নভে. 172013
 

আলী ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) আবূ মূসা আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তিন প্রকারের ব্যাক্তিকে দ্বিগুন সওয়াব প্রদান করা হবে। যে ব্যাক্তির একটি বাদী আছে সে তাকে শিক্ষা দান করে, শিষ্টাচার শিক্ষা দেয় এবং তাকে উত্তমরূপে শিষ্টাচার দান করে। তারপর তাকে আযাদ করে দিয়ে তাকে বিয়ে করে। সে ব্যাক্তির জন্য দ্বিগুন সওয়াব রয়েছে। আর আহলে কিতাবদের মধ্যে থেকে মু‘মিন ব্যাক্তি যে তার নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) র প্রতি ইমান এনেছিল। তারপর নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর প্রতি ঈমান এনেছে। তাঁর জন্য দিগুন সওয়াব রয়েছে। যে গোলাম আল্লাহর হক যথাযথভাবে আদায় করে এবং স্বীয় মনীবের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে, (তার জন্যও দ্বিগুন সওয়াব রয়েছে) শা‘বী (রহঃ) এ হাদীসটি বর্ণণা করে সালেহকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমি তোমাকে এ হাদীসটি কোন বিনিময় ছাড়াই শুনিয়েছি। অথচ এর চেয়ে সহজ হাদিস শোনার জন্য লোকেরা মদিনা পর্যন্ত সফর করতেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৮০৩

নভে. 152013
 

মুহাম্মদ ইবনু ‘আলা (রাঃ)… আবূ মূসা (আশ’আরী) (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মানুষের উপর অবশ্যই এমন এক সময় আসবে যখন লোকেরা সা’দকার সোনা নিয়ে ঘুরে বেড়াবে কিন্তু একজন গ্রহীতাও পাবে না। পুরুষের সংখ্যা হ্রাস পাওয়ায় এবং নারীর সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে চল্লিশজন নারী একজন পুরুষের অনুগমন করবে এবং তার আশ্রয়ে আশ্রিতা হবে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যাকাত হাদিস নাম্বারঃ ১৩৩১

নভে. 152013
 

‘আব্দুল ‘আযীয ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্ত্রীদের সঙ্গে ঈলা করলেন। এ সময় তাঁর পা মচকে গিয়েছিল। তখন তিনি উপরের কামরায় উনত্রিশ রাত অবস্থান করেন। এরপর অবতরন করলে ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আপনি তো এক মাসের জন্য ঈলা করেছিলেন। তিনি বললেনঃ মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়ে থাকে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৭৯০

নভে. 152013
 

আবূ ‘আসিম (রহঃ)। উম্মে সালমা (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক মাসের জন্য তাঁর স্ত্রীদের সঙ্গে ঈলা করলেন। ঊনত্রিশ দিন পার হওয়ার পর সকালে বা সন্ধায় তিনি তাঁদের নিকট গেলেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হল, আপনি তো এক মাস পর্যন্ত না আসার শপথ করেছিলেন? তিনি বলেলেন, মাস ঊনত্রিশ হয়েও থাকে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৭৮৯

নভে. 152013
 

‘আব্দান (রহঃ) ’আলকামা (রহঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) এর সঙ্গে চলতে ছিলাম তখন তিনি বললেন, আমরা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে ছিলাম, তিনি বললেনঃ যে ব্যাক্তির সামর্থ্য আছে, সে যেন বিবাহ করে নেয়। কেননা বিবাহ চোখকে অবনত রাখে এবং লজ্জাস্থানকে সংরক্ষন করে। আর যার সামর্থ্য নেই, সে যেন সাওম (রোযা) পালন করে। সাওম (রোযা) তাঁর প্রবৃত্তিকে দমন করে। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, শব্দের অর্থ বিবাহ।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৭৮৪

