আবূ সাঈদ খুদুরী (রাঃ) থেকে বর্ণিৎ। তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ মুমিনগণ জাহান্নাম থেকে খালাস পাওয়ার পর একটি পুলের ওপর তাদের আটকানো হবে, যা জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যবর্তীস্থানে থাকবে। দুনিয়ায় থাকতে তারা একে অপরের উপর যে যুলুম করেছিল তার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। তারা যখন পাক-সাফ হয়ে যাবে, তখন তাদের জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। শপথ ঐ মহান সত্তার, যার হাতে মুহাম্মদ -এর জানো, প্রত্যেক ব্যাক্তি তার দুনিয়ার বাসস্থানকে চেনার তূলনায় জান্নাতের বাসস্থানকে অধিক চিনবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৬০৯১

নভে. 082013
 

ইসমাঈল (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি তার ভাই-এর ওপর যুলুম করেছে সে যেন তা থেকে মাফ নিয়ে নেয়, তার ভাই-এর জন্য তার কাছ থেকে নেকী কেটে নেওয়ার পূর্বে। কেননা সেখানে (হাশরের ময়দানে) কোন দীনার বা দিরহাম পাওয়া যাবে না। তার কাছে যদি নেকী না থাকে তবে তার (মাজলুম) ভাই-এর গোনাহ এনে তার উপর ছুঁড়ে মারা হবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৬০৯০

নভে. 032013
 

উবায়দ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) সাঈদ ইবন যায়িদ ইবন আমর ইবন নুফাইল (রাঃ) থেকে বর্ণিত, ‘আরওয়া’ নামক জনৈকা মহিলা এক সাহাবীর (সাঈদের) বিরুদ্ধে মারওয়ানের নিকট (জমি সংক্রান্ত বিষয়ে) তার ঐ পাওনা সম্পর্কে মামলা দায়ের করল, যা তার (মহিলাটির) ধারণায় তিনি (সাঈদ) নষ্ট করেছেন। ব্যাপার শুনে সাঈদ (রাঃ) বললেন, আমি কি তার (মহিলাটির) সামান্য হকও নষ্ট করতে পারি? আমি তো সাক্ষ্য দিচ্ছি, আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি, যে ব্যাক্তি জুলুম করে অন্যের এক বিঘত যমিনও আত্মসাৎ করে, কিয়ামতের দিন সাত তবক যমীনের শৃঙ্খল তার গলায় পরিয়ে দেয়া হবে। ইবন আবূয যিনাদ (রহঃ) হিশাম (রহঃ) থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, তিনি (হিশামের পিতা উরওয়া) (রাঃ) বলেন, সাঈদ ইবন যায়দ (রাঃ) আমাকে বলেছেন, আমি নাবী (সাঃ) এর নিকট হাযির হলাম (তখন তিনি এ হাদিস বর্ণনা করেন)

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সৃষ্টির সূচনা হাদিস নাম্বারঃ ২৯৭১

অক্টো. 302013
 

সাঈদ ইবন উফায়র (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাঃ) বলেছেন, কোন ব্যভিচারী মু’মিন অবস্থায চুরি করে না। কোন লুটতরাজকারী মু’মিন অবস্থায় এরূপ লুটতরাজ করে না যে, যখন সে লুটতরাজ করে তখন তার প্রতি লোকজন চোখ তুলে তাকিয়ে থাকে। সাঈদ ও আবূ সালাম (রাঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত, তবে তাতে লুটতরাজের উল্লেখ নেই। ফিরাবরী (রহঃ) বলেন, আমি আবূ জা’ফর (রহঃ)-এর লেখা পান্ডুলিপিতে পেয়েছি যে, আবূ আব্দুল্লাহ (ইমাম বুখারী) (রহঃ) বলেন, এ হাদীসের ব্যাখ্যায় ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, এর অর্থ হল, তার থেকে ঈমানের নূর ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যুলম ও কিসাস হাদিস নাম্বারঃ ২৩১৩

