অক্টো. 312013
 

ইসহাক ইবন মনসুর (রহঃ) ও আমর (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিত। নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ কবীরা গুনাহ সমুহের মধ্যে সবচাইতে বড় গুনাহ হচ্ছে আল্লাহর সাথে শরীক করা, প্রান সংহার করা, পিতা-মাতার অবাধ্য- হওয়া আর মিথ্যা বলা, অথবা বলেছেনঃ মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ রক্তপন হাদিস নাম্বারঃ ৬৪০৫

অক্টো. 312013
 

মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ কবীরা গুনাহ হচ্ছে আল্লাহর সাথে শরীক করা, পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া অথবা বলেছেনঃ মিথ্যা কসম করা। শুবা (রহঃ) তাতে সন্দেহ পোষণ করেন এবং মুয়ায (রহঃ) বলেনঃ শুবা আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন, কবীরা শোনাহ হচ্ছে আল্লাহর সাথে শরীক করা, মিথ্যা কসম করা আর মাতা-পিতার অবাধ্য হওয়া অথবা বলেছেনঃ প্রাণ সংহার করা।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ রক্তপন হাদিস নাম্বারঃ ৬৪০৪

অক্টো. 312013
 

কুতায়বা ইবন সাঈদ (রহঃ) আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এক ব্যাক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসুল আল্লাহর নিকট সবচেয়ে বড় গুনাহ কোনটি? তিনি বললেনঃ তুমি আল্লাহ সাথে কাউকে সমকক্ষ সাব্যস্ত কর অথচ তিনিই তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। লোকটি বলল, এরপর কোনটি? তিনি বললেনঃ তারপর হল, তুমি তোমার সন্তানকে এ ভয়ে হত্যা কর যে, সে তোমার সাথে আহার করবে। লোকটি বলল, এরপর কোনটি? তিনি বললেনঃ তারপর হল, তুমি তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে যিনা কর। অতঃপর আল্লাহ এ কথার সত্যায়নে অবতীর্ণ করলেনঃ এবং তারা আল্লাহর সঙ্গে কোন ইলাহকে ডাকে না, আল্লাহ যার হত্যা নিষেধ করেছেন। যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে তাকে হত্যা করে না এবং ব্যঁভিচার করে না। যে এগুলো করে সে শাস্তি ভোগ করবে (২৫- ৬৮)।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ রক্তপন হাদিস নাম্বারঃ ৬৩৯৬

অক্টো. 292013
 

আবদুল্লাহ্ ইবন মুনীর (রঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) কে কবীরা গুনাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, (সেগুলো হচ্ছে) আল্লাহর সাথে শরীক করা, পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া, কাউকে হত্যা করা এবং মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া। গুনদর, আবূ আমির, বাহয ওব আব্দুস সামাদ (রঃ) শু’বা (রঃ) থেকে হাদীস বর্ণনায় ওয়াহাব (রঃ) এর অনুসরণ করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শাহাদাত হাদিস নাম্বারঃ ২৪৭৭

অক্টো. 262013
 

মুহাম্মদ ইবন মুকাতিল (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ) নাবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ কবীরা গোনাহ সমুহের (অন্যতম) হচ্ছে আল্লাহ তাঁআলার সঙ্গে শরীক করা, পিতামাতার নাফরমানী করা, কাউকে হত্যা করা এবং মিথ্যা কসম করা।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শপথ ও মানত হাদিস নাম্বারঃ ৬২১৯

অক্টো. 202013
 

মুহাম্মদ ইবন হুসায়ন ইবন ইবরাহীম (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ জনৈক বেদুঈন নাবী (সাঃ) তার কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! কবীরা গুনাহ সমূহ কি? তিনি বললেনঃ আল্লাহর সাথে শরীক করা। সে বলল, তারপর কোনটি? তিনি বললেনঃ তারপর পিতা-মাতার অবাধ্যতা। সে বলল, তারপর কোনটি? তিনি বললেনঃ তারপর মিথ্যা কসম করা। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, মিথ্যা কসম কি? তিনি বললেনঃ যে ব্যাক্তি (কসম করা) মুসলমানের ধন সম্পদ হরণ করে নেয়। অথচ সে এ কসমের ব্যাপারে মিথ্যাবাদী।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদের তউবা হাদিস নাম্বারঃ ৬৪৫২

অক্টো. 202013
 

মুসাদ্দাদ (রহঃ) আবূ বাকরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ সবচেয়ে কঠিন কবীরা গুনাহ হচ্ছে আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা, পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া। মিথ্যা সাক্ষ্য কথাটি তিনবার বললেনঃ অথবা বলেছেনঃ মিথ্যা বক্তব্য। কথাটি বারবার বলতে থাকলেন এমন কি আমরা আকাঙ্ক্ষা করতে লাগলাম, হায় যদি তিনি নিরব হয়ে যেতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদের তউবা হাদিস নাম্বারঃ ৬৪৫১

অক্টো. 062013
 

মুহাম্মদ ইবন ওয়ালীদ (রহঃ) আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কবীরা গুনার কথা উল্লেখ করলেন অথবা তাকে কবীরা গুনাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হল। তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহর সঙ্গে শরীক করা। মানুষ হত্যা করা ও মা-বাপের নাফরমানী করা। তারপর তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাদের কবীরা গুনাহর অন্যতম গুনাহ সম্পর্কে সতর্ক করবো না? পরে বললেনঃ মিথ্যা কথা বলা। অথবা বলেছেনঃ মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া। শুবা (রহঃ) বলেনঃ আমার প্রবল ধারণা হয় যে, তিনি বলেছেনঃ মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৫৫২

অক্টো. 062013
 

আহমাদ ইবন ইউনূস (রাঃ) আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ কবীরা গুনাহসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বড় গুনাহ নিজের পিতা-মাতাকে লানত করা। জিজ্ঞাসা করা হলঃ ইমা রাসুলুল্লাহ (সাঃ)! আপন পিতা-মাতাকে কোন লোক কিভাবে লাঁনত করতে পারে? তিনি বললেনঃ সে অন্য কোন লোকের পিতাকে গালি দেয়, তখন সে তার পিতাকে গালি দেয় এবং সে অন্যের মাকে গালি দেয়, তারপরে সে তার মাকে গালি দেয়।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৫৪৮