নভে. 042013
 

আলী ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) হাসান বসরী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যখন হাসান ইবন আলী (রাঃ) সেনাবাহিনী নিয়ে মুআবিয়া (রাঃ)-এর মুকাবিলায় রওনা হলেন, তখন আমর ইবন আস (রাঃ) মুআবিয়া (রাঃ)-কে বললেনঃ আমি এরুপ এক সেনাবাহিনী দেখছি, যারা বিপক্ষকে না ফিরিয়ে কিছু হবে না। মুআবিয়া (রাঃ) বললেনঃ তাহলে মুসলমানদের সন্তান-সন্ততির তত্তাবধান কে করবে? আমর ইবন আস (রাঃ) বললেনঃ আমি। এ সময় আব্দুল্লাহ ইবন আমির (রাঃ) ও আব্দুর রহমান ইবন সামুরা (রাঃ) বললেনঃ আমরা তার সঙ্গে সাক্ষাত করব এবং তাকে সন্ধির কথা বলবঃ হাসান বসরী (রহঃ) বলেনঃ আমি আবূ বাকরা (রাঃ) থেকে শুনেছি, তিনি বলেনঃ একদা নাবী (সাঃ) ভাষণ দিচ্ছিলেন। এমন সময় হাসান (রাঃ) আসলেন। তিনি (নাবী (সাঃ) তাঁকে দেখে) বললেনঃ আমার এ পৌত্র সরদার আর সম্ভবত আল্লাহ-তা-আলা তার মাধ্যমে মুসলমানদের দূটি (বিবদমান) দলের মধ্যে সমঝোতা সৃষ্টি করবেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ফিতনা হাদিস নাম্বারঃ ৬৬২৪

অক্টো. 282013
 

আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) হাসান (বসরী) (রে) বলেন, আল্লাহর কসম, হাসান ইবন আলী (রাঃ) পর্বত সদৃস সেনাদল নিয়ে মু‘আবিয়া (রাঃ)-এর মুখোমুখি হলেন। আমার ইবন আস (রাঃ) বললেন, আমি এমন সেনাদল দেখতে পাচ্ছি যারা প্রতিপক্ষকে হত্যা না করে ফির যাবে না। মু‘আবিয়া (রাঃ) তখন বললেন, আল্লাহর কসম! (আর মু‘আবিয়া ও আমর ইবনুল ‘আস) (রাঃ) উভয়ের মধ্যে মু‘আবিয়া (রাঃ) ছিলেন উত্তম ব্যাক্তি। ‘হে ‘আমর! এরা ওদের এবং ওরা এদের হত্যা করলে আমি কাকে দিয়ে লোকের সমস্যার সমাধান করব? তাদের নারীদের কে তত্ত্ববধান করবে? তাদের দূর্বল ও শিশুদের রক্ষণাবেক্ষণ করবে? তারপর তিনি কুরায়শের বানূ আবদে শামস শাখার দু’জন আব্দুর রহমান ইবন সামুরাহ ও আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ)-কে হাসান (রাঃ)-এর কাছে পাঠালেন। তিনি তাদের বললেন, ‘তোমরা উভয়ে এই লোকটির কাছে যাও এবং তার কাছে (সন্ধির) প্রস্তাব পেশ করো, তাঁর সঙ্গে আরোচনা করো ও তার বক্তব্য জানতে চেষ্টা কর। ’ তারা তার কাছে গেলেন এবং তার সঙ্গে কখা বললেন, আলাপ-আলোচনা করলেন এবং তার বক্তব্য জানলেন। হাসান ইবন আলী (রাঃ) তাদের বললেন, ‘আমরা আব্দুল মুত্তালিবের সন্তান, এই সম্পদ (বায়তুল মালের) আমরা পেয়েছি। আর এরা রক্তপাতে লিপ্ত হয়েছে। ’ তারা উভয়ে বললেন, (মু‘আবিয়া (রাঃ)) আপনার কাছে এরূপ বক্তব্য পেশ করেছেন। আর আপনার বক্তব্যও জানতে চেয়েছেন ও সন্ধি কামনা করেছেন। তিনি বললেন, ‘এ দায়িত্ব কে নেবে? তারা বললেন, আমরা আপনার জন্য এ দায়িত্ব গ্রহণ করছি। ’ এরপর তিনি তাদের কাছে যে সব প্রশ্ন করলেন, তারা (তার জওয়াবে) বললেন, ‘আমরা এ দায়িত্ব নিচ্ছি। ’ তারপর তিনি তার সাথে সন্ধি করলেন। হাসান (বসরী) (রহঃ) বলেন, আমি আবূ বাকরা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ রাসূরুল্লাহ -কে আমি মিম্বরের উপর দেখেছি, হাসান (রাঃ) তাঁর পাশে ছিলেন। তিনি একবার লোকদের দিকে আর একবার তাঁর দিকে তাকাচ্ছিলেন আর বলছিলেন, আমার এ সন্তান নেতৃস্থানীয়। সম্ভবত তাঁর মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলা মুসরমানের দু’টি বড় দলের মধ্যে মীমাংশাকরাবেন। ’ আবূ আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আলী ইবন আব্দুল্লাহ আমাকে বলেছেন যে, এ হাদীসের মাধ্যমেই আবূ বাকরা (রাঃ) থেকে হাসানের শ্রুতি আমাদের কাছে প্রমাণিত হয়েছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সন্ধি হাদিস নাম্বারঃ ২৫২৩

