নভে. 212013
 

ইয়াহইয়া ইবনু বুকায়র (রাঃ) ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি এ বলে দু’আ করতেন, হে আল্লাহ! আমাকে তোমার পথে শাহাদাত বরন করার সুযোগ দান কর এবং আমার মৃত্যু তোমার রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর শহরে দাও। ইবনু যুরায়’ই (রহঃ) হাফসা বিনত, উমর (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি ‘উমর (রাঃ)-কে অনুরুপ বর্ননা করতে শুনেছি। হিশাম (রহঃ) বলেন, যায়দ তাঁর পিতার সূত্রে হাফসা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি ‘উমর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, ‘’রাওহ তাঁর মায়ের সূত্রে এরুপ বলেছেন। ‘’

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭৬৯

নভে. 162013
 

মুআল্লা ইবনু আসা’দ (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হইতে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহর রাস্তায় একটি সকাল কিংবা একটি বিকাল অতিবাহিত করা দুনিয়া ও তাতে যা কিছু রয়েছে, তা থেকে উত্তম।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৬০০

নভে. 152013
 

মূসা দ্দাত (রহঃ)… আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে দিন আল্লাহর (আরশের) ছায়া ব্যতীত কোন ছায়া থাকবেনা সে দিন আল্লাহ তা‘আলা সাত প্রকার মানুষকে সে ছায়ায় আশ্রয় দিবেন। ১। ন্যায়পরায়ণ শ্বাসক। ২। যে যুবক আল্লাহর ইবাদতে নিমগ্ন থেকে যৌবনে উপনীত হয়েছে। ৩। যার অন্তরের সম্পর্ক সর্বদা মসজিদের সাথে থাকে। ৪। আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে যে দু‘ব্যাক্তি পরস্পর মহব্বত রাখে, উভয়ে একত্রিত হয় সেই মহব্বতের উপর আর পৃথক হয় সেই মহব্বতের উপর। ৫। এমন ব্যাক্তি যাকে সম্ভ্রান্ত সুন্দরী নারী (অবৈধ মিলনের জন্য) আহবান জানিয়েছে। তখন সে বলে, আমি আল্লাহকে ভয় করি। ৬। যে ব্যাক্তি গোপনে এমনভাবে সা’দকা করে যে, তার ডান হাত যা দান করে বাম হাত তা জনতে পারেনা। ৭। যে ব্যাক্তি নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তাতে আল্লাহর ভয়ে তার চোখ থেকে অশ্রু বের হয়ে পড়ে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যাকাত হাদিস নাম্বারঃ ১৩৪০

নভে. 122013
 

ইসহাক (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ যখন কোন বান্দাকে ভালবাসেন, তখন তিনি জিবরাঈলকে ডেকে বলেন, আল্লাহ অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তাই তুমিও তাকে ভালবাস। সূতরাং জিবরাঈল (আঃ) তাকে ভালবাসেন। তারপর জিবরাঈল (আঃ) আসমানে এ ঘোষণা করে দেন যে, আল্লাহ অমুক বান্দাকে ভালবাসেন, তোমরাও তাকে ভালবাসা তখন তাকে আসমানবাসীরা ভালবাসে এবং যমীনবাসীদের মাঝেও তাকে মকবুল করা হয়।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৯৭৭

নভে. 122013
 

উমার ইবন হাফস (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা ঘোষনা করেন, আমি সেইরুপই, যেরুপ বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে। আমি তার-সাথে থাকি যখন সে আমাকে স্বরণ করে। যদি সে মনে মনে আমাকে স্বরণ করে আমিও তাকে নিজে স্বরণ করি। আর যদি সে লোক-সমাবেশে আমাকে স্বরণ করে তবে আমিও তাদের চেয়ে উত্তম সমাবেশে তাকে স্বরণ করি। যদি সে আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয়, তবে আমি তার দিকে এক হাত অগ্রসর হই, যদি সে আমার দিকে এক হাত অগ্রসর হয়; আমি তার দিকে দু হাত অগ্রসর হই। আর সে যদি আমার দিকে হেঁটে অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে দৌড়ে অগ্রসর হই।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৯০১

নভে. 122013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তায়াআলার নিরানব্বইটি (এক কম একশতটি) নাম আছে। যে ব্যাক্তি এ নামসমূহ মুখস্থ করে রাখবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৮৮৮

