নভে. 222013
 

মুহাম্মদ (রহঃ) আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (তাবুকের পথে) যখন ‘হিজর’ নামক স্থান অতিক্রম করলেন, তখন তিনি বললেন, তোমরা এমন লোকদের আবাসস্থলে প্রবেশ করো না যারা নিজেরাই নিজেদের উপর যুল্‌ম করেছে। তবে প্রবেশ করতে হলে, ক্রন্দনরত অবস্থায়, যেন তাদের প্রতি যে বিপদ এসেছিল তোমাদের প্রতি অনুরূপ বিপদ না আসে। তারপর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বাহনের উপর বসা অবস্থায় নিজ চাঁদর দিয়ে চেহারা মোবারক ঢেকে নিলেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আম্বিয়া কিরাম (আঃ) হাদিস নাম্বারঃ ৩১৪১

নভে. 212013
 

সুলায়মান ইবনু হারব (রহঃ) যিয়াদের আযাদকৃত গোলাম কাযা’আ (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি আবূ সা’ইদ (রাঃ) কে যিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে বারটি যুদ্ধে অনশগ্রহন করেছিলেন, বলতে শুনেছি, চারটি বিষয় যা আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি (অথবা) তিনি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ননা করতেন। আবূ সা’ইদ (রাঃ) বলেন, এ বিষয় গুলো আমাকে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আশ্চর্যা করে দিয়েছে এবং চমতকৃত করে ফেলেছে। (তা হল এই)স্বামী কিংবা মাহরাম ব্যতীত কোন মহিলা দুই দিনের পথ সফর করবে না। ‘ঈদুল ফিতর এবং ‘ঈদুল আযহা এ দুই দিন কেউ সাওম (রোযা) পালন করবে না। ‘আসরের পর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত এবং ফজরের পর সূর্য উদয় হওয়া পর্যন্ত কেউ সালাত (নামায) আদায় করবে না। মসজিদে হারাম, আমার মসজিদ এবং মসজিদে আকসা – এ তিন মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদের জন্য সফরের প্রস্তুতি গ্রহন করবে না।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭৪২

নভে. 212013
 

সা’ঈদ ইবনু আবূ মারইয়াম (রহঃ) আসলাম (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মক্কার পথে আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম। সাফিয়্যা বিনত আবূ ‘উবায়দ (রাঃ)-এর গুরুতর অসুস্থ হওয়ার সংবাদ তাঁর কাছে পৌছল। তখন তিনি গতি বাড়িয়ে দিলেন। (পশ্চিম আকাশের) লালিমা অদৃশ্য হবার পর সাওয়ারী থেকে নেমে মাগরিব ও ‘ইশা একসাথে আদায় করেন। তারপর বলেন, আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে দেখেছি, সফরে দ্রুত চলার প্রয়োজন হলে তিনি মাগরিবকে বিলম্ব করে মাগরিব ও ‘ইশা একসাথে আদায় করতেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৬৮৯

নভে. 212013
 

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেন, সফর ‘আযাবের অংশ বিশেষ। তা তোমাদের যথাসময় পানাহার ও নিদ্রায় বাধা সৃষ্টি করে। তাই প্রত্যেকেই যেন নিজের প্রয়োজন মিটিয়ে অবলম্বনে আপন পরিজনের কাছে ফিরে যায়।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৬৮৮

নভে. 182013
 

সুলায়মান ইবনু দাঊদ আবূ রবী‘ (রহঃ) নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনু ‘উমর (রাঃ) মক্কা গমনের ইচ্ছা করলে দেহে সুগন্ধিহীন তেল লাগাতেন। তারপর যুল-হুলাইফা’র মসজিদে পৌঁছে সালাত (নামায) আদায় করে সওয়ারীতে আরোহণ করতেন। তাঁকে নিয়ে সাওয়ারী সোজা দাঁড়িয়ে গেলে তিনি ইহ্‌রাম বাঁধতেন। এরপর তিনি (ইবনু ‘উমর (রাঃ)) বলতেন, আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে এরূপ করতে দেখেছি।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৪৬০

নভে. 172013
 

আবূল ওয়ালীদ (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিথ, তিনি বলেন, আমি এক সফর থেকে প্রত্যাবর্তন করলাম! তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন, ‘দু’রাকাআত সালাত (নামায) আদায় করে নাও। ’ সিরার হচ্ছে মদিনার উপকন্ঠের একটি স্থানের নাম।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৭২

নভে. 172013
 

আবূ আসিম (রহঃ) কাব (ইবনু মালিক) (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন চাশতের সময় সফর থেকে প্রত্যাবর্তন করতেন, তখন মসজিদে প্রবেশ করে বসার পূর্বে দু’রাকাআত সালাত (নামায) আদায় করতেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৭০

নভে. 172013
 

সুলাইমান ইবনু হারব (রহঃ) জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক সফরে আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা যখন মদিনায় পৌঁছলাম, তখন তিনি আমাকে বললেন, ‘হে জাবির!) মসজিদে প্রবেশ কর এবং দু‘রাকাআত সালাত (নামায) আদায় কর। ’

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮৬৯

নভে. 172013
 

কুতাইবা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন পুরুষ যেন অপর কোন মহিলার সাথে নির্জনে অবস্থান না করে, কোন স্ত্রীলোক যেন কোন মাহরাম সঙ্গী ব্যতীত সফর না করে। এক ব্যাক্তি দাঁড়িয়ে বলল, ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! অমুক অমুক যুদ্ধের জন্য আমার নাম তালিকাভূক্ত করা হয়েছে। কিন্তু আমর স্ত্রী হাজ্জে (হজ্জ) যাবে। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘তবে যাও নিজ স্ত্রীর সঙ্গে হাজ্জ (হজ্জ) কর’।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭৯৮

নভে. 172013
 

আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, সফর যেন আযাবের একটি অংশ। যা তোমাদেরকে নিদ্রা, আহার ও পান করা থেকে বিরত রাখে। কাজেই তোমাদের কেউ যখন সফরে নিজ কাজ সম্পন্ন করে ফেলে, সে যেন তারপর নিজ পরিবার পরিজনের কাছে দ্রুত চলে আসে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৭৯৩