নভে. 212013
 

মূসা’দ্দাদ (রহঃ) উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, উম্মে সুলায়ম (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আল্লাহ সত্য প্রকাশ করতে লজ্জাবোধ করেন না। মেয়েদের স্বপ্নদোষ হলে কি তাদের উপর গোসল ফরয হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। যখন সে বীর্য দেখতে পারবে। এ কথা শুনে উম্মে সালামা (রাঃ) হাসলেন এবং বললেন, মেয়েদের কি স্বপ্নদোষ হয়? তখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তা না হলে সন্তান তার সদৃশ হয় কিভাবে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আম্বিয়া কিরাম (আঃ) হাদিস নাম্বারঃ ৩০৯৩

নভে. 152013
 

ইবনু আবূ মারইয়াম (রহঃ) আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন , নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন : এ কথা কি ঠিক নয় যে হায়য শুরু হলে মেয়েরা সালাত (নামায) আদায় করেনা এবং সাওম (রোযা)ও পালন করে না। এ হল তাদের দ্বীনেরই ত্রুটি।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৮২৭

নভে. 152013
 

মূসা’দ্দাদ (রহঃ) উম্মে সালামা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সঙ্গে একই চাঁদরে আমি ছিলাম। এমন সময় আমার হায়য শুরু হল। তখন আমি আমার হায়যের কাপড় পরিধান করলাম। তিনি বললেন :তোমার কি হল? তোমার কি হায়য দেখো দিয়েছে? আমি বললাম , হ্যাঁ; তারপর আমি আবার তাঁর সঙ্গে চাঁদরের ভিতর ঢুকে পড়লাম। তিনি এবং রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একই পাত্র থেকে গোসল করতেন এবং সায়িম অবস্থায় রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে চুমু দিতেন।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ সাওম বা রোজা হাদিস নাম্বারঃ ১৮০৬

নভে. 122013
 

কাবীসা (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন কুরআন পাঠ করতেন তখন তার মাথা মুবারক থাকত আমার কোলে অথচ আমি তখন ঋতুমতী অবস্হায় ছিলাম।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাওহীদ প্রসঙ্গ হাদিস নাম্বারঃ ৭০৪০

নভে. 102013
 

ইয়াহইয়া ও মুহাম্মাদ ইবন উকবা (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। জনৈক মহিলা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে জিজ্ঞাসা করল, হায়েয থেকে গোসল (পবিত্রতা অর্জন) কিভাবে করতে হয়? তিনি বললেনঃ তুমি সুগন্ধিমুক্ত এক টুকরা কাপড় হাতে নেবে। তারপর এর সারা পবিত্রতা অর্জন করে নেবে। মহিলা বলে উঠল, আমি এর দ্বারা কিভাবে পবিত্রতা অর্জন করে নেব? নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি এর দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করে নেবে। মহিলা আবার বলে উঠল, এর দ্বারা কিভাবে পবিত্রতা অর্জন করে নেব? নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি এর দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করে নেবে। আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আমি বুঝতে পারলাম রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ এর দ্বারা কি বোঝাতে চাচ্ছেন? এরপর মহিলাটিকে আমার দিকে টেনে আনলাম এবং বিযয়টি তাকে জানিয়ে দিলাম।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কুরআন ও সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে ধারন হাদিস নাম্বারঃ ৬৮৫৫

নভে. 052013
 

আদম (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) ফিরে আসার ইচ্ছা করলেন। তখন সাফিয়্যা (রাঃ) ঋতুস্রাব আরম্ভ হওয়ায় তার দরজার সামনে চিন্তিত ও বিষদ বদনে দাঁড়িয়ে আছেন দেখতে পেলেন। তখন তিনি কুরাইশদের বাগধারায় বলেনঃ ‘আকরা হালকী’। তুমি তো দেখছি, আমাদের আটকিয়ে দিবে। এরপর জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কি কুরবানীর দিনে ফরয তাওয়াফ আদায় করেছিলে? তিনি বললেন: হ্যা। তখন তিনি বললেনঃ:- তাহলে এখন তুমি চলো।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৭২৬

নভে. 052013
 

মুহাম্মদ ইবন মুসান্না (রহঃ) যায়নাব বিনত উম্মে সালামা (রহঃ) থেকে বর্নিত যে, একবার উম্মে সুলায়ম (রাঃ) বলেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ)! আল্লাহ তো সত্য কথা বলতে লজ্জা করেন না। মেয়েলোকের স্বপ্নদোষ হলে তাদেরও কি গোসল করতে হবে? তিনি বললেনঃ হ্যা। যদি সে পানি (বীর্য) দেখতে পায়। তখন উম্মে সুলায়মা (রাঃ) হেসে দিলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন মেয়ে লোকেরও কি স্বপ্নদোষ হতে পারে? নাবী (সাঃ) বললেনঃ তা না হলে, সন্তানের মধ্যে সাদৃশ্য হয় কেমন করে?

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৬৬১

নভে. 022013
 

আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুল ওহাব (রহঃ) উম্মে আতিয়্যা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমাদেরকে নিষেধ করা হত, আমরা যেন কারো মৃত্যুতে তিন দিনের অধিক শোক পালন না করি। তবে স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশ দিন শোক পালন করতে হবে এবং আমরা যেন সুরমা খোশবু ব্যবহার না করি আর রঙীন কাপড় যেন পরিধান না করি তবে হালকা রঙের হলে দোষ নেই। আমাদেরকে অনূমতি দেওয়া হয়েছে! আমাদের কেউ যখন হায়েয শেষে গোসল করে পবিত্র হয় তখন সে (দূর্গন্ধ দূরকরনার্থে) আযফার নামক স্থানের কুস্ত (সুগন্ধি) ব্যবহার করতে পারে। তাছাড়া আমাদেরকে জানাযার পিছে পিছে যেতে নিষেধ করা হতো।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তালাক হাদিস নাম্বারঃ ৪৯৫১

অক্টো. 162013
 

হাসান ইবন মুদরিক (রহঃ) ’আবদুল্লাহ ইবন শাদ্দাত (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি আমার খালা নবী (সাঃ) –এর পত্নী মায়মূনা (রাঃ) থেকে শুনেছি যে, তিনি হায়য অবস্থায় সালাত (নামায) আদায় করতেন না; তখন তিনি রাসূল (সাঃ) এর সিজদার যায়গায় সোজাসুজি শুয়ে থাকতেন। নবী (সাঃ) তাঁর চাটাইয়ে সালাত (নামায) আদায় করতেন। সিজদা করার সময় তাঁর কাপড়ের অংশ আমার (মায়মূনার) গায়ে লাগতো।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হায়য হাদিস নাম্বারঃ ৩২৬

অক্টো. 162013
 

আহমদ ইবন ইউনুস (রহঃ) ’আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ হায়য দেখা দিলে সালাত (নামায) ছেড়ে দাও আর হায়যের সময় শেষ হয়ে গেলে রক্ত ধুয়ে নাও এবং সালাত (নামায) আদায় কর।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হায়য হাদিস নাম্বারঃ ৩২৪