অক্টো. 282013
 

মুসাদ্দাদ (রাঃ) সাহল ইবন আবূ হাসমা (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, খায়বার সন্ধিবদ্ধ থাকাকালে আব্দুল্লাহ ইবন সাহল ও মুহাইয়াসা ইবন মাসউদ ইবন যায়দ (রাঃ) খায়বার গিয়েছিলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সন্ধি হাদিস নাম্বারঃ ২৫২১

অক্টো. 282013
 

মুহাম্মদ ইবন রাফি‘ (রহঃ)ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূরুল্লাহ উমরা করতে রওয়ানা হলেন। কিন্তু কুরাইশ কাফিররা তাঁর ও বায়তুল্লাহর মাঝে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াল। তখন তিনি হুদায় বিয়াতে তাঁর হাদী কুরবানী করলেন, আর মাথা মুড়ালেন এবং তাদের সাথে সন্ধি করলেন এই শর্তে যে, আগামী বছর তিনি উমরা করবেন আর (কোষবদ্ধ) তরবারী ছাড়া অন্য কোন অস্ত্র নিয়ে তাদের কাছে আসবেন না। আর তারা যতদিন পছন্দ করবেন তিনি ততদিন সেখানে থাকবেন। পরের বছর তিনি উমরা করলেন এবং যেমনি সন্ধি করেছিলেন তেমনিভাবে মক্কায় অবস্থা করলেন। তারা তাঁকে বেরিয়ে যেতে বললে, তিনি বেরিয়ে গেলেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সন্ধি হাদিস নাম্বারঃ ২৫২০

