নভে. 222013
 

আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (তাবুকের পথে সাহাবাদেরকে) নির্দেশ দিয়েছেন, তোমরা একমাত্র ক্রন্দনরত অবস্থায় এমন লোকদের আবা আবাসস্থালে প্রবেশ করবে যারা নিজেরাই নিজেদের উপর যুল্‌ম করেছে। তাদের উপর যে মুসিবত এসেছে তোমাদের উপরও যেন সে মুসীবত না আসে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আম্বিয়া কিরাম (আঃ) হাদিস নাম্বারঃ ৩১৪২

নভে. 212013
 

খালিদ ইবনু মাখলাদ (রহঃ) আবূ হুমায়দ (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে আমরা তাবূক যুদ্ধ থেকে প্রত্যাবর্তন করে মদিনায় নিকতবর্তী স্থানে পৌছলে, তিনি বললেনঃ এই হল তাবা।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭৫১

নভে. 212013
 

‘আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখনই কোন জিহাদ, বা হাজ্জ (হজ্জ) অথবা ‘উমরা থেকে প্রত্যাবর্তন করতেন তখন তিনি প্রত্যেক উঁচু ভূমিতে তিনবার তাকবীর বলতেন এবং পর বলতেনঃ আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই। সর্বময় ক্ষমতা এবং সকল প্রশংসা কেবল তাঁরই। তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান। আমরা প্রত্যাবর্তনকারী ও তাওবাকারী, ‘ইবাদতকারী, আমাদের প্রভুর উদ্দেশ্যে সিজদাকারী ও প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করেছেন, নিজ বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই সকল শত্রুদল্কে পরাজিত করেছেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৬৮০

নভে. 192013
 

মু’আম্মাল ইবনু হিশাম (রহঃ) হাফসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা আমাদের যুবতীদেরকে বের হতে নিষেধ করতাম। এক মহিলা বনূ খালিফা-এর দুর্গে এলেন। তিনি বর্ণনা করেন যে, তাঁর বোন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর এক সাহাবীর সহধর্মিণী ছিলেন। যিনি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সঙ্গে বারটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, (সেগুলোর মধ্যে) ছয়টি যুদ্ধে আমার বোনও স্বামীর সঙ্গে ছিলেন। তাঁর বোন বলেন, আমরা আহত যোদ্ধা ও অসুস্থ সৈনিকদের সেবা করতাম। আমার বোন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আমাদের মধ্যে যার (শরীর উত্তমরূপে আবৃত করার মত) চাঁদর নেই, সে বের না হলে অন্যায় হবে কি? নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের একজন অপরজনকে তাঁর প্রয়োজনের অতিরিক্ত চাঁদরটি দিয়ে দেওয়া উচিত এবং কল্যাণমূলক কাজে ও মু’মিনদের দু’আয় বের হওয়া উচিত। উম্মু ‘আতিয়্যা (রাঃ) আসলে এ বিষয়ে তাঁর নিকট আমি জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কথা -(রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর প্রতি আমার পিতা উৎসর্গ হউন) ব্যতীত কখনও উচ্চারণ করতেন না। আমি তাঁকে বললাম, আপনি কি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে এরূপ বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হাঁ, অবশ্যই। আমার পিতা উৎসর্গ হউন। তিনি বললেনঃ যুবতি ও পর্দানশীন মহিলাদেরও বের হওয়া উচিত। অথবা বললেনঃ পর্দানশীন যুবতী ও ঋতুবর্তীদেরও বের হওয়া উচিত। তাঁরা কল্যাণমূলক কাজে এবং মুসলমানদের দু’আয় যথাস্থানে উপস্থিত হবে না। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ঋতুবর্তী মহিলাও কি? তিনি বললেনঃ (কেন উপস্থিত হবে না?) তাঁরা কি ‘আরাফার ময়দানে এবং অমুক অমুক স্থানে উপস্থিত হবে না?

