নভে. 152013
 

মুহাম্মদ ইবনুল মূসান্না (রহঃ) যিয়াদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন , এক ব্যাক্তি এসে (‘আবদুল্লাহ) ইবনু ‘উমর (রাঃ) -কে বলল যে , এক ব্যাক্তি কোন এক দিনের সাওম (রোযা) পালন করার মানত করেছে , আমার মনে হয় সে সোমবারের কথা বলেছিল। ঘটনাক্রমে ঐ দিন ঈদের দিন পড়ে যায়। ইবনু ‘উমর (রাঃ) বললেন , আল্লাহ তা‘আলা মানত পুরা করার নির্দেশ দিয়েছেন আর নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই (ঈদের) দিনে সাওম (রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৮৭০

নভে. 102013
 

মূসাদ্দাদ (রহঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, জনৈকা মহিলা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট এসে বলল, আমার মাতা হাজ্জ (হজ্জ) করার মানত করেছিলেন। এরপর তিনি হাজ্জ (হজ্জ) করার পুর্বেই মৃত্যু বরণ করেন। এখন আমি কি তার পক্ষ থেকে হাজ্জ (হজ্জ) আদায় করে দেব? উত্তরে তিনি বললেনঃ হ্যা, তার পক্ষ থেকে হাজ্জ (হজ্জ) আদায় করে দাও। মনে কর যদি তার উপর ঋণ থাকত তাহলে কি তুমি তা আদায় করতে? সে বলল, নিশ্চয়ই। তিনি বললেনঃ অতএব তার উপর যে মানত রয়েছে তা তুমি আদায় করে দাও। আল্লাহ তাআলা অধিক হকদার, তার মানত পূর্ণ করার।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কুরআন ও সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে ধারন হাদিস নাম্বারঃ ৬৮১৭

নভে. 082013
 

মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ইমরান ইবন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে আমার যমানার লোকেরাই সর্বোত্তম। তারপর এর পরবর্তী যমানার লোকেরা। তারপর এদের পরবর্তী যমানার লোকেরা। ইমরান (রাঃ) বর্ণনা করেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ কথাটি দুবার কি তিনবার বললেনঃ তা আমার স্বরণ নেই- তারপর এমন লোকদের আবির্ভাব হবে যে, তারা সাক্ষ্য দিবে, অথচ তাদের সাক্ষ্য চাওয়া হবে না। তারা খিয়ানতকারী হবে। তাদের আমানতদার মনে করা হবে না। তারা মানত মানবে তা পূরণ করবে না। তাদের দৈহিক হিস্টপুস্টতা প্রকাশিত হবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৯৮৫

অক্টো. 292013
 

আদম (রঃ) ইমরান ইবন হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) বলেছেন, আমার যুগের লোকেরাই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম। তারপর তাদের নিকটবর্তী যুগের লোকেরা, এরপর নিকটবর্তী যুগের লোকেরা। ইমরান (রাঃ) বলেন, আমি বলতে পারছি না, নাবী (সাঃ) (তার যুগের) পরে দুই যুগের কথা বলছিলেন, না তিন যুগের কথা। নাবী (সাঃ) বলেছেন, তোমাদের পর এমন লোকদের আগমন ঘটবে, যারা খিয়ানত করবে, আমানতদারী রক্ষা করবে না। সাক্ষ্য দিতে না ডাকলেও তারা সাক্ষ্য দিবে। তারা মান্নত করবে কিন্তু তা পূর্ণ করবে, না। তাদের মধ্যে মেদ বৃদ্ধি পাবে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শাহাদাত হাদিস নাম্বারঃ ২৪৭৫