নভে. 142013
 

হযরত আবদুল গাফফার ইবনু দাউদ (রহঃ) হযরত আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্নিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খায়বার গমন করেন। যখন মহান আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর পক্ষে দুর্গের বিজয় দান করেন, তখন তাঁর সামনে সাফিয়্যা (রাঃ) বিনত হুয়ায়্যি ইবনু আখতাব এর সৌন্দর্যের আলোচনা করা হয়। তাঁর স্বামী নিহত হয় এবং তিনি তখন ছিলেন নব-বিবাহিতা। অবশেষে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে নিজের জন্য গ্রহন করে নেন। তিনি তাঁকে নিয়ে রওয়ানা হন। যখন আমরা সা’দ্দা রাওহা নামক স্থানে উপনীত হলাম, তখন হযরত সাফিয়্যা (রাঃ) পবিত্র হলেন। তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর সাথে মিলিত হন। তারপর চামড়ার ছোট দস্তরখানে খাদ্য (খেজুরের ছাতু ও ঘি মিশ্রিত) তৈরী করে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমরা আশেপাশের লোকদের উপস্থিত হওয়ার জন্য খবর দিয়ে দাও। এই ছিল হযরত সাফিয়্যা (রাঃ) এর বিবাহে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কর্তৃক ওলীমা। এরপর আমরা মদিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। হযরত আনাস (রাঃ) বলেন, আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে দেখতে পেলাম যে, তাঁকে নিজের আবা’ দিয়ে ঘেরাও করে দিচ্ছেন। তারপর তিনি তাঁর উটের পাশে বসে হাঁটু মোবারক সোজা করে রাখলেন, পরে হযরত সাফিয়্যা (রাঃ) তাঁর হাঁটুর উপর পা দিয়ে ভর করে আরোহন করলেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ক্রয় – বিক্রয় হাদিস নাম্বারঃ ২০৯৩

নভে. 142013
 

হযরত আলী ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) হযরত আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে বর্নিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) গ্রামবাসীর পক্ষে শহরবাসী কর্তৃক বিক্রয় করা থেকে নিষেধ করেছেন এবং তোমরা প্রতারনামূলক দালালী করবেনা। কোন ব্যাক্তি যেন তার ভাইয়ের ক্রয়-বিক্রয়ের উপর ক্রয়-বিক্রয় না করে। কেউ যেন তার ভাইয়ের বিবাহের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব না দেয়। কোন মহিলা যেন তার বোনের (সতীনের) তালাকের দাবী না করে, যাতে সে তার পাত্রে যা কিছু আছে, তা নিজেই নিয়ে নেয়।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ক্রয় – বিক্রয় হাদিস নাম্বারঃ ২০০৭

নভে. 132013
 

হযরত আবদান (রহঃ) হযরত হুসাইন ইবনু আলী (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বর্ননা করেন, হযরত আলী (রাঃ) বলেছেন, (বদর যু্দ্ধের) গনীমতের মাল থেকে আমার অংশের একটি উটনী ছিল এবং রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর খুমস্ থেকে একটি উটনী আমাকে দান করলেন। যখন আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কন্যা হযরত ফাতিমা (রাঃ) এর সঙ্গে বাসর রাত যাপনের ইচ্ছা করলাম, সে সময়ে আমি কায়নুকা গোত্রের একজন স্বর্নকারের সাথে এই চুক্তি করেছিলাম যে, সে আমার সঙ্গে (জংগলে) যাবে এবং ইযখির ঘাস বহন করে আনবে এবং তা স্বর্নকারদের নিকট বিক্রি করে তার মূল্য দ্বারা আমার বিবাহের ওয়ালীমার ব্যাবস্থা করব।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ক্রয় – বিক্রয় হাদিস নাম্বারঃ ১৯৫৯

নভে. 102013
 

আব্দুল্লাহ ইবন ইউসুফ (রহঃ) আলী (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেনঃ খায়বারের বছর নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুতআ (স্বল্পকালের জন্য বিয়ে করা) থেকে এবং গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ যবাহ করা, শিকার করা হাদিস নাম্বারঃ ৫১২৬

নভে. 102013
 

ইয়াহইয়া (রহঃ) সাহল ইবন সা-দ (রাঃ) বনূ সাঈদার ভ্রাতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, এক আনসারী ব্যাক্তি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -এর নিকট এসে বলল, আপনার কি রায়? যদি কোন ব্যাক্তি তার স্ত্রীর সাথে অন্য কোন পুরুষকে দেখতে পায় তাহলে কি সে তাকে হত্যা করবে? পরে সে ব্যাক্তি ও তার স্ত্রীকে মসজিদে লিআন করানো হয়েছিল, তখন আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আহকাম হাদিস নাম্বারঃ ৬৬৭৯