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৫৪৯

নভে. 182013
 

আলী ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ), ইবনু আববাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন বললেন, (মক্কা থেকে এখন আর) হিজরত নেই, কিন্তু জিহাদ ও নিয়্যাত রয়েছে আর যখন তোমাদের জিহাদে যাওয়ার জন্য ডাক দেওয়া হয় তখন তোমরা বেরিয়ে পড়বে আর তিনি মক্কা বিজয়ের দিন এও বলেন, এ নগরীকে আল্লাহ তা‘আলা আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে সম্মানিত করেছেন। কাজেই তা আল্লাহ প্রদত্ত সম্মনের দ্বারা কিয়ামত পর্যন্ত সম্মানিত থাকবে। আমার আগে এখানে যুদ্ধ করা কারো জন্য হালাল ছিল না আর আমার জন্যও তা দিনের মাত্র কিছু সময়ের জন্য হালাল করা হয়েছিল। অতএব আল্লাহ তা‘আলা প্রদত্ত সম্মানের দ্বারা কিয়ামত পর্যন্ত তা সম্মাণিত থাকবে। এখানকার কাঁটা কর্তণ করা যাবে না; শিকারকে উত্যক্ত করা যাবে না আর পথে পড়ে থাকা বসত্ম কেউ উঠাবে না। তবে সে ব্যাক্তি উঠাতে পারবে, যে তা ঘোষণা করবে। এখানকার ঘাষ কাঁটা যাবে না। ’ তখন আববাস (রাঃ) বলেন, ‘ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইযখির ব্যতীত। কেননা, তা কর্মকারের ও ঘরের কাজে লাগে। ’ তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘ইযখির ব্যতীত। ’

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৯৬৩

নভে. 182013
 

আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) আবূ ওয়ায়েল (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আমরা সিফফীন যুদ্ধে শরীক ছিলাম। সে সময় সাহল ইবনু হুনাইফ (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, হে লোক সকল! তোমরা নিজ মতামতকে নিরভুল মনে করো না। আমরা হুদায়বিয়ার দিন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে ছিলাম। যদি আমরা যুদ্ধ করা যথোচিত মনে করতাম, তবে আমরা যুদ্ধ করতাম। পরে উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এসে বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমরা কি হকের উপর নই এবং তারা (মুশরিকরা) বাতিলের উপর? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ। তারপর তিনি বললেন, আমাদের নিহত ব্যাক্তিগন কি জান্নাতী নন এবং তাদের নিহত ব্যাক্তিরা কি জাহান্নামী নয়? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, আমাদের নিহতগন অবশ্যই জান্নাতী। উমর (রাঃ) বললেন, তবে কি কারনে আমরা আমাদের দ্বীনের ব্যাপারে হীনতা স্বীকার করব? আমরা কি ফিরে যাব? অথচ আল্লাহ ত’আলা আমাদের ও তাদের মধ্যে কোন ফয়সালা করেননি? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হে ইবনু খাত্তাব! আমি নিশ্চয় আল্লাহর রাসুল, আল্লাহ আমাকে কখনো হেয় করবেন না। তারপর উমর (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ) এর নিকট গেলেন এবং নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে যা বলেছিলেন, তা তার নিকট বললেন। তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেন, তিনি আল্লাহর রাসুল, আল্লাহ তা’আলা কখনও তাকে হেয় করবেন না। তারপর সুরা ফাতহ নাযিল হয়। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা শেষ পর্যন্ত উমর (রাঃ)কে পাঠ করে শোনান। উমর (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! এটা কি বিজয়? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৯৫৭

নভে. 182013
 

আবদান (রহঃ) আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবূ ওয়াইল (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কি সীফফিনের যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমি সাহল ইবনু হুনাইফ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তোমরা নিজ মতামতকে নির্ভুল মনে করো না। আমি নিজেকে আবূ জানো্দলের দিন (হুদায়বিয়ার দিন) দেখেছি। আমি যদি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর আদেশ প্রত্যাখান করতে পারতাম, তবে তা নিশ্চই প্রত্যাখান করতাম। বস্ত্তত আমরা যখনই কো ভয়াবহ অবস্থায় আমাদের কাঁধে তলোয়ার তুলে নিয়েছি, তখন তা আমাদের জন্য সহজ করে দিয়েছি এমনভাবে যা আমরা উপলব্ধি করেছি। কিন্তু বর্তমান অবস্থা তার ব্যতিক্রম।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৯৫৬