অক্টো. 262013
 

আব্দুল্লাহ ইবন মাসলামা (রহঃ) যিয়াদ ইবন জুবায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন! আমি একবার ইবন উমর (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম। এক ব্যাক্তি তাঁকে জিজ্ঞাসা করল, আমি মানত করেছিলাম যে, যতদিন আমি বেচে থাকব ততদিন প্রতি মঙ্গলবার এবং বুধবার সাওম (রোযা) পালন করব। কিন্তু এর মাঝে কুরবানীর দিন পড়ে গেল। (তখন এর কি হুকুম হবে?) তিনি বললেন! আল্লাহ তাআলা মানত পূরা করার হুকুম করেছেন; এদিকে কুরবানীর দিনে সাওম (রোযা) পালন করতে আমাদেরকে নিষেধ করা হয়েছে। লোকটি প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি করল। তিনি এরুপই উত্তর দিলেন, এর চেয়ে বেশি কিছু বললেন না।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শপথ ও মানত হাদিস নাম্বারঃ ৬২৪৯

অক্টো. 262013
 

মুসা ইবন ইসমাঈল (রহঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা নাবী (সাঃ) খুতবা প্রদান করছিলেন। এক ব্যাক্তিকে দাড়ানো দেখে তার সম্পর্কে লোকদের কাছে জিজ্ঞাসা করলেন। লোকেরা বলল যে, এ লোকটির নাম আবূ ইসরাঈল। সে মানত করেছে ষে, দাড়িয়ে থাকবে, বসবে না, ছায়াতে যাবে না, কারও সঙ্গে কথা বলবে না এবং সাওম (রোযা) পালন করবে। নাবী (সাঃ) বললেনঃ লোকটিকে বলে দাও সে যেন কথা বলে, ছায়াতে যায়, বসে এবং তার সাওম (রোযা) সমাপ্ত করে। আবদূল ওয়াহহাব, আইউব ও ইকরামার সুত্রে নাবী (সাঃ) থেকে অত্র হাদীস বর্ণনা করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শপথ ও মানত হাদিস নাম্বারঃ ৬২৪৭

অক্টো. 262013
 

আবূ আসিম (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি আল্লাহ তা’আলার আনুগত্য করার মানত করে সে যেন তার আনুগত্য করে। আর যে ব্যাক্তি আল্লাহর নাফরমানী করার মানত করে সে যেন তার নাফরমানী না করে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শপথ ও মানত হাদিস নাম্বারঃ ৬২৪৩

অক্টো. 262013
 

আদম (রহঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নাবী (সাঃ) -এর কাছে জনৈক ব্যাক্তি এসে বলল যে, আমার বোন হাজ্জ (হজ্জ) করবে বলে মানত করেছিল। আর সে মারা গিয়েছে। তখন নাবী (সাঃ) বললেনঃ তার ওপর যদি কোন ঋণ থাকত তরে কি তুমি তা পূরণ করতে না? লোকটি বলল, হ্যা। তিনি বললেনঃ সুতরাং আল্লাহ তা আলার হককে আদায় করে দাও। কেননা, আল্লাহর হক আদায় করাটা তো অধিক কর্তব্য।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শপথ ও মানত হাদিস নাম্বারঃ ৬২৪২

অক্টো. 262013
 

আবূল ইয়ামান (রহঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। উবায়দুল্লাহ ইবন আব্দুল্লাহ (রাঃ)-কে ইবন আব্বাস (রাঃ) এ মর্মে জানিয়েছেন যে, সাদ ইবন উবাদা আনসারী (রাঃ) নাবী (সাঃ) এর কাছে জানতে চেয়েছিলেন তার মাতার কোন এক মানত সম্পর্কে, যা আদায় করার পূর্বেই তিনি ইনতিকাল করেছিলেন। তহান নাবী (সাঃ) তাকে তার মায়ের পক্ষ থেকে মানত আদায় করে দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করলেন। আর পরবর্তীতে এটাই সূন্নাত হিসাবে পরিগণিত হল।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শপথ ও মানত হাদিস নাম্বারঃ ৬২৪১

অক্টো. 262013
 

মুহাম্মাদ ইবন মুকাতিল আবূল হাসান (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিত যে, উমর (রাঃ) একদা বললেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ)! আমি জাহিলী যুগে মানত করেছিলাম যে, মসজিদে হারামে এক রাত ইতিকাফ করব। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার মানত পুরা করে নাও।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শপথ ও মানত হাদিস নাম্বারঃ ৬২৪০