নভে. 222013
 

মূসা ইবনু ইসলামাঈল (রহঃ) আবূ যার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পৃথিবীতে সর্বপ্রথম কোন মসজিদ তৈরি করা হয়েছে? তিনি বললেন, মসজিদে হারাম। আমি বললাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, মসজিদে আক্‌সা। আমি বললাম, উভয় মসজিদের (তৈরীর) মাঝে কত ব্যাবধান ছিল? তিনি বললেন, চল্লিস বছর। (তিনি আরো বললেন) এরপর তোমার যেখানেই সালাত (নামায)-এর সময় হবে, সেখানেই সালাত (নামায) আদায় করে নিবে। কেননা এর মধ্যে ফযীলত নিহিত রয়েছে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আম্বিয়া কিরাম (আঃ) হাদিস নাম্বারঃ ৩১২৭

১৭৪৭

 মসজিদ  ১৭৪৭ তে মন্তব্য বন্ধ
নভে. 212013
 

আবূ মা’মার (রহঃ) আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদিনায় এসে মসজিদ নির্মানের আদেশ দেন। তারপর বলেঃ হে বনূ নাজ্জার! আমার নিকট থেকে মূল্য নিয়ে (ভূমি) বিক্রি কর। তাঁরা বললেন। আমরা এর মূল্য কেবল আল্লাহর নিকট চাই। এরপর নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নির্দেশে মুশরিকদের কবর খুড়ে ফেলা হল এবং ধ্বংসাবশেষ সমতল করা হল, খেজুর গাছ গুলো কেটে ফেলা হল। কেবল মসজিদের কিবলার দিকে কিছু খেজুর গাছ সারিবদ্ধভাবে রাখা হল।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ %

নভে. 212013
 

সুলায়মান ইবনু হারব (রহঃ) যিয়াদের আযাদকৃত গোলাম কাযা’আ (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি আবূ সা’ইদ (রাঃ) কে যিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে বারটি যুদ্ধে অনশগ্রহন করেছিলেন, বলতে শুনেছি, চারটি বিষয় যা আমি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে বলতে শুনেছি (অথবা) তিনি রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ননা করতেন। আবূ সা’ইদ (রাঃ) বলেন, এ বিষয় গুলো আমাকে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আশ্চর্যা করে দিয়েছে এবং চমতকৃত করে ফেলেছে। (তা হল এই)স্বামী কিংবা মাহরাম ব্যতীত কোন মহিলা দুই দিনের পথ সফর করবে না। ‘ঈদুল ফিতর এবং ‘ঈদুল আযহা এ দুই দিন কেউ সাওম (রোযা) পালন করবে না। ‘আসরের পর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত এবং ফজরের পর সূর্য উদয় হওয়া পর্যন্ত কেউ সালাত (নামায) আদায় করবে না। মসজিদে হারাম, আমার মসজিদ এবং মসজিদে আকসা – এ তিন মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদের জন্য সফরের প্রস্তুতি গ্রহন করবে না।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ হজ্ব (হাজ্জ) হাদিস নাম্বারঃ ১৭৪২

নভে. 102013
 

আহমাদ ইবন সালিহ (রহঃ) জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি রসুন কিংবা পেঁয়াজ কাচা খায়, সে ব্যাক্তি যেন আমাদের থেকে কিংবা আমাদের মসজিদ থেকে পৃথক থাকে। আর সে যেন তার ঘরে বসে খাকে। এরপর তার খেদমতে একটি পাত্র আনা হল। বর্ণনাকারী ইবন ওয়াহব (রাঃ) বলেনঃ অর্থাৎ শাক-সব্জির একটি বড় পাত্র। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেই পাত্রে এক প্রকার গন্ধ অনুভব করলে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তাকে-পাত্রের মধ্যকার শাক-সজি সম্পর্কে অবগত করা হল। তিনি তা জনৈক সাহাবীকে খেতে দিতে বললেনঃ মিনি তার সাথে উপস্থিত রয়েছেন। এরপর তিনি যখন অনুভব করলেন, সে তা খেতে অপছন্দ করছে তখন তিনি বললেনঃ খাও। কারণ আমি যার সাথে গোপনে কথোপকথন করি, তুমি তাঁর সাথে তা কর না। ইবন উফায়র (রহঃ) ইবন ওয়াহব (রহঃ) (শাক-সজির একটি হাড়ি) বর্ণনা করেছেন। পক্ষান্তরে আবূ লায়স ও আবূ সাফওয়ান (রহঃ) হাড়ির ঘটনা উল্লেখ করেননি। এটি কি হাদীস বর্ণিত না যুহরী (রহঃ) এর উক্তি এ সম্পর্কে আমার জানানেই।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কুরআন ও সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে ধারন হাদিস নাম্বারঃ ৬৮৫৭