অক্টো. 282013
 

উবায়দুল্লাহ ইবন মুসা (রহঃ)বারা’ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যিলকাদ মাসে নাবী (সাঃ) উমরার উদ্দেশ্যে বের হলেন। কিন্তু মক্কাবাসীরা তাঁকে মক্কা প্রবেশের জন্য ছেড়ে দিতে অস্বীকার করল। অবশেষে এই শর্তে তাদেও সাথে ফয়সালা করলেন যে, তিন দিন সেখাসে অবস্থান করবেন। সন্ধিপত্র লিখতে গিয়ে মুসলিমরা লিখলেন, এসন্ধিপত্র সম্পাদন করেছেন, ‘আল্লাহর রাসূল (সাঃ) মুহাম্মদ। ’ তারা (মুশরিকরা) বলল, ‘আমরা তাঁর রিসালাত (নামায) স্বীকার করি না। আমরা যদি এ কথাইমনে করতাম যে, আপনি আল্লাহর রাসূল (সাঃ) তাহলে আপনাকে বাধা দিতাম না। তবে আপনি হলেন, আব্দুল্লাহর পুত্র মুহাম্মদ। ’ তিনি বললেন, ‘আমি আল্লাহর রাসূল (সাঃ) এবং আব্দুল্লাহর পুত্র মুহাম্মদ। ’ তারপর তিনি আলীকে বললেন, রাসূল (সাঃ) লাহ শব্দটি মুছে দাও। তিনি বললেন, না। আল্লাহর কসম, আমি আপনাকে (রাসূল (সাঃ) শবাদটি) কখনো শুছবো না। ’ আসূলুল্লাহ তখন চুক্তিপত্রটি নিলেন এবং লিখলেন, ‘এ সন্ধিপত্র মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ সম্পন্ন করেন-খাপবদ্ধ অস্ত্র ছাড়া আর কিছু নিয়ে তিনি মক্কায় প্রবেশ করবেন না। মক্কাবাসীদের কেউ তাঁর সঙ্গে যেতে চাইলে তিনি বের করে দিবেন না। আর তাঁর সঙ্গীদের কেউ মক্কায় থাকতে চাইলে তাকে নবাধা দিবেন না। ’ (সন্ধির শর্ত মুতাবেক) তিনি যখন মক্কায় প্রবেশ করলেন এবং নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হয়ে গেল, তখন তারা এসে আলীকে বলল, ‘তোমার সঙ্গীকে আমাদের এখান থেকে বের হতে বল। কেননা নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হয়ে গেছে। ’ নাবী (সাঃ) রওয়ানা হলেন। তখন হামযার মেয়ে হে চাচা, হে চাচা, বলে তাদের পেচনে পেছনে চলল। আলী (রাঃ) তাকে হাত ধরে নিয়ে এলেন এবং ফাতিমাকে বললেন, ‘এই নাও তোমার চাচার মেয়েকে। আমি ওকে তুলে এনেছি। ’ আলী, যায়দ ও জা‘ফর তাকে নেওয়ার ব্যাপারে বিতর্কে প্রবৃত্ত হলেন। আলী (রাঃ) বললেন, ‘আমি তার বেশী হকদার। কারণ সে আমার চাচার মেয়ে। জাফর (রাঃ) বললেন, সে আমার চাচার মেয়ে এবং তার খালা অমার স্ত্রী। ’ যায়দ (রাঃ) বললেন, ‘সোমার ভাইয়ের মেয়ে। ’ এরপর নাবী (সাঃ) খালার অনুকূলে ফয়সালা দিলেন এবয় বললেন, ‘খালা মায়ের স্থলবর্তিনী। ’ আর আলীকে বললেন, ‘আমি তোমার এবং তুমি আমার। ’ জাফরকে বললেন, ‘তুমি আকৃতি ও প্রকৃতিতে আমার সদৃশ। আর যায়দকে বললেন, ‘তুমি তো আমাদের ভাই ও আযাদকৃত গোলাম। ’ (এ বিষয়ে আবূ সুফইয়ান (রাঃ) থেকে হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আওফ ইবন মালিক (রাঃ) নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। এরপর তোমাদের ও পীতবর্ণীদের (রোমকদের) সাথে সন্ধি হবে। এ বিষয়ে সাহল ইবন হুনায়ফ, আসমা ও মিসওয়ার (রাঃ) কর্তৃক নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে। মূসা ইবন মাসউদ (রাঃ) বারা’ ইবন আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) হুদায়বিয়ার দিন মুশুরু কদের সাথে তিনটি বিষয়ে সন্ধি করেছিলেন। তা হল মুশরিকরা কেউ (মুসলিম হয়ে) তাঁর কাছে এলে তিনি তাকে তাদের কাছে ফিরিয়ে দিবেন। মুসলিদের কেউ (মুরতাদ হয়ে) তাদের কাছে গেলে তিনি তাকে ফিরিয়ে দিবে না। আর তিনি আগামী বছর মক্কায় প্রবেশ করবেন এবং সেখানে তিনি তিন দিন অবস্থান করবেন। কোষবদ্ধ অস্ত্র, তরবারী ও ধনুক ছাড়া অন্যুকিছু নিয়ে প্রবেশ করবেন না। ইত্যবসরে আবূ জানো্দাল (রাঃ) শৃংখলিত অবস্থায় লাফিয়ে লাফিয়ে তাঁর কাছে এল। তাকে তিনি তাদের কাছে ফিরিয়ে দিলেন। আবূ আব্দুল্লাহ {ইমাম বুখারী (রহঃ)} বলেন, মুআম্মাল (রহঃ) সুফইয়ান (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসে আবূ জানো্দালের কথা উল্লেখ করেন নি। তিনি ‘‘কেবল কোষবদ্ধ তরবারী সহ’’ এটুকু উল্লেখ করেছেন। )