অক্টো. 302013
 

আবূ মা’মার (রহঃ) আবূ সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বর্ণনা করেন যে, তাঁর এবং কয়েকজন লোকের মধ্যে একটি বিবাদ ছিল। আয়িশা (রাঃ) এর কাছে উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন, হে আবূ সালামা! জমির ব্যাপারে সতর্ক থাক। কেননা রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যাক্তি এক বিঘত জমি অন্যায়ভাবে নিয়ে নেয়, কিয়ামতের দিন এর সাত তবক জমি তার গলায় লটকিয়ে দেওয়া হবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যুলম ও কিসাস হাদিস নাম্বারঃ ২২৯১

অক্টো. 302013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) সাঈদ ইব্‌ন যায়দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (সাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, ব্যাক্তি কারো জমির অংশ জুলুম করে কেড়ে নেয়, কিয়ামতের দিন এর সাত তবক যমীন তার গলায় লটকিয়ে দেওয়া হবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যুলম ও কিসাস হাদিস নাম্বারঃ ২২৯০

অক্টো. 302013
 

আদম ইব্‌ন আবূ ইয়াস (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যাক্তি তার ভাইয়ের সম্ভ্রম হানী বা অন্য কোন বিষয়ে জুলুমের জন্য দায় থাকে, সে যেন আজই তার কাছ থেকে মাফ করায়ে নেয়, সে দিন আসার পূর্বে যে দিন তার কোনো দীনার বা দিরহাম থাকবেনা। সে দিন তার কোনো সৎকর্ম থাকলে তার জুলুমের পরিমাণ তা তার নিকট থেকে নেওয়া হবে আর তার কোনো সৎকর্ম না থাকলে তার প্রতিপক্ষের পাপ থেকে নিয়ে তা তার উপর চাপিয়ে দেওয়া হবে। আবূ আবদুল্লাহ্‌ (ইমাম বুখারী (রাঃ) বলেন, ইসমাঈল ইব্‌ন উয়াইস (রাঃ) বলেছেন, সাঈদ আল-মাকবুরী (রহঃ) কবরস্থানে পার্শ্বে অবস্থান করতেন বলে তাকে আল-মাকবুরী বলা হত। আবূ আবদুল্লাহ্‌ (আমাম বুখারী (রাঃ) এও বলেছেন, সাঈদ আল-মাকবুরী হলেন, বনূ লাইসের আযাদকৃত গোলাম। ইনি হলেন সাঈদ ইব্‌ন আবূ সাঈদ। আর আবূ সাঈদের নাম হল কায়সান।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যুলম ও কিসাস হাদিস নাম্বারঃ ২২৮৭

অক্টো. 302013
 

ইয়াহ্‌ইয়া ইব্‌ন মূসা (রহঃ) ইব্‌ন আব্‌বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) যখন মুআয (রাঃ)- কে ইয়মানে পাঠান এবং তাকে বলেন, মাজলুমের ফরিয়াদকে ভয় করবে। কেননা তার ফরিয়াদ এবং আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা থাকেনা।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যুলম ও কিসাস হাদিস নাম্বারঃ ২২৮৬

অক্টো. 302013
 

আহ্‌মদের ইব্‌ন ইউনুস (রহঃ) আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যুলম কিয়ামতের দিন অনেক অন্ধকারের রূপ ধারন করবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যুলম ও কিসাস হাদিস নাম্বারঃ ২২৮৫

অক্টো. 302013
 

সাঈদ ইব্‌ন রাবী (রহঃ) বারা ইব্‌ন আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল (সাঃ) আমাদেরকে সাতটি বিষয়ে আদেশ দিয়েছেন এবং সাতটি বিষয়ে নিষেধ করেছেন। তারপর তিনি উল্লেখ করেলেন, পীড়িতের খোঁজখবর নেওয়া, জানাযার অনুসরণ করা, হাঁচির জবাবে ইয়ারহামুকাল্লাহ্‌ বলা, সালামের জওয়াব দেওয়া, মাজলুমকে সাহায্য করা, আহবানকারীর প্রতি সাড়া দেওয়া, কসমকারীকে দায়িত্ব মুক্ত করা।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যুলম ও কিসাস হাদিস নাম্বারঃ ২২৮৩