নভে. 102013
 

আবূ নূআয়ম (রহঃ) ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কবরে মসজিদে কখনো পায়ে হেঁটে আবার কখনো সাওয়ার হয়ে আসতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কুরআন ও সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে ধারন হাদিস নাম্বারঃ ৬৮২৭

নভে. 092013
 

আলী ইবন আব্দুল্লাহ (রহঃ) আব্দুল্লাহ ইবন যায়দ আনসায়ী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে মসজিদে চিত হয়ে শুয়ে থাকতে দেখেছি, তখন তার এক পা আরেক পায়ের উপর রাখা ছিল।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অনুমতি চাওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৮৫০

নভে. 082013
 

সাদ ইবন হাফস (রহঃ) ইবন আবান থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-এর কাছে উযূর পানি নিয়ে এলাম। তখন তিনি মাকায়িদ-এ বসা ছিলেন। তিনি উত্তমরুপে উযূ করলেন। তারপর তিনি বললেনঃ আমি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -কে এ স্থানেই দেখেছি, তিনি উত্তমরুপে উজূ করলেন, এরপর তিনি বললেনঃ যে ব্যাক্তি এ উযূর মতো উযূ করবে, তারপর মসজিদে এসে দুরাকাআত সালাত (নামায) আদায় করে সেখানে বসবে, তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। তিনি বললেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরও বলেন যে, তোমরা ধোকায় পড়ো না। ইমাম বুখারী বলেনঃ তিনি হুমরান ইবন আবান।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ কোমল হওয়া হাদিস নাম্বারঃ ৫৯৯০

নভে. 072013
 

আবূল ওয়ালীদ (রহঃ) যিয়াদের আযাদকৃত দাস কাযা’আ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবূ সায়ীদ খুদ্‌রী (রাঃ)-কে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে চারটি বিষয় বর্ণনা করতে শুনেছি, যা আমাকে আনন্দিত ও মুগ্ধ করেছে। তিনি বলেছেনঃ মহিলারা স্বামী কিম্বা মাহ্‌রাম১ ব্যাতীত দু’দিনের দূরত্বের পথে সফর করবে না। ইদুল ফিত্‌র ও ইদুল আযহার দিনগুলোতেই সিয়াম পালন নেই। দু’ (ফজর) সালাত (নামায)-এর পর কোন (নফল ও সুন্নাত) সালাত (নামায) নেই। ফজরের পর সূর্যোদয় (সম্পন্ন) হওয়া পর্যন্ত এবং আসরের পর সূর্য অস্তমিত হয়ে যাওয়া পর্যন্ত। এবং ১ মাসজিদুল হারাম, (কা’বা শরীফ ও সংলগ্ন মসজিদ) ২ মাসজিদুল আক্‌সা (বাইতুল মুকাদ্দাসের মসজিদ) এবং ৩ আমার মসজিদ (মদিনার মসজিদে নবূবী) ব্যাতীত অন্য কোন মসজিদে (সালাত (নামায) আদায়ের উদ্দেশ্যে) হাওদা বাঁধা যাবে না। (সফর করবে না) ১ মাহ্‌রামঃ স্থায়ীভাবে বিবাহ করা হারাম এমন সম্পর্কযুক্ত পুরুষ যেমন – দাদা, বাবা, ভাই, ভাতিজা, মামা, চাচা, শ্বশুর ইত্যাদি।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাহাজ্জুদ বা রাতের সালাত হাদিস নাম্বারঃ ১১২৩

নভে. 072013
 

মূসাদ্দাদ (রহঃ) ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরোহণ করে কিংবা পায়ে হেঁটে কুবা মসজিদে আসতেন। ইব্‌ন নুমাইর (রহঃ) নাফি’ (রহঃ) থেকে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানে দু’ রাকা’আত সালাত (নামায) আদায় করতেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাহাজ্জুদ বা রাতের সালাত হাদিস নাম্বারঃ ১১২০

নভে. 072013
 

মূসা ইব্‌ন ইসমায়ীল (রহঃ) ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রতি শনিবার কুবা মসজিদে আসতেন, কখনো পায়ে হেঁটে, কখনো আরোহণ করে। আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন উমর (রাঃ)-ও তা-ই করতেন

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ তাহাজ্জুদ বা রাতের সালাত হাদিস নাম্বারঃ ১১১৯