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সন্ধি হাদিস নাম্বারঃ ২৫১৯

অক্টো. 282013
 

মুহাম্মদ ইবন বাশশার (রহঃ) বারা’ ইবন ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) হুদায়বিয়াতে (মক্কাবাসীদের সাথে) সন্ধি করার সময় আলী (রাঃ) উভয় পক্ষের মাঝে এক চুক্তিপত্র লিখলেন। তিনি লিখলেন, মুহাম্মদ রাসূল (সাঃ) । মুশরিকরা বলল, ‘মুহাম্মদ রাসূল (সাঃ) ’ লেখা চলবে না। আপনি রাসূল (সাঃ) হলে আপনার সঙ্গে লড়াই কিসের?’ তখন তিনি আলীকে বললেন, ‘ওটা মুছে দাও। ’আলী (রাঃ) বললেন, ‘আমি তা মুছব না। ’ তখন রাসূল (সাঃ) তা নিজ হাতে মুছে দিলেন এবং এই শর্তে তাদের সাথে সন্ধি করলেন যে, তিনি এবং তাঁর সাহাবা তিন দিনের জন্য মক্কায় প্রবেশ করবেন এবং জুলুববান ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে প্রবেশ করবেন না। তারা জিজ্ঞাসা করল, জুলুববান মানে কি? তিনি বললেন, ‘জুলুববান’ অর্থ ভিতরে তরবারীসহ খাপ। ’

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সন্ধি হাদিস নাম্বারঃ ২৫১৮

অক্টো. 282013
 

ইয়াকুব ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) বলেছেন, ‘কেউ আমাদের এই শরীয়াতে সংগত নয় এমন কিছুর অনুপ্রবেশ ঘটালে তা প্রত্যাখ্যান করো হবে। ’ আব্দুল্লাহ ইবন জা‘ফর মাখরামী (রহঃ) ও আব্দুল ওয়াহিদ ইবন আবূ ‘আউন সা‘দ ইবন ইবরাহীম (রহঃ) থেকে তা বর্ণনা করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সন্ধি হাদিস নাম্বারঃ ২৫১৭

অক্টো. 282013
 

কুতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ) ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ কোন স্ত্রী যদি তার স্বামীর দুর্ব্যবহার ও উপেক্ষার আশংকা করে’(৪:১২৮) এই আয়াতটি সম্পর্কে তিনি বলেন, আয়াতের লক্ষ্য হল, ‘সে ব্যাক্তি যে তার স্ত্রীর মধ্যে বার্ধক্য বা অন্য ধরনের অপছন্দনীয় কিছু দেখতে পেয়ে তাকে ত্যাগ করতে মনস্থ করে আর স্ত্রী এ বলে অনুরোধ করে যে, তুমি আমাকে তোমার কাছে রাখ এবং যতটুক ইচ্ছা আমার প্রাপ্য অংশ নির্ধারণ কর। ’ ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, ‘উভয়ে সম্মত হলে এতে দোষ নেই। ’

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সন্ধি হাদিস নাম্বারঃ ২৫১৫

অক্টো. 282013
 

মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ (রাঃ)সাহল ইবন সাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, কুবা-এর অধিবাসীরা লড়াইয়ে লিপ্ত হয়ে পড়ল। এমনকি তারা পাথর ছুঁড়োছুঁড়ি শুরু করল। রাসূল (সাঃ) -কে সে সংবাদ দেয়া হলে তিনি বললেন, ‘চল তাদের মধ্যে মীমাংশা করে দেই। ’

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সন্ধি হাদিস নাম্বারঃ ২৫১৪

অক্টো. 282013
 

আবদুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ)উম্মে কুলসুম বিনতে উকবা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি রাসূল (সাঃ) -কে বলতে শুনেছেন, সে ব্যাক্তি মিথ্যাবাদী নয়, যে মানুষের মধ্যে মীমাংশা করার জন্য (নিজের থেকে) ভালো কথা পৌঁছে দেয় কিংবা ভালো কথা বলে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সন্ধি হাদিস নাম্বারঃ ২৫১৩