নভে. 122013
 

সাবিত ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ) সুফিয়ান (রহঃ) এরুপ বর্ণনা করেছেন। তবে এতে বর্ণিত আছে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ আপনিই সত্য এবং আপনার বানীই যথার্থ।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৬৮৮২

নভে. 082013
 

কুতায়বা (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, বদরের যূদ্ধে হারিসা (রাঃ) আদৃশ্য তীরের আঘাতে শাহাদাতবরণ করলে তার মাতা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট আগমন করে বলল, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আমার অন্তরে হারিসার স্নেহ-মমতা যে কত গভীর তা তো আপনি জানেন। অতএব সে যদি জান্নাত লাভ করে তরে আমি তার জন্য কান্নাকাটি করব না। আর যদি ব্যতিক্রম হয় তবে আপনি অচিরেই দেখতে পাবেন আমি কি করি। তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি তো নির্বোধ। জান্নাত কি একটি, না কি অনেক? আর সে তো সবচেয়ে উন্নতমানের জান্নাত ফিরদাউসে রয়েছে। তিনি আরও বললেনঃ এক সকাল বা এক বিকাল আল্লাহর রাস্তায় চলা দুনিয়া ও তার মধ্যবর্তী সবকিছুর চাইতে উত্তম। তীরের দু-প্রান্তের দূরত্বের সমান বা কদম পরিমাণ জান্নাতের জায়গা দুনিয়া ও তৎ মধ্যবর্তী সবকিছুর চাইতে উত্তম। জান্নাতের কোন নারী যদি দুনিয়ার প্রতি দৃষ্টিপাত করে তবে সমস্ত দুনিয়া আলোকিত ও খুশবুতে মোহিত হয়ে যাবে। জান্নাতি নারীর নাসীফ (ওড়না) দুনিয়ার সব কিছুব চেয়ে উত্তম।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৬১২১

নভে. 082013
 

ইমরান ইবন মায়সারাহ ও উসায়দ ইবন যায়িদ (রহঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ পূর্ববতী উম্মাতদের আমার সমীপে পেশ করা হয়। কোন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর অনেক উম্মাতকে সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন। কোন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কয়েকজন উম্মাতকে সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন। কোন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) র সঙ্গে রয়েছে দশজন উম্মাত। কোন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) র সঙ্গে পাঁচজন আবার কোন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একা একা যাচ্ছেন। নজর করলাম হঠাৎ দেখি অনেক বড় একটি দল। আমি বললামঃ হে জিবরাঈল! ওরা কি আমার উম্মাত? তিনি বললেনঃ না। তবে আপনি ঊধর্বলোকে নজর করুন! আমি নজর করলাম, হঠাৎ দেখি অনেক বড় একটি দল। ওরা আপনার উম্মাত। আর তাদের সামনে রয়েছে সত্তর হাজার লোক তাদের কোন হিসাব হবে না হবে না তাদের কোন আযাব। আমি বললাম, তা কেন! তিনি বললেনঃ তারা কোন দাগ লাগাত না, ঝাড়ফুকের শরণাপন্ন হত না এবং কুযাত্রা মানত না। আর তারা কেবল তাদের প্রভূর ওপরই ভরসা করত। তখন উক্কাশা ইবন মিহসান নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এব দিকে উঠে দাঁড়িয়ে বললেনঃ আপনি আমার জন্য দোয়া করুন আল্লাহ তা আলা যেন আমাকে তাদের অন্তভুক্ত করেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ হে আল্লাহ! তুমি একে তাদের অন্তর্ভুক্ত কর। এরপর আরেক ব্যাক্তি উঠে দাড়িয়ে বলল! আমার জন্য দোয়া করুন আল্লাহ যেন আমাকে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ উক্কাশাতো দোয়ার ব্যাপারে তোমার চেয়ে অগ্রগামী হয়ে গিয়েছে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৬০৯৮

নভে. 082013
 

মুহাম্মাদ ইবন আলা (রহঃ) আবূ মূসা আশয়ারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহর মূলাকাতকে ভালবাসে, আল্লাহ তাঁলাও তার মুলাকাতকে ভালবাসেন। আর যে ব্যাক্তি আল্লাহর মুলাকাতকে ভালবাসে না, আল্লাহ তা’আলাও তার মুলাকাত ভালবাসেন না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৬০৬৪