নভে. 182013
 

মূসা’দ্দাদ (রহঃ) সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,আবদুল্লাহ ইবনু সাহল মুহায়্যিসা ইবনু মাসউদ ইবনু যায়দ (রাঃ) খায়বারের দিকে গেলেন। তখন খায়বারের ইয়াহূদীদের সাথে সন্ধি ছিল। পরে তারা উভয়ে পৃথক হয়ে গেলেন। তারপর মুহায়্যিসা আবদুল্লাহ ইবনু সাহলে কাছে আসেন এবং বলেন যে, তিনি মৃত্যু যন্ত্রনায় ছটফচ করছেন। তখন মুহায়্যিসা তাকে দাফন করলেন। তারপর মদিনায় এলেন। আবদুর রাহমান ইবনু সাহল ও মাসউদের দুই পুত্র মুহায়্যিসা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাছে গেলেন। আবদুর রহমান (রাঃ) কথা বলতে এগিয়ে এলেন। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, বড়কে আগে বলতে দাও, বড়কে আগে বলতে দাও। আর আবদুর রহমান ইবনু সাহল (রাঃ) ছিলেন সর্বকনিষ্ট। এতে তিনি চুপ রইলেন এবং মুহায়্যিসা ও হুওয়ায়্যিসা উভয় কথা বললেন। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমরা কি শপথ করে বলবে এবং তোমাদের হত্যাকারীর অথবা বলেছেন, তোমাদের সঙ্গীর রক্ত পানের অধিকারী হবে? তারা বললেন, আমরা কি রূপে শপথ করব? আমরা তো উপস্থিত ছিলাম না এবং স্বচক্ষে দেখিনি। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে ইয়াহূদীরা পঞ্চাশটি শপথের মাধ্যমে তোমাদের থেকে অব্যাহতি লাভ করবে। তারা বললেন, তারা তো কাফির সম্প্রদায়। আমরা কি রূপে তাদের শপথ গ্রহণ করতে পারি? তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজের পক্ষ থেকে আবদুর রহমানকে তার ভাইয়ের দীয়াত পরিশোধ করলেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৯৪৯

নভে. 172013
 

আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) উম্মে হানী বিনতে আবূ তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের বছর আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর কাঠে গেলাম। তখন তাঁকে এ অবস্থায় পেলাম যে, তিনি গোসল করছিলেন এবং তাঁর কন্যা ফাতিমা (রাঃ) তাঁকে পর্দা করছিলেন। আমি তাঁকে সালাম বললাম। তিনি বললেন, ইনি কে? আমি বললাম, আমি উম্মে হানী বিনতে আবূ তালিব। তখন তিনি বললেন, মারহাবা হে উম্মে হানী! যখন তিনি গোসল থেকে ফারেগ হলেন, একখানি কাপড় শরীরে জড়িয়ে আট রাকাআত সালাত (নামায) দাঁড়িয়ে আদায় করলেন। তারপর আমি বললাম, ‘ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আমি সহোদর ভাই আলী (রাঃ) হুবাইরার অমুক পুত্রকে হত্যা করার সংকল্পে করছে, আর আমি তাকে আশ্রয় দিয়েছি। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হে উম্মে হানী! তুমি যাকে আশ্রয় দিয়েছ, আমিও তাকে আশ্রয় দিয়েছি। উম্মে হানী (রাঃ) বলেন, তা চাশতের সময় ছিল।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৯৪৭

নভে. 172013
 

আবূ নু‘মান (রহঃ) আসিম (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে কুনুত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, রুকুর আগে। আমি বললাম, অমুক তো বলে যে, আপনি রুকুর পরে বলেছেন। তিনি বললেন, সে মিথ্যা বলেছে। তারপর তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক মাস পর্যন্ত রুকুর পরে কুনূত পড়েন। তিনি বানূ সুলাইম গোত্রসমূহের বিরুদ্ধে দু‘আ করেছিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) চল্লিশজন কিংবা সত্তরজন ক্বারী কয়েকজন মুশরিকদের নিকট পাঠালেন। তখন বানূ সুলাইমের লোকেরা তাদের আক্রমণ করে তাদের হত্যা করে। অথচ তাদের এবং রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর মধ্যে সন্ধি ছিল। আনাস (রাঃ) বললেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে এ ক্বারীদের জন্য যতখানি ব্যথিত হতে দেখেছি আর কারো জন্য এতখানি ব্যথিত হতে দেখেনি।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৯৪৬