নভে. 182013
 

কুতাইবা ইবনু সাঈদ (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকৈ বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, চারটি সÿাব যার মধ্যে পাওয়া যাবে, সে খালিস মুনাফিক গণ্য হবে। যে কথা বলার সময় মিথ্যা বলে, আর যখন অঙ্গীকার করে ভঙ্গ করে, প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিশ্বাসঘাতকতা করে, যখন ঝগড়া করে গালমন্দ করে। যার মধ্যে এগুলোর কোন একটি স্বভাব পাওয়া যাবে, তার মধ্যে নিফাকের একটি সাপ পাওয়া গেল, যে পর্যন্ত না সে পরিত্যাগ করে।

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জিহাদ হাদিস নাম্বারঃ ২৯৫৪

নভে. 052013
 

সাঈদ ইবন উফায়র (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ অমুক অমুক ব্যাক্তি আমাদের দ্বীন সম্পর্কে কিছু জানে বলে আমি ধারণা করি না। রাবী লায়স বর্ণনা করেন যে, এ দু-ব্যাক্তি মুনাফিক ছিল।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আচার ব্যবহার হাদিস নাম্বারঃ ৫৬৪১

নভে. 042013
 

আদাম ইবন আবূ ইয়াস (রহঃ) হুযায়ফা ইবন-ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ বর্তমান যুগের মুনাফিকরা নাবী (সাঃ) এর যুগের মুনাফিকদের চাইতেও জঘন্য। কেননা, সে যূগে তারা (মুনাফিকী) করত গোপনে আর আজ করে প্রকাশ্যে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ফিতনা হাদিস নাম্বারঃ ৬৬২৮

নভে. 012013
 

সাদাকা (রহঃ) আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যখন আব্দুল্লাহ ইবন উবাই মারা যায়, তখন তার ছেলে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) -এর নিকট আসে। সে বললঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ)! আপনার জামাটি আমাকে দিন। আমি এ দিয়ে তাকে করর দিব। আর তার জানালার সালাত (নামায) আপনি আদায় করবেন এবং তার জন্য ইস্তিগফার করবেন। তিনি নিজের জামাটি তাকে দিয়ে দেন এবং বলেন যে, তুমি (কাফন পরানোর কাজ) সেরে ফেলে আমাকে সংবাদ দিবে। তারপর তিনি (কাফন পরানোর কাজ সেরে তাকে সংবাদ দিলেন) নাবী (সাঃ) তার জানাযার সালাত (নামায) আদায় করতে এলেন। উমর (রাঃ) তাকে টেনে ধরে বললেনঃ আল্লাহ কি আপনাকে মুনাফিকদের (জানাযার) সালাত (নামায) আদায় করতে নিষেধ করেননি? তিনি এ আয়াতটি পড়লেনঃ তুমি ওদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর অথবা তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা না কর একই কথা। তুমি সত্তরবার ওদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করলেও আল্লাহ ওদের কখনই ক্ষমা করবেন না তখন নাযিল হয়ঃ ওদের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে তুমি কখনও ওদের জন্য জানাযার সালাত (নামায) আদায় করবে না। এরপর থেকে তাদের জানাযার সালাত (নামায) আদায় করা বর্জন করেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ পোষাক-পরিচ্ছদ হাদিস নাম্বারঃ ৫৩৮১

অক্টো. 292013
 

সুলাইমান ইবন দাউদ আবূ রাবী‘ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাঃ) বলেন, মুনাফিকের আলামত তিনটি-যখন কথা বলে মিথ্যা বলে, আমানত রাখলে তা খিয়ানত করে এবং প্রতিশ্রুতি দিরে তা ভঙ্গ করে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ অসিয়াত হাদিস নাম্বারঃ ২৫৬২

অক্টো. 292013
 

কুতায়বা ইবন সাঈদ (রঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেন, মুনাফিকের আলামত তিনটি বলতে গেলে মিথ্যা বলে, আমানত রাখলে (তাতে) খিয়ানত কর, আর ওয়াদা করলে তা ভঙ্গ করে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ শাহাদাত হাদিস নাম্বারঃ ২৫০৩

