নভে. 152013
 

মুহাম্মদ ইবনু মূসান্না (রহঃ)… ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ)…থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, কেবল মাত্র দু’ধরনের ব্যাক্তির ঈর্ষা রাখা যেতে পারে, একজন এমন ব্যাক্তি যাকে আল্লাহ সম্পদ দিয়েছেন এবং ন্যায়পথে তা ব্যয় করার মত ক্ষমতাবান বানিয়েছেন। অপরজন এমন ব্যাক্তি যাকে আল্লাহ দ্বীনের জ্ঞান দান করেছেন সে অনুযায়ী ফয়সালা দেন ও অন্যান্যকে তা শিক্ষা দেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যাকাত হাদিস নাম্বারঃ ১৩২৬

নভে. 122013
 

আলী ইবনু আব্দুল্লাহ (রহঃ) সালিম তার পিতা (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ, একমাত্র দুটি বিষয়েই ঈর্ষা করা যায়। একজন হচ্ছে, যাকে আল্লাহ কুরআন দান করেহেন, আর সে তা রাতদিন তিলাওয়াত করে, আরেকজন হচ্ছে, যাকে আল্লাহ সম্পদ দান করেছেন আর সে রাতদিন তা ব্যায় করে। আমি সুফয়ান (রহঃ)-কে একাধিকবার শুনেছি কিন্তু তাকে ‘আলখামার’ উল্লেখ করতে শুনিনি। অর্থাৎ এটি তার বিরুদ্ধ হাদীসগুলোর অন্যতম।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৭০২১

নভে. 122013
 

কুতায়বা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ দু টি বিষয় ছাড়া ঈর্ষা করা যায় না। -এক ব্যাক্তি হচ্ছে, আল্লাহ যাকে কুরআন দান করেছেন, আর সে দিবারাত্র তা তিলাওয়াত করে। অপর ব্যাক্তি বলে, এ লোকটিকে যা দেওয়া হয়েছে আমাকে যদি অনুরুপ দেওয়া হতো, তা হলে আমিও অনুরুপ করতাম, সে যেরুপ করছে। আরেক ব্যাক্তি হচ্ছে সে, যাকে আল্লাহ ধন-সম্পদ দিয়েছেন। ফলে সে তা যখাযথভাবে ব্যয় করছে। তখন অপর ব্যাক্তি বলে- একে যা দেওয়া হয়েছে, আমাকেও যদি অনুরুপ দেওয়া হতো, আমিও তাই করতাম, সে যা করেছে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৭০২০

নভে. 102013
 

শিহাব ইবন আব্বাদ (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ দু-এরকম লোক ছাড়া কারো প্রতি ঈর্ষা করা বৈধ নয়। (এক) যাকে আল্লাহ তাআলা সম্পদ দিয়েছেন এবং ন্যায়পথে ব্যয় করার ক্ষমতা দান করেছেন। (দুই) যাকে আল্লাহ তা’আলা হিকমাত (শরয়ী বিচক্ষণতা) দান করেছেন, আর সে এর আলোকে বিচার করে এবং তা অপরকে শিক্ষা দেয়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কুরআন ও সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে ধারন হাদিস নাম্বারঃ ৬৮১৮

নভে. 102013
 

শিহাব ইবন আববাদ (রহঃ) আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ দু ধরনের লোক ছাড়া অন্য কারো প্রতি ঈর্ষা করা যায় না। একজন হল ঐমন ব্যাক্তি, যাকে আল্লাহ ধন-সস্পদ দান করেছেন এবং তাকে তা সৎপথে ব্যয় করার ক্ষমতা দিয়েছেন। অপরজন হল, যাকে আল্লাহ হিকমাত (সঠিক জ্ঞান) দান করেছেন, সে তার দ্বারা বিচার ফয়সালা করে এবং তা অপরকে শিক্ষা দেয়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৬৫৬

নভে. 102013
 

আলী উব্‌ন ইব্‌রাহীম (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, দু’ব্যাক্তি ব্যতীত অন্য কারও সাথে ঈর্ষা করা যায় না। এক ব্যাক্তি, যাকে আল্লাহ তা’আলা কুরাআন শিক্ষা দিয়েছেন এবং সে তা দিন ও রাত তিলাওয়াত করে। আর তা শুনে তার প্রতিবেশীরা তাকে বলে, হায়! আমাদেরকে যদি এরূপ জ্ঞান দেয়া হত, যেরূপ জ্ঞাণ অমুককে দেয়া হয়েছে, তাহলে আমিও তার মত আমল করতাম। অন্য আর এক ব্যাক্তি, যাকে আল্লাহ সম্পদ দান করেছেন এবং সে সম্পদ সত্য ও ন্যায়ের পথে ব্যয় করে। এ অবস্থা দেখে অন্য এক ব্যাক্তি বলেঃ হায়! আমাকে যদি অমুক ব্যাক্তির মত সম্পদশালী করা হত, তাহলে সে যেরূপ ব্যয় করছে, আমিও সেরূপ ব্যয় করতাম।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ফাজায়ীলুল কুরআন হাদিস নাম্বারঃ ৪৬৫৬

নভে. 102013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি যে, দু’টি বিষয় ছাড়া অন্য কোন ব্যাপারে ঈর্ষা করা যায় না। প্রথমত, যাকে আল্লাহ তা’আলা কিতাবের জ্ঞাণ দান করেছেন এবং তিনি তার থেকে গভীর রাতে তিলাওয়াত করে। দ্বিতীয়ত, যাকে আল্লাহ তা’আলা সম্পদ দান করেছেন এবং তিনি সেই সম্পদ দিন ও রাত দান-খয়রাত করতে থাকেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ফাজায়ীলুল কুরআন হাদিস নাম্বারঃ ৪৬৫৫

নভে. 052013
 

উবায়দ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, আমি অন্য কোন নারীর উপর ততটা ঈর্বাম্বিত ছিলাম না, যতটা ঈর্ষাম্বিত ছিলাম খাদীজার উপর। অথচ আমার বিবাহের তিন বছর পূর্বেই তিনি ইন্তেকাল করেন। কারণ, আমি শুনতে পেতাম, নাবী (সাঃ) তার নাম উল্লেখ করতেন। আর জান্নাতের মধ্যে মনি মুক্তার একটি ঘরের সুসংবাদ খাদীজাকে শোনাবার জন্য তার রব তাকে আদেশ দেন। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কখনও বকরী যবেহ করলে তার একটি অংশ খাদীজার বান্ধবীদের কাছে অবশ্যই পাঠিয়ে দিতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৫৭৮

অক্টো. 022013
 

হযরত বারাআ ইবন আযিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আনসারদের সম্পর্কে বলেনঃ

“ঈমানদাররাই তাদের (আনসারদের) ভালোবাসেন, আর মুনাফিকরাই তাদের ঈর্ষা করে। যে ব্যক্তি তাদের ভালোবাসে, মহান আল্লাহ তাকে ভালোবাসেন, আর যে ব্যক্তি তাদের ঈর্ষা করে, বা দুশমনী রাখে আল্লাহ তাকে ঘৃণা করেন।” [বুখারী ও মুসলিম]

রিয়াদুস সালেহীন – ৩৮১