অক্টো. 132013
 

কাবীসা ইবন উকবা (রহঃ) আবদুল্লাহ্ ইবন আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেনঃ চারটি স্বভাব যার মধ্যে থাকে সে হবে খাঁটি মুনাফিক। যার মধ্যে এর কোন একটি স্বভাব থাকবে, তা পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মুনাফিকের একটি স্বভাব থেকে যায়।
১ আমানত রাখা হলে খেয়ানত করে;
২ কথা বললে মিথ্যা বলে;
৩ চুক্তি করলে ভঙ্গ করে; এবং
৪ বিবাদে লিপ্ত হলে অশ্লীল গালি দেয়।
শু’বা আ’মাশ (রহঃ) থেকে হাদীস বর্ণনায় সুফিয়ান (রহঃ) এর অনুসরণ করেছেন।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ঈমান হাদিস নাম্বারঃ ৩৩

অক্টো. 132013
 

সুলায়মান আবূর রাবী’ (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেনঃ মুনাফিকের আলামত তিনটিঃ
১. যখন কথা বলে মিথ্যা বলে ২. যখন ওয়াদা করে ভঙ্গ করে এবং ৩. আমানত রাখা হলে খেয়ানত করে।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ ঈমান হাদিস নাম্বারঃ ৩২

অক্টো. 112013
 

মুসাদ্দাদ (রহঃ) আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন উবাই (মুনাফিক সর্দার) এর মৃত্যু হলে তার পুত্র (যিনি সাহাবী ছিলেন) নবী (সাঃ) -এর কাছে এসে বললেন, আপনার জামাটি আমাকে দান করুন। আমি তা দিয়ে আমার পিতার কাফন পরাতে ইছা করি। আর আপনি তার জানাযা পড়াবেন এবং তার জন্য মাগফিরাত কামনা করবেন। নবী (সাঃ) নিজের জামাটি তাঁকে দিয়ে দিলেন এবং বললেনঃ আমাকে সংবাদ দিও, আমি তার জানাযা আদায় করব। তিনি তাঁকে সংবাদ দিলেন। যখন নবী (সাঃ) তার জানাযা আদায়ের ইচ্ছা করলেন, তখন উমর (রাঃ) তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন, আল্লাহ কি আপনাকে মুনাফিকদের জানাযা আদায় করতে নিষেধ করেন নি? তিনি বললেনঃ আমাকে তো দু’টির মধ্যে কোন একটি করার ইখ্‌তিয়ার দেওয়া হয়েছে। (আল্লাহ তা’আলা বলেছেন) আপনি তাদের (মুনাফিকদের) জন্য মাগফিরাত কামনা করুন বা মাগফিরাত কামনা না-ই করুন (একই কথা) আপনি যদি সত্তর বারও তাদের জন্য মাগফিরাত কামনা করেন; কখনো আল্লাহ তাদের ক্ষমা করবেন না। কাজেই তিনি তার জানাযা পড়লেন, তারপর নাযিল হলঃ “তাদের কেউ মারা গেলে কখনও আপনি তাদের জানাযা আদায় করবেন না। ”

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ জানাযা হাদিস নাম্বারঃ ১১৯৫

অক্টো. 072013
 

উমর ইবন হাফস (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ মুনাফিকদের উপস ফজর ও ইশার সালাত (নামায)-এর চাইতে অধিক ভারী সালাত (নামায) আর নেই। এ দু’ সালাত (নামায)-এর কি ফযিলত, তা যদি তারা জানত, তা হলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তারা (জামা’আতে) উপস্থিত হতো। রাসূল (সাঃ) বলেনঃ আমি সংকল্প করছিলাম যে, মুয়াজ্জিন কে ইকামত দিতে বলি এবং কাউকে লোকদের ইমামতি করতে বলি, আর আমি নিজে একটি আগুনের মশাল নিয়ে গিয়ে এরপর ও যারা সালাত (নামায) আসেনি, তাদের উপর আগুন ধরিয়ে দেই।

সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ আযান হাদিস নাম্বারঃ ৬২৪